শাকিলা তুবা-এর ব্লগ
স্বস্তি বাচন মন্ত্র
তোমাকে খুঁজতে গিয়ে হারিয়ে এসেছি কোন হাহাকারের ভেতর
কত ঘুম লুকিয়ে পড়েছে প্রাচীরের পর প্রাচীর পেরিয়ে একেকটা রাতের পারে
তোমাকে শুইয়ে দিয়েছি কোমল ধবল তুষারে
কোনদিন জেগে উঠবে কি?
বলবে কি ডেকে, “মায়াবতী রাজকন্যাগো চন্দ্রালোকিত জলে
তুমিও লেগে গেছো চাঁদের মতো করে
তোমার সুবাস পাই এত দূর থেকেও
এসো, পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | ৩০ বার দেখা | ১৭০ শব্দ
দূরে দূরে কাছাকাছি
খুব কাছে গেলে যে মুখটা অচেনা হয়ে যায়
সবাই তাকে গোল্লাছুট ভাবুক
সে তো কেনা হয়ে আছে কবেই
সে যখন ভাবে ভ্রমন
তুমি ভেবে নিও রেডিও
যা ইথার ছাড়িয়ে ছড়িয়ে যেতে পারে অনেকদূর। সে যখন দেখতে আকাশের মতো
সে যখন ভেজা গাছ, বৃষ্টিময় রোদ
তোমার দৃষ্টি পথে সে যখন পোড় খাওয়া পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | ৩৫ বার দেখা | ৫৭ শব্দ
সর্পশাপ
গাছগুলো ভিজে শেষ।
এমনদিনে সেও যেন একলা থাকে কোনোদিন
এই আকাশের সারিমেঘ
শীত শীত ব্যাকুল বাতাস আর
ভেজা মন নিয়ে
সেও যেন কাঁদে আরো কয়েকবার যে হারায় সে হারায়
যে জানে সত্যিকারের ভাসান দিতে
সে ডাকেনা কাউকে আর
ফিরে ফিরে আসে হাহাকার
বুক ভরা অভিমান
দিকছাড়া ক্ষ্যাপাটে শোক যাকে শোক দিয়েছে সে তারই মতন
সেও অবিশ্বাসী পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৩ বার দেখা | ৬৭ শব্দ
অরুন উৎসব
অরুন উৎসব
কত কথা চলে গেছে কার অতলে
বদলে গেছে সেইদিন, এইদিন
আমাদের দিন আর রাত। জ্বরের কিনারে শর্তহীন তার প্রলাপ
এগিয়ে দিয়েছে বুকভরা ঘুম লিস্ট
নজরের উল্কিকাটা চোখ আর
মজার সব নক্সায়
খুলে গেছে বুঝি কল্যাণের স্বরলিপি। যে চেয়েছিল গোপনে বাঁচতে
মৃত্যু তাকে পুড়িয়ে গেছে শতবার
মিথ্যে তার গ্রীবা সহসা ডুবে পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৮ বার দেখা | ৭২ শব্দ ১টি ছবি
ইনভিজিবিলিটি
ইনভিজিবিলিটি
রাতগুলো কান্নার মতন এমন জরুরী নয়
এখানকার রঙ ওখানে ছড়িয়ে
কতই আর চিহ্নহীন হবে সাগর! লোনা ঢেউছন্দ উঠে আসবে আরো কাছে
না চাইলেও ভাবতে হবে
ছিল না কেউ এখানে। করুণ আর্তি যেটুকু দাঁড়ানো চোখের দরজায়
তাকে দেখা হয়নি এতকাল
যদিও দূরত্ব এক চোখ থেকে অন্য হাসি পর্যন্ত। মিলিয়ে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪০ বার দেখা | ৫৪ শব্দ ১টি ছবি
জাগানি
যদি জেগে থাকো মেলা রাত অব্দি
যদি কথা রাখতে ইচ্ছে হয়
সূর্য মেলে দিও রাত আঁধারে
ভয় থেকে টেনে নামিও
একজোড়া চোখ নিজের দিকে। এখানে তো এখনো কত কথা জমে থাকে
শীতভোরের কুয়াশাচ্ছন্ন মায়ায়
কত অভিমান খেজুরের রসে হাঁড়ি ভরেছে
কত হাহাকার বাতাসে মিশেছে
যদি জেগে থাকো ভোর দেখিও। সময়ের ঘোড়া দেখো সোনালী পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮১ বার দেখা | ৯৩ শব্দ
একঘরে সরোজ
একঘরে সরোজ
নিবিড় ভোর
ঘন শীত কুয়াশা
ওপারে কাঞ্চন ব্রীজ আরেকটু এগোলেই সেই টিনের ঘর
হাতে হাতে কল্কি
জানিনা কি নেশায়
বিলীয়মান বাসের ভেতর তাকাই
কাদের যেন ছেলে এক হুহু করে চলে যাচ্ছে
কোমরে সমরাস্ত্র যুদ্ধাংদেহী
কি তার ভাব! গরম গরম!
অথচ চোখ দুটো দেখো স্বচ্ছ কেমন
কাঞ্চন ব্রীজের অদূরে শুয়ে পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫০ বার দেখা | ১০৮ শব্দ ১টি ছবি
আলোকিতরশ্মি
যে কোনো দিন তুমি বোন আমার, শুনবে
মৃত্যু কেমন করে উজ্জীবিত করেছিল আমাকে
সাদা ফকিরের খাঁচা বিষয়ক গানটির মত
আমি মুছে দিয়েছিলাম প্রিয় ভাইটির কপাল
সিঁথি আর সিঁদুর লেপন
নির্বিরোধী আমি তাই খাঁচাটা ভাঙ্গতে চেয়েছি
বরাবর নিজের শরীর থেকে। অপরাধ নিও না বোন আমার
কান্না মানে আমি কখনো চোখ বুঝিনি
তোমার বুকের ঠিক পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮৬ বার দেখা | ১৭৭ শব্দ
চিরায়ত
বন্দী বিনিময় শুরু হয়ে গেছে। একজন আসবে, একজন যাবে। দূরে বিস্তীর্ণ ভূমি, কি দারুণ বিস্তৃত। রোদ থেকে ঝলসে উঠছে কাকলী, প্রাণের কাকলী। বাতাসে শিস দিচ্ছে দুলে ওঠা কচি ধানের সবুজ। নরম ভাপ ওঠা রোদ। লোকটা বারান্দায় বসে এসব দেখে আর ভাবে, ভাবে আর দেখে। পড়ুন
জীবন | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৮২ বার দেখা | ২০৩৭ শব্দ
অভিমুখ
চারকোণা মেঘ
সরে উড়ে যাচ্ছে কই!
নানুবাড়ি বুঝি? কোন গ্রাম? শেকল সরিয়ে পায়রা উড়িয়ে
আকাশের নীচে তুমি, তুমি ওই
বাড়ি নেই, ঘর নেই। যাও কই? আকাশ আছে মেঘ নেই
মেঘ আছে আদরবাড়ি নেই
বড় হয়ে আকাশ নয়, মাটি ছুঁয়েছো শেষে! পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৯৪ বার দেখা | ৩৩ শব্দ
বিরহ কাল
আমাদের ভ্রমণ শুরু হবার আগেই
তুমি, তুমি যেন পিছলে গেলে
সন্ধ্যা লাগি লাগি সময়ে
তোমার গালের ট্রান্সপারেন্ট আঁচিল
যাকে একফোঁটা পানি মনে করে
আমি চুমু খেতে চেয়েছি অনেকবার তোমার ঢেউ ঢেউ ঠোঁট
আমাকে কম্পমান খরগোশের
নরম শরীরকে মনে করিয়ে দিয়েছে প্রতিবার
অথচ তুমি পিছলে গেলে
তোমার পতন দেখা হলো না
দেখা হলো না কত দ্রুত পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৩ বার দেখা | ৬৪ শব্দ
অশ্বত্থের ছায়া
জলীয় সুতোর কারুশিল্পের সাথে
ছড়িয়ে আছে জল, মাছের শিকার
এ অদেখা এক জাল, মৎসচাষে সাধু বক
দুলে ওঠা নিয়ে সংশয় নেই হয়তো
জলভাসা মৃদু গোলাপী অহংকার
ডুবিয়ে রাখছে তোমাকে,
ডুবিয়ে রাখছে আমাকে। পুতুল ছিলাম কোনোদিন হয়তো
যদিও উপাধিতে মারমেড অথবা রাজকুমারী
মূলতঃ ছিলাম সুঁই
ফোঁড় দিয়ে অন্যের জীবনপ্রণালী গেঁথে দেয়া।
সূঁচের উপরেই নাচগানের নকশী
নাচো পুতুল, পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৭ বার দেখা | ৭৫ শব্দ
ভরকেন্দ্র
ভরকেন্দ্র
সেই লম্বা ছায়া ততক্ষণে বুক সমান
পাশের ঘরটা ফিসফিস করে উঠল
কিছু আলো কিছু ছায়া
ত্রিরৈখিক এক যুবক মধ্যমার যুবতীকে দেখে
চোখ ওঠে, চোখ নামে
নারীকণ্ঠ মৃদু লয়ে ঝরে,
‘জানো আমার ভীষণ জ্বর
প্রেমে তাপে পুড়ছিলাম অনর্গল
এখন শরীর বইছে না।’ ছেলেটা নিজের মমতা দুইহাতে মেখে নেয়
কিছুটা ছুঁড়ে দেয় প্রেয়সীর পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮০ বার দেখা | ১৩৬ শব্দ ১টি ছবি
আকাশ ছোঁয়াও মেঘের ওপার থেকে
আকাশ ছোঁয়াও মেঘের ওপার থেকে
পুষ্প চয়নকালে ওভাবে কেন মেলে দিলে
পাঁপড়ি; সুনয়ন, সুলোচনা?
দৃষ্টি থেকে বয়ে গেল জোর বাতাস
তপ্ত কেমন, কেমন আধবোজা
অমন ঠোঁটের কাছে জীবন নির্বাস দেয়া যাক
নাকি ওই চোখের সামনে পৃথিবীও তুচ্ছ! এমনি করে হবে একা যে দিনগুলোতে
ডেকো ঝড়, উতল তুফান
অযথা যুদ্ধে হয়ো পরাজিত
সবশেষে ক্লান্ত পৃথিবীতে
প্রোথিত পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৯৮ বার দেখা | ৪৭ শব্দ ১টি ছবি
র্নি‌+বাসি+অন
শব্দের পর শব্দ পেরিয়ে
যে গাছটির কাছে এসে দাঁড়িয়েছো
তার পাতাগুলো ঝরে গেছে আগেই
তুমি স্রোত খোঁজো
অথচ তোমার নদী লুকিয়েছে পাথরের খাঁজে মানুষ অতীতে বাঁচেনা
তবু কত নির্ভয়ে অতীত বসে থাকে
ঘিরে থাকে চারপাশ
ঘাসের উপর বসে থাকা ফড়িং
তুমি দেখলেই না ওই উঁচু প্রজাপতি সুখ দিয়ে যাক
তন্দ্রা নামুক চোখে
এর বেশী তুমি নিজেই পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১০৩ বার দেখা | ৫৫ শব্দ