বর্ষা বিলাস

বর্ষা বিলাস

হঠাৎ একটা আর্তনাদ এসে জমাট বেঁধে রইল আমার হাতের মুঠোয়। অন্তহীন জলরেখায় এক জ্বলন্ত মোমের মতো। মানুষের মুখোশ চারপাশে ঘিরে থাকে আর ছায়া অপচ্ছায়ার বীভৎস মুখ। শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও পড়ে রইল কিছু শব্দ, কিছু না বলা কবিতা, একরাশ ঘৃণা, আর এক আকাশ অভিমান। জমাট বাঁধা কান্নায় চিহ্নিত করে গেলাম আমার পথ, এই উদভ্রান্ত বর্ষায়। … Continue reading “বর্ষা বিলাস”

বৃষ্টি সই

বৃষ্টি সই

আমার কাছে বৃষ্টি আসে রোজই, শার্সি ভেজায়, আরশি ভেজায়, ঝাপসা চোখে ইচ্ছে মেখে, চুপিচুপি জানলায় এসে আমায় ডাকে, কুচি কুচি বৃষ্টি ছুঁয়ে যায় আমার মুখ। হালকা মাটির গন্ধ নিয়ে, আলতো হাতে আমার চুল উড়িয়ে, বেলা অবেলায় ডাক দিয়ে যায়, ঝিরঝিরিয়ে, আমার ডাকনাম ধরে স্পষ্ট বলে, “টুউউউকিইইই”… আমার কাছে বৃষ্টি আসে রোজই। মুচকি হেসে, সবুজ পাতায় … Continue reading “বৃষ্টি সই”

r:সম্পর্কে নক্ষত্রেরা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর কাজী নজরুল ইসলাম

r:সম্পর্কে নক্ষত্রেরা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর কাজী নজরুল ইসলাম

সম্পর্কে নক্ষত্রেরা বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর নজরুল ইসলাম। কেমন ছিলো দুজনের মধ্যে সম্পর্ক? বাংলা সাহিত্যের দুই মহান কবির মধ্যে যে গভীর সুসম্পর্ক ছিল তা আমাদের অনেকেরই অজানা। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল সম্পর্ক : ১ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘১৪০০ সাল’ কবিতা লেখেন ১৩০২ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন মাসে। কবিতাটিতে রবীন্দ্রনাথ শতবর্ষের পরের পাঠককে বসন্তের পুষ্পাঞ্জলি পাঠিয়েছেন। “আজি … Continue reading “r:সম্পর্কে নক্ষত্রেরা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর কাজী নজরুল ইসলাম”

রবি ঠাকুর

রবি ঠাকুর

তিনটি শালিক খেলছে নরম রোদে। ভাঙছে যত খুচরো অভিমান সহজ পাঠেই সময় থমকে আছে। ধুলো মেখেই করছে তারা স্নান। শান্ত পায়ে দাঁড়ায় এসে কবি নোবেল জিতে ফেরেন তিনি দেশে। কবি তো নয়, স্নিগ্ধ ঋষি যেন জন্মদিনে ভাবছি এসব শেষে মুখ মুখোশে মানুষ চেনা দায় শহর জুড়ে বিছিয়ে রাখা ফুল প্রকৃতি আজ উদার হস্ত খুব পায়ের … Continue reading “রবি ঠাকুর”

শ্রাবণ সখা

শ্রাবণ সখা

জানিস এখন টুপটাপ শব্দ বাতাসে। আর আমি কান পেতে নিঃশ্বাস বন্ধ করে শুনতে চেষ্টা করছি। যদি তোকে কিছুটা হলেও শোনা যায়। বড় বেশি ভেজা চারপাশ।শব্দেরা তরঙ্গে তরঙ্গে তবু খেলে যায় লুকোচুরি। আমার আঙুলের ডগা বেয়ে ছুঁয়ে যায় মন, চোখ। অনেকটা অবকাশ হয়ে তুই কোন ফাঁকে আলগোছে এসেছিস আমার মনের জানলায়। জানালার ওপারে বৃষ্টির হাতছানি। মনে … Continue reading “শ্রাবণ সখা”

টুকরো কিছু শব্দ

টুকরো কিছু শব্দ

কত অখাদ্য, কুখাদ্য, হাবিজাবি লিখি যে! অর্থবহুলতা কিংবা অর্থহীনতার শব্দের একরাশ মালা গাঁথা। কখনো যাপিত জীবনের ক্লান্তি! কখনো দীর্ঘশ্বাসের উত্তপ্ততায় বাতাসকে উষ্ণ করে দেওয়া! আমি কি আদৌ কখনো নৈবেদ্য সাজিয়েছি? অর্থ বহুল, অর্থহীন স্বপ্নের জাল বুনে ছড়িয়ে দিতে পেরেছি ক্যানভাসে? জানি, জীবনের ক্যানভাস বেশিরভাগ বেরং থাকে, কিংবা কোনো শ্যেড মেলেনি। মিলবেও না জানি। রঙ তো … Continue reading “টুকরো কিছু শব্দ”

শুভ নববর্ষ ১৪২৮

শুভ নববর্ষ ১৪২৮

বৈশাখ মানেই বাংলার বৈশাখ, বাঙালির বৈশাখ। নতুন বছর উৎসবে আনন্দে প্রাণের বন্যায় আমাদের হৃদয়ে ঝড় তোলে। আজ আবার একটা নতুন বছর। এই নতুন বছর কতটা শুভ বার্তা নিয়ে আসছে আমাদের জীবনে জানি না। কালের নিয়মে দিন যায় দিন আসে, এই প্যানডেমিকের সময় ভীষণ সংকটের মুখে আমরা। তবুও বছরটিকে শুভ বলতে চাই। নতুন বছর, হৃদয়ের অন্তঃস্তল … Continue reading “শুভ নববর্ষ ১৪২৮”

রাত জাগা পৃথিবী

রাত জাগা পৃথিবী

আজ আবার নির্ঘুম রাত। গানে গানে কেটে যাচ্ছে আর সঙ্গে রঙ তুলি। পৃথিবী চলেছে নিজের গতিতে। নদী চলছে নিজেকে পৌঁছে দিতে সাগরে। আজ তবে পৃথিবীর জরিমানা হোক। কেন সে সব নদীর হাত নিয়ে, সাগরের হাতে দেয়? কেন সব মন চুরি করে মেঘ হয়ে উড়ে যায় আকাশে? আর কেনই বা ঘাসেদের সব রঙ চুঁইয়ে চুঁইয়ে ঢেলে … Continue reading “রাত জাগা পৃথিবী”

রূপকথা মন

রূপকথা মন

সারাদিনের প্রখর তাপের পরে বিকেলে যখন সূর্য পশ্চিমে হেলে যায়, আর সারা আকাশ সোনালি রঙের ঘোমটা টেনে নেয় ঠিক তখনই আমি অপলক তাকিয়ে থাকি সেই কনে দেখা আলোর দিকে। আমি দেখি আস্তে আস্তে আলো নেমে আসে ওই দূরের নারকোল গাছের পাতা থেকে আমার মনের উঠোনে। তারপর সেই উঠোন পেরিয়ে, বারান্দা পেরিয়ে ভরিয়ে দিচ্ছে আমার ঘর, … Continue reading “রূপকথা মন”

স্বপ্ন

স্বপ্ন

স্বপ্নদের কোনো ডানা নেই, তারা উড়তে পারে না। তাদের তাড়িয়ে নিতে হয় পুব থেকে পশ্চিমে। মুখোমুখি ডুবতে চাওয়া সূর্যের দিকে অপার বিস্ময়ে তাকিয়ে, একঝাঁক চড়ুইয়ের মতো ব্যস্ততা নিয়ে। চিবুকের চিঠিতে রাখা আছে এক কল্প ছবি। স্বপ্নরাজ্যে মেঘ-বাতাসের ভেজা শিমূলের ছোঁয়ায় কেঁপে ওঠে উপোসী অধর। ডানা ভাঙ্গা পাখির মতো স্রোতহীন চোখ গুনে যায়, সাগর জলে ঢেউয়ের … Continue reading “স্বপ্ন”