শংকর দেবনাথ-এর ব্লগ

শংকর দেবনাথ
জন্মঃ ২১ অক্টোবর, ১৯৭৪
প্রকাশিত গ্রন্থ –
কবিতার বইঃ
১) আত্মহনন অথবা মৈথুন ২) শিয়রে নীলাভ জ্বর ৩) পরকীয়া ঘুম
ছড়ার বইঃ
১) দুধমাখা ভাত ২) টক ঝাল তেতো কড়া ৩) ফাটকা কথার টাটকা ছড়া ৪) লাগ ভেল্কি লাগ ৫) রসে কষে ভরা প্রবাদের ছড়া
গল্পগ্রন্থঃ
১) দুই শালিকের গল্প
সম্পাদিত পত্রিকাঃ ছোটদের ভোরের পাখি
ভেল্কি ছড়াপত্র
ঠোঁটকাটা মাসিক ছড়াপত্রিকা
পুরষ্কার ও সম্মাননাঃ
১। নিখিলবঙ্গ শিশুসাহিত্য সংসদ প্রদত্ত ” কবি কৃত্তিবাস সম্মাননা” -২০১৮
২। দীনবন্ধু রাখালদাস বিভূতি বিনয় একাডেমি প্রদত্ত ” কবি যোগীন্দ্রনাথ সরকার সাহিত্য সম্মান -২০১৯

কান্তগোঁসাই
কান্ত গোঁসাই শান্ত ভীষণ, জানতাে সবাই তাকে,
সাত চড়ে রা করেন না যে, নেই কোনাে হাঁক ডাকে ।
হঠাৎ যে তার মাথার ভেতর ঢুকলাে কীসের পােকা,
ভাব চেহারায় জ্ঞান যে হারায়, তার মেয়ে-বউ-খােকা। হাসেন কাঁদেন, গল্প ফাঁদেন বিদ্ঘুটে আজগুবি,
দাঁত খেঁচিয়ে চেঁচিয়ে বলেন-আমার তাে কাজ খুবই।
নস্যি দিয়ে হাঁচেন কেবল, পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩১৯ বার দেখা | ১৪২ শব্দ
গাছের জন্মদিন
গাছের জন্মদিন
শংকর দেবনাথ – দাদা, বাবাকে যা যা আনতে বলেছিলি, বাবা কি সে সবকিছু নিয়ে এসেছেন?
সন্তু বলে ওর দাদা রন্তুকে। হ্যাঁ, সবই এনেছেন। এখন আমাদের কাজগুলো তাড়াতাড়ি করে ফেলতে হবে। চল ভাই। রন্তু সন্তুর হাত ধরে এগিয়ে যায় ওদের বাগানের দিকে। সকাল থেকে রন্তু আর সন্তু খুবই পড়ুন
গল্প | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৪ বার দেখা | ৬৯৫ শব্দ
সেই তাদেরই জন্য
সেই তাদেরই জন্য
শহর ও গাঁ-য়
নিত্য জোগায়
সবার যাঁরা
অন্ন,
আমার ছড়ায়
প্রণাম ছড়াই
সেই তাঁদেরই
জন্য। পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩১৫ বার দেখা | ১৭ শব্দ ১টি ছবি
প্রেমের পদ্য
যদি কোনো বেভুল বিকেলে-
বাউল বাউল হাওয়া
দেয় ডানা মেলে।
অশথের প্রিয়শাখা থেকে-
পাতাগুলো নেচে ওঠে
বুনোসুখ মেখে। পাখিদের আঁখিভাষা যদি-
সুরেসুরে লেখে বুকে
শ্রাবণের নদী।
ফুল যদি ভুল রঙ আঁকে-
সামাজিক প্রজাপতি
না খোঁজে গো তাকে। না বলা কথারা যদি জাগে-
প্রাণময়ী কবিতার
প্রিয় অনুরাগে।
সেইদিন নীরব ভাষাতে-
একবার যদি ডাকো-
রয়েছি আশাতে। পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭১ বার দেখা | ৪৩ শব্দ
এই করোনা ভীষণ ভাল
এই করোনা ভীষণ ভাল
এই করোনা ভীষণ ভালো
হিসেব করে চলে,
ট্রেন ও বাসে চড়েই না সে
যায় না শপিংমলে। হাট-বাজারে যায় না রে সে
হাজার লোকের ভীড়ে,
মিছিল মিটিং বিয়ের ইটিং
দেখলে সে যায় ফিরে। এই করোনা ভীষণ ভাল
সকল কিছু ভুলে,
পড়ার নেশায় সে যায় শুধু
কলেজে-ইস্কুলে। পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ৭ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২২৬ বার দেখা | ৩৪ শব্দ
আছে-নেই
লোকেদের চোখ আছে
তবু শোকে পানি নেই,
ব্যাগ আছে পকেটেতে
দ্যাখ তাতে Money নেই। সর্ষেতে ভূত আছে
তাকে পেষা ঘানি নেই,
মুখ আছে মুক হয়ে
প্রতিবাদী বাণী নেই। ভুল গাছে হুলভরা
ফুল আছে ঘ্রাণই নেই,
নানারূপ হানা আছে
শুধু চাকে Honey নেই। ছাই আছে চারপাশে
রাখবার দানি নেই,
পাখি আছে নাকি গাছে
ঘুমভাঙা গানই নেই। শিবের গীত তো আছে
ধান পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮৩ বার দেখা | ৭১ শব্দ
এই শিশুটি ওই শিশুটি
এই শিশুটির নেই জামা বই
নেই তো খেলার বল,
শুধুই আছে চরম খিদে
গরম চোখের জল। ওই শিশুটির অথৈ সুখ আর
কতই ব্যাগে বই,
খেলনা ঘরে হরেক তবু
খেলার সময় কই? দুইটি শিশুই সুইটি ভারি
ভুঁইটি তবু কারা-
চাষ করে আর ঘাস মারা বিষ
দেয় ছড়িয়ে তারা! পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫০৩ বার দেখা | ৩৬ শব্দ
গবাইচাঁদের ক্ষ্যামতা
সবাই জানে গবাইচাঁদের ক্ষ্যামতা আছে কত,
মুখেতে সে সুখেতে খই ফোটায় অবিরত।
বেতাল দিয়ে তিলকে সে তাল দেয় নিমেষে ক’রে,
বেজায় মজায় ভেজায় চিড়ে কথা মহাতোড়ে। হাটের মাঝে মাটির হাঁড়ি পা-টির মেরে লাথি,
হেসেহেসেই দেয় ভেঙে সে, কাজটি ভারি পাতি।
নয়টাকে ছয় করতে পারে- ভয়ভীতি নেই তো রে,
ভীমতেজে সে ডিম পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭০ বার দেখা | ৯৯ শব্দ
মুখোমুখি- দীর্ঘ ছড়া
মুখেমুখে রটে কথা, খই ফোটে মুখে,
মুখ খুলে জীবনটা কাটে কারো দুখে।
কথা ঝেড়ে মুখ মেরে মুখ টিপে হাসে,
মুখ দেখে সুখ, কেউ মুখে ভালবাসে। মুখে মেখে চুনকালি মুখ বুজে থাকে ,
মুখ উজ্জ্বল করে কেউ মুখ রাখে।
মুখ পুড়ে যায় কারো, মুখে পড়ে আলো,
মুখ ঝামটাতে কারো মুখ হয় কালো। মুখটা পড়ুন
অন্যান্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৩৩ বার দেখা | ১৮৭ শব্দ
খুশির পুষি
– আমার পুষি কোথায় মা?
বাড়িতে ঢুকেই উদ্গ্রিবভাবে জানতে চায় খুশি। দু’দিন আগে বিনা নোটিসে হঠাৎ মামাবাড়ি যেতে হয়েছিল খুশিকে।
ওর বড়মামা এসেছিলেন বেড়াতে। আর একপ্রকার জোর করেই ওকে নিয়ে গিয়েছিলেন সাথে। গরম ছুটি চলছে। তাছাড়া অনেকদিন মামাবাড়িতে পড়ার চাপে যাওয়াও হয়নি ওর। তাই মামা বলতেই পড়ুন
গল্প | ৭ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫২১ বার দেখা | ৪৩৮ শব্দ
পানকৌড়ি ও বুনোহাঁসের গল্প
-বারবার আকাশের দিকে তাকিয়ে কী দেখছো গো অমন করে?- পানকৌড়ি-বউ জানতে চায় পানকৌড়ির কাছে।
-ও, কিছু না। এমনি
-কিছু না বললে হলো। আমি আজ ক’দিন ধরেই তো দেখছি তোমার হাবভাব। মনে হচ্ছে কিছু একটা যেন খুঁজছো তুমি। বল না কি হয়েছে? শীতের হালকা পরশ লাগতেই পানকৌড়ির মন পড়ুন
গল্প | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮০ বার দেখা | ৫৫৭ শব্দ
অভিমান
সামনে বইখাতা খোলা। টিচার আসবেন পড়াতে। বিকেল পাঁচটায়। হোমওয়ার্কটা এখুনি করতে হবে। নইলে কিন্তু কিছুতেই ছোট্ট শ্রমণের মন বসতে চাইছে না পড়াতে। বারবার যেন আনমনা হয়ে যাচ্ছে। বইয়ের দিকে তাকালেই মনে হচ্ছে অক্ষরগুলো যেন ওকে হা করে গিলতে আসছে। হঠাৎ খোলা জানালা দিয়ে বাতাস আসে। ওর পড়ুন
গল্প | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৭৫ বার দেখা | ২০৫ শব্দ
দুঃখে-সুখে মিল-বুকে রই
গাছগাছালির ভীড়ে,
রহিম রাম আর আমার বাড়ি ইচ্ছামতির তীরে।
নদীর জলে মদির সুখে সব ভেদাভেদ ভুলে,
সাঁতার কাটি সাম্যগাঁথার ছন্দে তুফান তুলে। ঈদের দাওয়াত পেয়ে,
আয়েস করে সেমাই পায়েস সবাই আসি খেয়ে।
সরস্বতী-দুর্গা-কালী- লক্ষ্মীপুজো এলে,
সবাই মিলে খুশির নীলে বেড়াই ডানা মেলে। বিকেলবেলায় মাঠে,
খেলার মেলায় সুখের ভেলায় সবার সময় কাটে।
হারুণ-হাবিব-সমর-সুজয় দারুণ ভালবেসে,
একসাথে পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩১৩ বার দেখা | ৭৭ শব্দ
মুজিব-বন্দনা
মুজিব মানে জাতির পিতা – বন্ধু বাঙালীর,
আপোষবিহীন বিদ্রোহী এক বীর।
মুজিব মানে বাংলাদেশের চিরসবুজ নেতা,
স্বদেশপ্রেমিক – জন্ম স্বাধীনচেতা। মুজিব মানে মায়ের হাসি- বাবার ভালবাসা,
ভাইয়ের -বোনের স্বপ্ন-আলো-আশা।
মুজিব মানে বাঁচতে শেখা- চলতে শেখা পথ,
ভালবেসে মরার সাহস সৎ। মুজিব মানে জল থৈ থৈ নদীর কলতান,
দোয়েল-শ্যামা হাজার পাখির গান।
মুজিব মানে সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশের মাঠ,
শাপলা-ঝিল আর পদ্মদিঘির ঘাট। মুজিব মানে শারদ-রাতের চাঁদের মধুর হাসি,
কবির কলম – কাব্য-ছড়ার রাশি।
মুজিব পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৮২ বার দেখা | ৭৫ শব্দ
জীবনখানা নয়তো স্বাধীন
ইচ্ছেমতন ঘুরবো এবং
উড়বো পাখির মত,
পুড়বো একা
জ্বালিয়ে আপন ক্ষত। কিন্তু আমি নইতো স্বাধীন
বাঁধহীনও নই মোটে,
ফিরতে হবে
সেই পরাধীন গোঠে। পথ চেয়ে মা থাকেন চেয়ে
আঁকেন চোখে আলোই,
ফিরবে বাড়ি
ছেলে ভালোয় ভালোয়। রোগশয্যায় শুয়ে বাবাও
বোজেন না দুই আঁখি,
খোঁজেন শুধু-
খোকন, এলি নাকি? ছোট্টবোনের মনের কোণেও
কোন সে চপলতা?
ফিরলে বাড়ি
শান্ত মধুরতা। কাজের ফাঁকে বউয়ের মনও
ক্ষণ গুনে যায় পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ৯ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৯১ বার দেখা | ৮৩ শব্দ