গৃহঘোর

গৃহঘোর জীবনের শুরুতেই যদি ম্রীয়মান যত সন্ধ্যা হ্যালোজেনে খুলে দেয় আপন ভাঁজ দোষ দেয়া যায় না এই জন্মের যে জন্ম জলের, যে জন্ম প্রেমের মানবজন্ম হাইব্রিড পদ্ধতি অনুসরন করেনা কোন মাঝরাত কেবল প্রেমজ উপাদানে ভরে ওঠে নিঃশ্বাসের ওঠানামায় তৈরী হয়ে যায় আস্ত একখানা মানুষ। বিস্ময় কাটেনা যেন কিছুতে একটা মানুষ! কত কষ্টে একটা জীবন বয়ে … Continue reading “গৃহঘোর”

নয় ভাবনার ছয় কথা

নয় ভাবনার ছয় কথা ১ কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেকে নিরপরাধ প্রমান করবার ব্যার্থ চেষ্টা নিয়েও দেখি কোথাও যেন জেগে উঠছে নতুন চর। চরের দখলদারিত্ব নেবার সৎ সাহস নেই বলেই এড়িয়ে যাচ্ছি এই শোকবার্তা। আমরা মানবিক নই। এখনও ভয় পাই সামনে এগিয়ে যেতে। একজন ঋষি অনেক আগেই বলেছিলেন, ‘পেছনে তাকিয়ো না। যারা তাকায় তারা পাথর হয়ে যায়।‘ … Continue reading “নয় ভাবনার ছয় কথা”

অকিঞ্চন

অকিঞ্চন

প্রতি বরষায় এই শহরে ভিড় জমে রক্ত-কাদা-জল আর ট্রাফিক সার্জেন্টের হুইসেল আবারো ফিরিয়ে আনে রজঃস্বলা মাকে; মায়ের যৌবন স্পষ্ট শুনি ছমছম নূপুরের শিহরণ ঝুম বৃষ্টি নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে কলকল ছোট বড় সব রাস্তা ছুঁয়ে বাড়ীটির পাশে। জটিল আঁধারেও মুখ ছিল তার শরদিন্দু মোহর দুধের নধর বাটি সারা গায়ে কত যে চিরকুট বুকের এই ভাঁজ ওই … Continue reading “অকিঞ্চন”

সেরাপিস অনুলিপি

হস্তরেখার চিহ্ন ধরে জ্যোতিষী খুঁজে দেখলেন পাবলিক বুথ। আমাদের করমচা ডালের আগায় অস্ত যাওয়া ফড়িং তখনো বিদায়ের লালরবি গায়ে মেখে ক্রিং ক্রিং বেজে যাচ্ছে অনেকদূর। অত্যাচারের স্পষ্ট রঙ বালুঘড়ি ছিটকে ছুটে এল ফড়িং এর গালে, চিকচিকে পানিতে এরপর নাকে চোখে মুখে তিনি কিনা এ সময়েই খুলে ফেললেন আলেকজেন্দ্রিয়ার জ্বলন্ত কিছু অংশ! কপালের আধপোড়া গ্রন্থ খুলে … Continue reading “সেরাপিস অনুলিপি”

সমাধিক্ষেত্র ভুলিয়াছি আমি ইরাবতী

আমারো দারুন বাঁচবার ইচ্ছে হয়েছিল। ছয় বছরের আমি মেজভাইয়ের পকেট থেকে চুরি করেছিলাম পাঁচটি পিতল পয়সা যা জেনে কেঁদে ফেলেছিল মা মরমে মরেও আমি মরতে চাইনি সেদিন। ঝলমল এর পুতুলের বাক্স থেকে চুরি করেছিলাম কাপড়ের চুলওয়ালা পুতুল ইজেরের ভেতর গুটিয়ে রাখা সেজআপার লিপস্টিক সাত বছর বয়সের পর আর চুরি করিনি বাঁচবার ইচ্ছেতেই। এরপরে কত পাপ … Continue reading “সমাধিক্ষেত্র ভুলিয়াছি আমি ইরাবতী”

হানিবি

রজনীরে বহুবার বলেছি দিওনা বিরহ আমি দিনকাতর মানুষ আমি ফুল শুঁকি প্রাণের ঘ্রাণে রুটি আর মধু সহযোগে আমি জলের উৎসে দাঁড়াই মধু থেকে করি মোমকে আলাদা আর নিজেই গলে যেতে থাকি ভেতরকার সলতে থেকে মুহুর্মুহু জ্বলে দাবানল রজনীকে বলি বিরহ দিওনা অথচ সে যেন এক নারী মধু থেকে বিভক্ত করে সে আমাকে পোড়ায় আমি পুড়ি … Continue reading “হানিবি”

জমাট

আমি আর ছায়া একই কায়ার আরেক রূপে- এই আমার হাতপা জিভ ছায়ার কোনো চোখ নেই নেই নিঃশ্বাস নেবার এখতিয়ার। তুমি আর আমি এক তবে কি করে ভাবো? জল যেমন শিশির থেকে আধো বোলে পাতার গায়ে লেপ্টে মেশে তুমি-আমি বরং জল-কুয়াশার খেলা।

অভিষেক

অভিষেক

ধরো যদি ট্রেন দেরী করে আসতে তুমি ফিরে যাবে কি শহরে ইট, কাঠ, বালু, পাথর মিশেলে দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু সব অট্টালিকা সরু একফালি গলির মাথায় নিহত চাঁদ আটকে থাকে প্রতিদিন তুমি যাবে কি ফিরে সেই শহরেই? বরং ট্রেন এর অপেক্ষাতেই থাকতে পারো পরবর্তী দূরগামী কোনো ট্রেন যা তোমাকে নিয়ে যাবে অনিকট কোনো গ্রামে যে … Continue reading “অভিষেক”

অতলান্তিক

অতলান্তিক

সেই মূহুর্তে চোখে ছিল সমাজের কালো পট্টি পিছমোড়ায় বাঁধা সাংসারিক হাত সাংঘাতিক ইশারায় বিহবল— বিচারবিহীন বধ্যভূমির শয্যা, শেষ ঠিকানায়। একজন প্রেম তারপরও অপেক্ষা দেখালো ছিঁড়ে দেয়া যেত বাড়ানো মায়া ভেঙ্গে ফেলা যেত নিষিদ্ধ বন্ধন গন্ধম বাহু তারপরও টেনে নিল নিবিড় আলিঙ্গনে। মায়া রে মায়া—ছেঁড়া যায় না, ভাঙা যায় না ওপারে বৃহৎ সুখ, এপারে বিস্তৃতি অতঃপর … Continue reading “অতলান্তিক”

ফিরে গেছে সবাই

ফিরে গেছে সবাই

কাদা ঘেঁটে সোনা খুঁজিয়ের দল চাঙর ফাটিয়ে হীরা তোলা জোট ফিরে গেছে ম্লেচ্ছ, মালু, মোচলমান সারি বেঁধে দাঁড়াও এক এক করে আসো থামবেনাকো পৃথিবী গলে যাচ্ছো তুমি, ধোঁয়া হচ্ছো সারি বেঁধে আসো দেহের মুক্তিতে জানবে এখানে আসলে ছিলনা কিছুই ফিরে গেছে নীলিমা, বনলতা সেন ফিরে গেছে নার্গিস হীরা র’লো পড়ে, সোনা আছে লুটিয়ে নেই তুমি, … Continue reading “ফিরে গেছে সবাই”