মোকসেদুল ইসলাম-এর ব্লগ
ডুব
পানির নিচে এতোটা অন্ধকার –
অথচ আমরা দিব্যি ডুবে আছি
নৈয়ায়িকের সব ভাষা এখানে স্থির। পলল গন্ধে টেনে নেয়া শ্বাস –
আধো ঘুম রাত্রি যাপন
ক্ষয়ে যাচ্ছে পলিমাটি দেহ। না ঝিনুক না মুক্তো তবুও
দৃঢ় প্রত্যয়ী আশা থরে থরে সাজিয়ে রাখি
কী নিশ্চিত জীবন! বুকের পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | ৪৭ বার দেখা | ৬৮ শব্দ
জলনৌকা
বিসর্গ বেলায় শুকিয়ে নিচ্ছ শরীর
সোনা সোনা রোদ – ভাদ্রের দুপুর
অনেকগুলো মুখের কোরাস
পাখির ডানায় লেখা ভ্রমন সূচী
নিভছে অন্ধের দিনলিপি যজ্ঞ শেষ
সবার চোখে পলল ঘুম
উছলে ওঠার সময় এখন
চৈতন্যের দিন আর নেই বাকি
না হয় চোখে ভাসুক
একটা জলনৌকার প্রতিচ্ছবি। পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | ৩৮ বার দেখা | ৩৪ শব্দ
জলভূগোল
তুমি পড়েই যাচ্ছ অক্ষাংশ – দ্রাঘিমাংশ
আর আমি ঘুরছি সুমেরু – কুমেরু
হিম সময়ে মেলে দিয়েছি কাশ্মীরী শালের ওম
অনবরত নাচছে সেথায় ভালোবাসার সবুজদানা আমার ভূগোল – যাচ্ছে ঢুকে তোমার ভেতর
রোদ পোহাচ্ছে কমলালেবু ঠোঁটের ওপর
নিরক্ষরেখায় হাঁটছি আমি সন্ধ্যা – সকাল
পথগুলো সব হারিয়ে যাচ্ছে ’ম্যাপ’এর ভেতর। ছড়িয়ে দিয়েছি ভূগোলরেখা পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৩ বার দেখা | ৬৩ শব্দ
আশাহত
শুধুমাত্র শেকড়ের টান
এইযে ফিরে আসা পায়ের চিহ্নটুকু ফেলে
ঠুকরে খাওয়া সময়ের গান- দগদগে ক্ষত
তবুও আঁকড়ে থাকার শেষ চেষ্টা ঢেউ তোলা শাড়ির আঁচল
ঝুলে থাকা বিজ্ঞাপনের মতো করে
আকুতি জাগাও প্রাণে
তবে কি সব শূন্যতার কোরাস সারি সারি আলো শুষে নিচ্ছে অন্ধকার
ওদিকে দরজায় দাঁড়িয়ে এক আশাহত মা
নিভু আঁচে পুড়ছে তার রঙিন পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৩ বার দেখা | ৪৫ শব্দ
দুটি কবিতা
ডাকহরকরা কোথা থেকে একজোড়া চোখ উড়ে এসে বসলো
তারপর থেকেই শুরু আলোর খ্যাপ
বিসর্গদিনে বাড়ছে দৈনিক খরচের হিসেব
দেখে যারে অনুপম কুয়োতলার ব্যাঙ এসে
নিচ্ছে ভালো মন্দের খবর! জীবন যেমন মানুষ লিখতে গিয়ে লিখে ফেলি জীবন
জীবন ‍মূলত সুখ! সুখ! খেলা
দুঃখ – কষ্ট – যতো নষ্টের মেলা
চুঁইয়ে পড়ুন
কবিতা, জীবন | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭০ বার দেখা | ৬২ শব্দ
মা (১৫)
অতঃপর দিন শেষে গল্পের থালাগুলো তুলে রেখে দিতেন মা
তারপর
বিকাল
সন্ধ্যা পড়ুন
কবিতা, জীবন | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮৫ বার দেখা | ১১৮ শব্দ
একটি শহরের চালচিত্র
একটি শহরের চালচিত্র
ফুটপাত!
অভিমানী শিকড় গেঁড়েছে পুরনো কাপড়
হৈ চৈ! হাঁক ডাক!
একদাম! একশো! একশো!
গায়ের গন্ধে আগুন উত্তাপ
যেনো পুড়ে যাচ্ছে দিগন্ত বুনা ফসল। রাজপথ!
রোদ্দুরে পুড়ে যাওয়া শরীর নিয়ে দাঁড়িয়ে ঠাঁয়
সংশয়ী দৃষ্টি মেলে – অনন্তকাল অপেক্ষা
নিষ্ফল হাতগুলো তবু ডাক দিয়ে যায়
সাবধানে থেকো! সবকিছু ধ্রুবসত্য নয়। অতঃপর!
ভুল অংক মেলাতে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৬ বার দেখা | ৫৮ শব্দ ১টি ছবি
বৃষ্টিজলে নাচতে এসো
বৃষ্টিজলে নাচতে এসো
আড়াল হলেই মৃত্যু ঘিরে ধরে
হিম সময়
নষ্ট প্রহর অপেক্ষা – মূলত এক অসুখের নাম
তবুও নদীর মতো বয়ে চলে জীবন।
আমার কষ্ট বেলা দেখেছি মাঝি জীবন
নৌকা বিহীন
বেঁচে থাকার নামে – মাছের লড়াই
ডুবছে সবই। আড়াল হলেই মৃত্যু এগিয়ে আসে
তার চেয়ে পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৬ বার দেখা | ৪০ শব্দ ১টি ছবি
পথের ডাক
পথের ডাক
আমরা হেরে যাচ্ছি, বদলে যাওয়া মুখ দেখে প্রতিনিয়ত মরে যাচ্ছে বেঁচে থাকার সাধ।
গল্পের থালাগুলো শূন্য পড়ে আছে, নৈঃশব্দের ঘরে ঘরে না পাওয়ার হাহাকার।
স্মৃতিগুলো ফেলে দিতে পারিনি যেভাবে তুমি ফেলে দিয়েছো সুখের রাত।
হেরে যেতে চাই বলে জিতে যাওয়ার পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৯৩ বার দেখা | ৯৭ শব্দ ১টি ছবি
মানুষ ভালো থাকুক উষ্ণ আলিঙ্গনে
আঙুলের টিপে মেরে ফেলি তারে
ভেবেছিলাম সে বুঝি দেবী
সমস্ত আরাধনা তাঁরই প্রাপ্য
অথচ শূন্য হতে হতে এখন আমি নাই হয়ে গেছি। কোন কোন ভবিষ্যৎ ডুবে থাকে তরল নীরবতার মাঝে
যা হয়েছে গত আমরা তাকে ধরে নিই ঈশ্বর হিসেবের খাতায় কলম চালিয়ে হই মহাজ্ঞানী
যতটুকু আয়োজন তার সবটুকু সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১১০ বার দেখা | ৬৫ শব্দ
অনিঃশেষ ইচ্ছে
বেশ্যাদের হাসিটা নান্দনিক হয়
তাদের মুখ থেকে যেসব পবিত্র ভাষা বের হয়ে আসে
আমরা ধরে নিই সেগুলো নৈঃশব্দ্যের শৈল্পিক বাঁধন
মাটির সোঁদাগন্ধ – তন্দ্রালু সুখ। সুদীর্ঘকাল এক কুঁড়েঘরে বাস
চোখে বাসা বাঁধে পতঙ্গের জল
দৃষ্টিরর সীমায় যে সুখপাখি নাচে
তার পুচ্ছে লিখে রাখা বেদনার ইতিহাস। নিঃসঙ্গ শিকারির মত অচেনা মানচিত্রে বাস
বড়শিতে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৫৩ বার দেখা | ৫৪ শব্দ
বিবিধ রাত্রির গল্প
নির্বান্ধব জীবনযাপন করতে গিয়ে
অনেকের ডাকনাম ভুলে গেছি
কেবল বিষণ্ন মুখে চেয়ে থাকে নিরন্তর হাঁটা আইল
আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে বিবর্ণ সময় রংচটা ঘাস – দুঃখ বিকেল
চুপচুাপ দাঁড়িয়ে গেলে টের পাই
প্রতীক্ষায় চক্ষু বন্ধ করেনি যে নারী তার চোখে কান্নার জল।
দিগন্ত রেখার মতো একা থাকতে গিয়ে
কোথাকার কোন যদু-মধু জড়িয়ে পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৪০ বার দেখা | ৬৫ শব্দ
মা (৮)
পাহাড় থেকে ছিটকে পড়ে গেলে
মা আমাদের শোনাতে আসতো বরফের গল্প
আমরা নাকি বালক বালক লাগি
অবশ্য তখনো আমাদের মুখে দাড়ি ওঠে নাই
কেবল গলার স্বরটা ভাঙছে মাত্র। নদীতে নাইতে গেলেই মায়ের সাবধান বাণী
দেখিস খোকা! সাবধান! ডুবে যাবি
মা যদিও জানে- দুরন্ত সাঁতার জানি
ডুবে মরে যাবার বয়সটাও পেরিয়ে এসেছি পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৩৯ বার দেখা | ১১৬ শব্দ
প্রশ্নের মুখোমুখি
দুয়ার খুলে দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যু
ঘৃণার আগুনে পুড়ছে মাংসকষা চাহিদা
রুচির হাটের কসম!
জরায়ু ছিঁড়ে যে বৃষ্টি নামে তার নাম দিয়েছি
সৃষ্টিশীল মা তীব্র বেদনায় ঝরে গেছে কামনার ফুল
আমার দ্বিধাহীন ভালো লাগার রমণী
জীবনদাবি নিয়ে যে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে
তাকে কি বলে বিদায় দেবে তুমি? দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যু
সময় খুব কম। পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১২৮ বার দেখা | ৪৪ শব্দ
শূন্য পৃথিবী
ঘেন্নার আকাশ
আমরা বসে তার ছায়ায়
পাপীরা হাঁটে
চারদিকে আগুনের ঘ্রাণ বড় হচ্ছি
বোকা যুবকের মতো
ঈশ্বর! বেরিয়ে আসুন
গুহামুখ বড় অন্ধকার ফুল! ফুল ভর্তি পৃথিবী
তবু বৃথা যায় রাতপ্রার্থনা
জল-জন্মের গান
শুধু বোকারাই বাঁচতে জানে জ্বলছে -সোনালী লণ্ঠন
শুধুমাত্র মদের গ্লাসই চির সত্য নয়
একটা নগ্ন হাত ডাক দেয়-
শূন্য! শূন্য পৃথিবীর ভেতর। পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৫৮ বার দেখা | ৩৯ শব্দ