মোকসেদুল ইসলাম-এর ব্লগ
মা (৮)
পাহাড় থেকে ছিটকে পড়ে গেলে
মা আমাদের শোনাতে আসতো বরফের গল্প
আমরা নাকি বালক বালক লাগি
অবশ্য তখনো আমাদের মুখে দাড়ি ওঠে নাই
কেবল গলার স্বরটা ভাঙছে মাত্র। নদীতে নাইতে গেলেই মায়ের সাবধান বাণী
দেখিস খোকা! সাবধান! ডুবে যাবি
মা যদিও জানে- দুরন্ত সাঁতার জানি
ডুবে মরে যাবার বয়সটাও পেরিয়ে এসেছি পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | ৩০ বার দেখা | ১১৬ শব্দ
প্রশ্নের মুখোমুখি
দুয়ার খুলে দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যু
ঘৃণার আগুনে পুড়ছে মাংসকষা চাহিদা
রুচির হাটের কসম!
জরায়ু ছিঁড়ে যে বৃষ্টি নামে তার নাম দিয়েছি
সৃষ্টিশীল মা তীব্র বেদনায় ঝরে গেছে কামনার ফুল
আমার দ্বিধাহীন ভালো লাগার রমণী
জীবনদাবি নিয়ে যে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে
তাকে কি বলে বিদায় দেবে তুমি? দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যু
সময় খুব কম। পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | ৩১ বার দেখা | ৪৪ শব্দ
শূন্য পৃথিবী
ঘেন্নার আকাশ
আমরা বসে তার ছায়ায়
পাপীরা হাঁটে
চারদিকে আগুনের ঘ্রাণ বড় হচ্ছি
বোকা যুবকের মতো
ঈশ্বর! বেরিয়ে আসুন
গুহামুখ বড় অন্ধকার ফুল! ফুল ভর্তি পৃথিবী
তবু বৃথা যায় রাতপ্রার্থনা
জল-জন্মের গান
শুধু বোকারাই বাঁচতে জানে জ্বলছে -সোনালী লণ্ঠন
শুধুমাত্র মদের গ্লাসই চির সত্য নয়
একটা নগ্ন হাত ডাক দেয়-
শূন্য! শূন্য পৃথিবীর ভেতর। পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৬ বার দেখা | ৩৯ শব্দ
দূর্বিসহ জীবনের ভাবনা
জলের ধারা নামার আগেই ভেঙ্গে যায় দুপুরের ভাতঘুম
আর আমি সন্ধ্যা নামবে জেনে দ্রুত পাহাড় থেকে নেমে পড়ি
তোমার তো আবার পাহাড়কে বড্ড ভয়।
কিছু কথা পড়ে থাকে একলা রাতের চরাচরে
রপ্তানীযোগ্য পণ্যের মতো ভাবনারা ঘিরে ধরে আমায়
বেঁচে থাকা! সেতো এক দূর্বিসহ জীবনের নাম। কিছু কিছু ভাবনারা মাঝেমধ্যে পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩২৫ বার দেখা | ৭৬ শব্দ
সময়
পুরনো কাগজ মুড়ে একটা বল বানানোর পর
বলটিকে লালঘোড়ার পায়ের সঙ্গে বেঁধে দিলাম
বল গড়িয়ে যাচ্ছে – ঘোড়া দৌড়াচ্ছে
ঘোড়া দৌড়াচ্ছে – বল গড়িয়ে যাচ্ছে
আমিই শুধু চোখ বন্ধ করে বসে আছি। সময়-২
সেই যে হামাগুড়ি দেয়ার পর থেকেই চলা শুরু
তখন থেকেই আঁকছি জীবন ছবি
দেয়ালে – রাস্তায় – বৃক্ষ – পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৪ বার দেখা | ১৩৫ শব্দ
জীবন সূত্র
রাত্রি নিবিড় হলে জনতার চোখ ঢুলুঢুলু
কাপালিক তন্ত্র, ডাকিনি বিদ্যা আর ছিনালি সময়
পরিত্যক্ত ঘোষনা করে দুপুরের মখমলে রোদ
দেখ পতনের বিছানায় সূর্য করে রাত্রি ভ্রমন মাটির শরীরে বসন্ত সুখ
ছাইচাপা আগুনে পুড়ছে প্রচলিত মুদ্রাদোষ
তবুও সহজে মেলে না সরল অংকের উত্তর
ভুলে ভরা যখন পাটিগণিতের প্রথম অধ্যায়। পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮৩ বার দেখা | ৪১ শব্দ
মুহূর্তকাল
ছায়ার মতোন একটা দীর্ঘশ্বাস
বাড়ছে – কমছে
বিলাসী বদনামে যাচ্ছি ডুবে
রোদের বাক্সে গুছিয়ে নিচ্ছি তিন প্রহর
চিহ্নগুলো রাখছি সব অন্ধকারে লোল জিহ্বায় তীব্র ক্ষুধা
আর্তনাদে ঝরছে বর্ম আমার মাদলের তাল – বর্ষা নামছে
আকাশজুড়ে কালো মেঘের ফ্ল্যাট
কৃষ্ণ মেয়ে – খরস্রোতা সময় এখন
যমুনার জলে বিলাসী বদনামে
মুহূর্তের কোলে সমর্পিত হই দুজন। পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১০৯ বার দেখা | ৪২ শব্দ
পরকীয়া প্রণয় ... দুটি পর্ব
পরকীয়া প্রণয় (৩) দরজাটা ভেঙ্গে ফেল যদি শুনতে না পায় কেউ ডাক। আমি সতীশ, তোমায় ডাকছি নিরন্তর। আহ্ প্রেম! সাজিয়ে রেখেছি থরে থরে। ভালোবাসো খুউব বেশি, এমন পুষ্পিত রাত আর হয়তো আসবে না ফিরে। অশুচি শরীর; তুমুল প্রেমের নৈপুণ্যতায় বিশুদ্ধ হবো দু’জন। মিথ অথবা সাইকোলজি পড়ুন
জীবন | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৩৮ বার দেখা | ১৬৪ শব্দ
প্রার্থনা শেষ করার পর
প্রার্থনা শেষ করার পর প্রার্থনা শেষ করার পর একটা চিন্তা হয়
‘আমার প্রার্থনা কবুল হয় তো?’
এইভাবে দেহ এবং আত্মাকে নিয়ে কথা বলার পর
একটা জ্ঞানপূর্ণ রাস্তা এসে ঢুকে পড়ে নিজের মধ্যে হাঁটতে থাকি এক সমুদ্র পথ
জ্ঞানপূর্ণ রাস্তায় এসে মিলিত হতে থাকে
শহর – নগর – বন্দর – সভ্যতা পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৪১ বার দেখা | ৭০ শব্দ
একগুচ্ছ কবিতা
(১) ডাকহরকরা
কোথা থেকে একজোড়া চোখ উড়ে এসে বসলো
তারপর থেকেই শুরু আলোর খ্যাপ
বিসর্গদিনে বাড়ছে দৈনিক খরচের হিসেব
দেখে যাও অনুপম কুয়োতলার ব্যাঙ এসে
নিচ্ছে ভালো মন্দের খবর। (২) নায়িকা
নাভি জুড়ে তারাদের খেলা
ঘরময় ছড়িয়ে ছিড়িয়ে আলো
ফেলে দাও গত জন্মের নসিহত
ব্যক্তিগত দিনে একটা সন্ধ্যা মানে
একশো পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৬ বার দেখা | ১৬৮ শব্দ
বুলডোজার
ব্যান্ডেজ
দুটো পায়ে
বুকে
এবং সারামুখে
জীবন এবং যৌবনভিত্তিক কথারা ডুব দিয়েছে মাত্র ঐ দিকে হুলস্থুল কান্ড
বৃক্ষসব খুলে বসেছে গুজবের বাজার
বর্ষা নিচ্ছে শীতের বুকের মাপ
জানালা লাগিয়ে ঘুমিয়ে গেল
আমার ব্যক্তিগত বসন্ত যার মগজে ব্যান্ডেজ তারপর যা হবার তাই হলো
একটা বুলডোজার চিরজীবন দস্যুতা করে গেল প্রতিবেশীর সাথে। পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪০৪ বার দেখা | ৩৯ শব্দ
পরিশিষ্ট
এক এক করে সবাই বিদায় নিচ্ছে
চেনামুখ, ডাল-ভাত, সর্ষে ইলিশ
অন্ধদিনে মঙ্গার রিলিফ। ভিখারির থালায় হাসে কাচা সোনা রোদ
দেখার কেউ নেই চকচকে আধুলির দুঃখ
একটাকা দুইটাকার হাঁক-ডাক। বিদায় নিচ্ছে সবাই
এক থালা লবণ কষ্ট বুকে নিয়ে
ক্ষয়ে যেতে থাকে কেউ কেউ। পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৫ বার দেখা | ৩৪ শব্দ
তিনটি পুরাতন কবিতা
বিবর্তন তবুও বাজিয়েই যাচ্ছ মৃত্যুঘন্টা
হাঘরে মানুষের ডাক
মাছিদের ঢেউ ভেঙ্গে ছুটে চলা নিরন্তর
ওপারে অপেক্ষায় জান্নাতি হুর
এপারে একটা বিষণ্ণ কাক
কর্ষিত ঠোঁটে ডাকছে
কা – কা – কা – কা
সিঁড়ি বেয়ে উঠছে স্মৃতির বালক
বিচিত্র সব নাচন – কোদন
শেষে জানা গেল
মৃত্যু একটা পটপরিবর্তনের নাম। চিৎকার এ আমার মাটির কসম,
জলবন্দি না রেখে
ধুলোয় ছড়িযে পড়ুন
অনুবাদ | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৩৮ বার দেখা | ১৬৭ শব্দ
বুলডোজার
ব্যান্ডেজ –
দুইটা পায়ে – সারামুখে
এবং বুকে ক্ষত
জীবন এবং যৌবনভিত্তিক কথারা ডুব দিয়েছে মাত্র ঐ দিকে হুলস্থুল কাণ্ড –
বৃক্ষরা সব খুলে বসেছে গুজবের বাজার
বর্ষা নিচ্ছে শীতের বুকের মাপ,
জানালা লাগিয়ে ঘুমিয়ে গেল
ব্যক্তিগত বসন্ত যার মগজেও ব্যান্ডেজ তারপর
যা হবার তাই হলো
একটা বুলডোজার চিরজীবন দস্যুতা করে গেল –
প্রতিবেশীর সাথে। পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১০৩ বার দেখা | ৪৪ শব্দ
আমরা যেমন আছি এই সময়ে
কী আশ্চর্য রাত! তোমার রূপ গড়িয়ে পড়ছে ভূমিতে
বুকের সুবাতাস ঢেলে দাও আমার চোরাগলি পথে
পাথর রাতে অচেতন ঘুম এনে হাজির করো শহুরে দরজায়।
নয়তো আজ আমি অশান্ত হবো,
কম্পমান হাতে ধরে ফেলব তোমার শাড়ির আঁচল
বৃত্তের বাইরে যে সুখ আছে গা ভাসিয়ে দেব সেথায়। কী ভয়ংকর কথা! মাতাল রাতে পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২৮১ বার দেখা | ৩১৯ শব্দ