শাকিলা তুবা-এর ব্লগ
দিগদারি
বিয়ান বেইলেই ক্যান দিগদারি মারোস পারুলি?
কইছিলাম না তল্লাপাড়ে আর যাবি না!
হুনোছ নাব্বে, তুই কুনু কতাই হুনোছ না
আইজকা রেজাকার আবুইল্যা হাত দিছে সিনায়
কাইলকা দিবোনে হালারপুতে রজইব্যা। ঐ পারুলি, খাড়া কইতাছি!—এমুন মিজাজ দেহাস কেল্লা!
কালা চউক্ষে সুরমা দিছোছ?
সুন্দরই তো লাগে—
চেতিস না, আবুইল্যারে দেইখা লিমু- কইছি না?
মাগার, আয় হায় পড়ুন
কবিতা | ৭ টি মন্তব্য | ৮৫ বার দেখা | ৮৮ শব্দ
আজ্ঞানুবর্তী
আজ্ঞানুবর্তী
আমাকে কেউ গোণেনা,
আমাকে কেউ ধরেও না
আমাকে কেউ গোণায় ধরেনা
আমি এলেবেলে
আমার বহুত খুঁত
বহুত সমস্যা
কেউ বলে স্বয়ম্ভূ
কেউ বলে পাগল
আমি বলি, উঁহু
আমি স্বয়ং পাগলা গারদ এরপরে কিছু রাত কাটে যেন মোহগ্রস্ত
শহরের কোলাহলে রাত নামলে তক্ষক যেন ডাকে
আমি শুনতে পাই কাছে দূরে শেয়ালের ডাক
দূরে যেন পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২১৯ বার দেখা | ২৩৯ শব্দ ১টি ছবি
সম্পর্ক
সম্পর্ক
আমাদের ভেঙ্গে যাওয়া সম্পর্কের ভিটিতে
মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো অশত্থ
শাখা-প্রশাখায় বাঁধছে অণু-ঘর
যাদের দেয়ালে বিচিত্র নকশা
মাথার উপর ফুটো চালায় কখনো ঝরে বৃষ্টি জলফোঁটা
ভাটির টান যাচ্ছে গড়িয়ে পূর্ণিমায়
আমরা দাঁড়িয়ে তবু গলাগলি, সম্পর্ক ভাসিয়ে জোয়ারে। উচ্ছ্বল চাঁদনীস্রোতে রাতের জল হেসে ওঠে
প্রজাপতির ভেজা ডানায় নরম জরীর পড়ুন
কবিতা | ৫ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২২৩ বার দেখা | ৮০ শব্দ ১টি ছবি
মারমেইড
মারমেইড খুব একটা তাড়া ছিল না—
পোস্টার থেকে নেমে আসবার সময়ে,
একটু শুধু টেনে নামিয়েছিল স্কার্টের ঘের। এটুকু দেখবার পর
কোনো চাঁদেই আর আলো ফোটার কথা নয়।
রেস্তোরাগুলো সবে জমে উঠেছিল
মেঘের ভেতরে চিত্রল কানাঘুঁষা, খরিদ্দারগুলোও
ঘুরে তাকালো। মেয়েটি চুপ করে বসেছিল,
ভাঁজ করা শরীরের তাপে শুকোচ্ছিল এলাচ ফুলের মৌ।
ততক্ষণে আমার পড়ুন
কবিতা | ৭ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৩২ বার দেখা | ১০৩ শব্দ
যে জলে আঁকা ছবি
যে জলে আঁকা ছবি
সন্ধ্যার ইন্দ্রজাল সুবর্ণ জলের মেয়ে ভেসে যাবে মেঘের ভেলায়, সেই সন্ধ্যাটা সবে আসি আসি করছে। তেজ কমে হালকা হতে হতে অলিভ ওয়েল রঙের রোদ নেমে যাচ্ছে, ডুবে যাচ্ছে দীঘির আরো তলে। কোথাও শিষ দিল পাখি, বেহায়া পাখি! গায়ে এসে লাগল পড়ুন
সাহিত্য | ২০ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৮০ বার দেখা | ১৭৫ শব্দ ১টি ছবি
সাধুর ঘর
সাধুর ঘর সাধুর কুটির খুব দূরে নয়
সাধুর কুটিরটা এখন খুব কাছে
সাধুর কুটির যেন নিজস্ব আলয়। পড়তি দিনের আলো আরেকটু অন্ধকার নিয়ে এলে
এখানকার মানুষগুলো হেসে উঠবে
হাসতে হাসতে বসন্ত টিলায় সারিবাঁধা রাবার গাছের ফাঁকে
একঝাঁক টিয়ে এসে বসবে। সাধু তখন কাঁচামরিচ ছুঁড়ে দেবে
সাধু তখন কল্কি লুকাবে
সাধু তখন দারুন নিরুপায়। শরীর থেকে পড়ুন
কবিতা | ২৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৮৮ বার দেখা | ৭৯ শব্দ
অরূপের রূপ তুমিই জানো
অরূপের রূপ তুমিই জানো আমাকে আমার কখনোই ভাল লাগেনি
সেই ছেলেবেলা থেকে আমার কানগুলো খরগোসের মতো
নাকের উপরকার তিলটা ভয়াবহ যন্ত্রণাদায়ক
আর চোখের ভাষা তো আমি নিজেই পড়তে পারিনি জীবনে। গ্রীবায় একটা ভাঁজ যা দেখে মা বলেছিল নানাভাইয়ের ভাগ্য
আমার কেবলই মনে হতো আমি এদের কেউ নই
ভাইয়া বলেছিল, তোকে কুড়িয়ে পড়ুন
কবিতা | ২০ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৪৬ বার দেখা | ১০৭ শব্দ
মনরঙ্গ
মনরঙ্গ কাঁপতে কাঁপতে দূরে সরে গেছে ছায়া
ঢেউ ঢেউ আগুনে সলতে
জ্বলে উঠেছিল দ্বিধার পাশে
একদিন ঘাস আর প্রজাপতির মিলিত
রিফ্লেকশন আকাশের দিকে
উড়ে যাবে
এমনি করেই। একদিন সবই জনম জনম হেঁটে যাবে
আর ফিরবেনা
অন্য কোনো ফাল্গুনেও যেমন ফিরবে না
আজকের এই বসন্ত। যোগীর ছায়াবসনে কেন যে কেউ
তবু মেখে দিয়ে যায় অঙ্গজাত উৎসর্গপ্রথায়
মদ ও পশুবলির পড়ুন
কবিতা | ১৮ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২১৭ বার দেখা | ৪৫ শব্দ
বাসন্তিক বিষুবন
বাসন্তিক বিষুবন
আলোরা কষ্ট পাচ্ছে, কষ্ট পাচ্ছে
পাখা ছাড়া উড়তে উড়তে পুড়ে যাচ্ছে
হাজারো সূর্যাস্ত
দখিনের রাস্তায় ঘুরে যাচ্ছে দীর্ঘ নিঃশ্বাস
ফুলে ধর্ণা দেয়া মৌমাছিগুলো
ফিরে যাচ্ছে, ফিরে যাচ্ছে
দেখেশুনে এসব, কষ্ট হচ্ছে। বিগত জীবন থেকে বেরিয়েছে এই দেখো
একটা পাথর, রঙচঙে কি?
দেখে মনে হয় কারো কিছু হয়েছে কোথাও।
কোথায় কি পড়ুন
কবিতা | ১৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৭৯ বার দেখা | ৮২ শব্দ ১টি ছবি
নদীটি অমিতক্ষরা
নদীটি অমিতক্ষরা
কারুবাসনা—
তোমার ছায়ায় পার করেছি সমগ্র জীবন
ছায়াচ্ছন্ন এক গ্রামের কথা এইখানে জেনেছি
তবু ভুল হয়ে যায় প্রতি রাতে
আবার শুরু করি প্রথম থেকে
প্রথম থেকে শেষ, শেষতক শুরু। ভুলে যাচ্ছি ইশপের গল্পে সত্যানুসন্ধান,
তৃতীয় নয়নের একচোখা নীতি,
বুকের মধ্যে আটকে পড়া সাইকোপ্যাথ নদীটা
গড়িয়ে যাচ্ছে বহু বহুদূর
মানবিক পড়ুন
কবিতা | ১৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৪৬ বার দেখা | ৭১ শব্দ ১টি ছবি
পাথর কথা বলে না
আমাদের বাসার পেছনে
উঁচু রেলিংটার পর পৃথিবীর শেষ
সামনে অবারিত সুষম মাঠ
তারপরেই নয়তলা উঁচু অট্টালিকা। অট্টালিকার উপর বসে থাকা পাখি
পিঁপড়ার সমান লাগে দেখতে
পাখি তাকিয়ে থাকে
নিকট আত্মীয় একতলা ক্যাফের দিকে
যার আলোক কণিকা সে দেখে না
তবে গান শোনে, বিজাতীয় ভাষার গান
পেয়ারা বাগান ছাড়িয়ে ঠুমরী, টপ্পাগুলো
ঝটপট উড়ে যায় অতীত পড়ুন
কবিতা | ১৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৪৪ বার দেখা | ৭৫ শব্দ
নদী উড়ে যায় আকাশে
চেয়েছিলি যাবার আগে ডায়েরীটা নিয়ে যেতে
কত উপাখ্যান, রূপকথার মতো ছড়ানো জীবন
তোকে টেনেছিল খুব
চেয়েছিলি জানতে, এটুকুই শেষ কি-না!
তুই চলে যাবার পরও থেমে তো থাকেনি জীবন
একটার পর একটা ঘটনা
আরো কত গল্পের জন্ম দিয়েছে জানিস না তুই। অতীতের সুবর্ণ দরজাটা খুলে উঁকি দেয় কত মুখ
কেউ সুখি করেছিল, পড়ুন
কবিতা | ১৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৩৩ বার দেখা | ১৪৩ শব্দ
সময় গেলে সাধন হবে না
এই তো ছাড়াছাড়ি হয়ে যাবে
আর একটু পরেই
সন্ধ্যার শীত শীত ধোঁয়া আরো জমে এলে
ঢেকে যাবে মুখোমুখি দুই মুখ। দূরের কোনো ঘরে তখনই সাঁঝবাতি
তখনই কৃষকের বাড়ীফেরা
জলে জলে বরফের নিরাপদ সেঁক
ফাঁকি দিয়ে উড়ে যাবে এতদিনকার অনুরাগ। হয়তবা অনুরাগ ওড়ে না, মানুষই চলে যায়
কুয়াশাও গোপনেই জমে পাতার শিশিরে
আর মাত্র ক’টা পড়ুন
কবিতা | ২০ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২২২ বার দেখা | ৫০ শব্দ
ইউনানী
যেদিকে তাকাই কেমন মুকুল ঝরে যায়
কে যে কারে পরায় চন্দনহার, দুঃখের বকুল! এই আছি বেশ নিজ বেশে অবরুদ্ধ
ছয়শিক পরে বিষতরু অঙ্গন,
জোড়া ধুতির শ্যামল দ্রোনী পাড়।
এমনই এক দুঃখদিনে
কে বা কারে রেখেছিল পাশে, ডেকেছিল কাছে! ঘুঘুঝরা এমন দুপুর যদিবা আসেনি আর
কিশোরীর জলডোবা দুইচক্ষু কতুহলে
কত মাঝি টেনে ভাসিয়েছে নোঙর
উঠে পড়ুন
কবিতা | ১৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৫৮ বার দেখা | ৬৩ শব্দ
স্রেফ ওয়াশিং মেশিন
স্রেফ ওয়াশিং মেশিন
ওয়াশিং মেশিনের স্পিনিং সিম্ফনি
শব্দ-অশব্দের অর্কেস্ট্রা
শুনতে শুনতে—
জমা কাপড়ের আড়ালে পড়ে থাকা
একটা নেইমকার্ডের বানান
দেখতে দেখতে—
মনে পড়ে গেল লোকটার কথা
যে মিডিয়ায় কাজ করে! নির্দিষ্ট শটে নায়িকার ফ্রক উড়ে উরু দেখা যাবে
ক্যামেরার শাটারে আর কোনোদিন চাপ পড়েনি
নায়িকার স্কার্ফ ছিঁড়ে উড়ে গেছে
লোকটা নায়িকা বদল করেছে।
নেইমকার্ডটা হাতে পড়ুন
কবিতা | ৩০ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৮৫ বার দেখা | ১৪৮ শব্দ ১টি ছবি