মামুনুর রশিদ-এর ব্লগ
ক'ফোঁটা জল
ক’ফোঁটা জল তোমার জন্য ভোরের চিবুকে শিশির হতে চেয়েছিল। রোদেলা হাসি মুছে দিয়েছে সে সাহিত্য। একমুঠো বাতাস নিয়ে এলো ধুলোর শহরে। তারপর বেড়েছে তৃষ্ণা। বাড়ছে ক্রমাগত উষ্ণতা ধোঁয়ার ভেতর। ব্যবহৃত হচ্ছে প্রচুর বোতলজাত। বন্যা এবং মরুভূমি পাশাপাশি আজ। তোমার জন্য ক’ফোঁটা জল মেঘ পড়ুন
কবিতা | ০ টি মন্তব্য | ৮ বার দেখা | ৪৭ শব্দ
আয়না
নিত্য মুখ দেখি আয়নায়। অপরিচিত থেকে গেল নিজেরই প্রতিবিম্ব। মুখস্তে অপরাগ যখন; বুঝতে পারা যায় যতটুকু তবু অলস দুপুর, ভুল বোঝাবুঝি হলো। কাটাকুটি করে ফুরোল গোধূলি। এমন সন্ধ্যা বেলা প্রায় গৃহটান বাড়ে। ভয় হয়, ভুলে যাওয়া অসুখে। মনে হলে পুনরায়, ভয় হয় হারানোর পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | ২৪ বার দেখা | ৬০ শব্দ
পূর্বপুরুষ
পূর্বপুরুষ ঋণগ্রস্ত ছিল। একই প্রথা পালনে আগ্রহী উত্তর পুরুষ। জমিদারী নেই। ঘটিবাটিও নেই; কেবল দারুর নেশা আছে আমরণ। এখানে কাল্পনিক সবকিছু সুন্দর কিন্তু অকাল্পনিক বিষাদপূর্ণ। যেমন এই সংসারজীবন। এখনো একই নৌকায় যাত্রীদের শোরগোল: বৃদ্ধ, কিশোর, যুবক; সাঁতার দিতে রাজি নয় কেউ। অথচ ডুবছে পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮০ বার দেখা | ১১৫ শব্দ
পাথরের পরী
পাথরের পরী। একটা ডানা ভেঙে গেল সেদিন। তাকিয়ে ছিল নিষ্পলক ছবি অস্পষ্ট। যেভাবে স্বচ্ছ জল সবুজ হয় অনাদরে। এসব জঞ্জাল আধুনিকে এসে জলাঞ্জলি দিতে দিতে কিছু এন্টিক। তবুও তো রাজপ্রাসাদ কত আত্মার অভিশাপ নিয়ে বেঁচে আছে। এখানে গুপ্তধন কে পায়? অথচ যে পায় পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৮ বার দেখা | ৭৮ শব্দ
পুষ্পাঞ্জলি
বয়স কমে যাচ্ছে টের পেয়েছিল যে ফুল- সে বেঁচে আছে চিরদিন সুগন্ধি ঢেলে। নরম পাঁপড়ি তার এখনো বাতাসে দোলে অবিরত। উঁকি দেয় সকাল-বিকাল পুষ্পদল। দিতে হয় পুষ্পাঞ্জলি। দু’ফোঁটা কুয়াশাও জমে তখন কাঁচের জানলায়। স্যাঁতস্যাঁতে চোখমুখ শীতঘুমে যেতে চায়। অথচ পর্দা সরালেই ঝলসান রোদ। পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১০৫ বার দেখা | ৬৫ শব্দ
বিভ্রমজনক
পার্থক্য নিরূপণে গোটা জীবন বিভ্রান্ত ছিলো; পিতার চেয়ে সন্তান বড় অথবা ছোট। তবু উল্টো গণনায় অভ্যস্ত মস্তিষ্ক গোঁজামিল দেয় নিখুঁত! সাগর-নদী, ঝরনা-পাহাড়, মেঘ-বৃষ্টি; আসলে সবখানে জল। বাতাসে ঢেউ খেলা; আকর্ষণে জোয়ার-ভাঁটার অস্তিত্ব। অথচ জল বরফ হলে শবাগার আয়তনে বাড়ে। সংরক্ষিত প্রাচীন জীবাণু এখনো পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৪ বার দেখা | ১০১ শব্দ
তৃষ্ণা
তোমায় দেখতে ভালো লাগে
তাকিয়ে থাকি শুধু এ আবেগে
ডাকবো না কাছে কখনো তোমায়
বুঝতে পারো না চোখের ভাষায়
ঝুলে থাকি সারাক্ষণ একি তৃষ্ণায়
তোমায় দেখতে মন শুধু চায়। যতবার দেখি চাঁদ নিশিরাতে
তারাদের ফিসফাস শুনি বাতাসে
দোল খায় আকাশে মেঘের দল
টুপটাপ ঝরে পড়ে শিশিরের জল
তোমায় দেখতে মন বড় উতলা
ভুল করেও পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১১১ বার দেখা | ৯৭ শব্দ
অদ্ভুত সুন্দর
দূর হতেই ভালো লাগে সুন্দর; কাছে এলে আরো তৃষ্ণাতুর
ধরা পড়ে যাবে ছলনা; পান করে কখনো কি মেটে পিপাসা?
তার চেয়ে কবিতা হোক জটিল- পঙক্তিতে ছড়ানো অমিল
স্বপ্নের মতোই উন্মুক্ত; পালানোর জন্য ঘুম চাই অন্তত
চোখ বুজলেই আসবে সে অদূর- এই মেঘ এই রোদ্দুর
কুয়াশার দেশে ফোটে যত পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১২৮ বার দেখা | ১০৫ শব্দ
কয়েকটি কবিতা
শীতের স্মৃতি শীতের স্মৃতি এখনো বাতাসে
ওম চাই জলে-স্থলে সবখানে
হলুদ বৃক্ষের নিচেই বসবাস
ক্যানভাসে থাকি চির সবুজ;
পায়ে পায়ে হেঁটে এলে ঢেউ
ভাসিয়ে দেব কাগজের নৌকা
বসন্ত নামে ডেকেছিল কেউ
বুঝতে পেরেছি কেবল তৃষ্ণা শীতের স্মৃতি এখনো গোলাপে
কুয়াশায় ভিজে গেছে ঘাস
সন্ধ্যার মতো নির্জন চুল
পাঁপড়ি ছিড়ছে অবাধ্য আঙুল। শয্যাশায়ী শিমুলের বনে শুয়ে থাকি পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১২০ বার দেখা | ১৭৫ শব্দ
প্রিয় অসুখ
‘সুন্দর’ ভাবলেই বাড়ে অসুখ! দেখতে ইচ্ছে করে সে মুখ
আড়াল ভেঙে; কোথাও ফুটেছে নাম অজানা ফুল- অপরূপ
নির্জন বনে; বাতাস যখন সুবাস আনে- নেই তার খুঁত!
ভরে রাখি ফুসফুস- এই দূষণীয় যুগে এমন অদ্ভুত
রহস্যময়ী, তবুও অপলক থাকি চেয়ে- ভেংচি কাটুক!
দিতে চাই ডুব- সাঁতার না জেনেই পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৬৭ বার দেখা | ১০৬ শব্দ
কে তুমি
কে তুমি নিজেকেই প্রশ্ন করো না
কি নামে ডাকবো ভেবে তো পাই না
হাসিতে মিশে আছো নাকি কান্নায়
জলে ডুবে থাকি কখনো ডাঙায়
সাঁতার শিখি নি, হাঁটতেও পারি না। চোখেচোখে আছো তবু আবছায়া
ভালোবাসা নাকি শুধুই মায়া
পথহারা যদি এই কুয়াশায়
দেখা দেবে কি আসক্ত জোছনায়
জানি রৌদ্রস্নানে তোমায় পাব না। নিঃশ্বাস পড়ুন
কবিতা | ৫ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৭৭ বার দেখা | ৭৯ শব্দ
জলের শরীর
তুমি এসেছিলে জলের শরীর
তৃষ্ণা বাড়িয়ে দিলে পৃথিবীর
ভয়ে ভয়ে মেলেছি চোখের পাতা
খুলে দিলে তুমি বুকের খাতা
কবিতা লিখেছি নূতন ভাষায়
তুমি অনুবাদ করো আমায়! ফুলের মতো ছড়াও মিষ্টি ঘ্রাণ
ঘাসে ঘাসে জাগাও শিহরণ
ভালো লাগে রোদের আলতো ঘুম
তুমি হাসো যখন নিঝঝুম; চাঁদের মতো তোমার উঁকিঝুঁকি
ডানা ঝাঁপটে রাতজাগা পাখি
রূপকথা রাজ্যে করেছি ভ্রমণ
পাই পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১১৩৭ বার দেখা | ৭৪ শব্দ
আগুন ফাগুন
আগুন ফাগুন নিপুণ দীপন হিরণ
অরুণ বরুণ মেরুন চরণ বরণ
মদন মোহন চন্দন বদন দর্পণ
স্রবণ রোদন নির্জন ত্রিকোণ চিক্কণ! চোখে তৃষ্ণা মুখে জোস্না বুকে কম্পন
ঠোঁটে মৃগয়া হাতে চিড়িয়া পায়ে নিক্কণ
হাসে তীর্যক ফাঁসে চাতক বৃষ্টি বর্ষণ
আছে চুম্বক থাকে উন্মুখ এ আকর্ষণ! আছে ছন্দ পাই গন্ধ জাগে শিহরণ
হই পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৭৩ বার দেখা | ৭৩ শব্দ
অপরিচিতা কেউ
অপরিচিতা কেউ আঙুলে জাগাল ঢেউ
এই নিঝুম পুরীতে ঘুম ভাঙাল কেউ। কণ্ঠে তার মিষ্টি গান জুড়াল মনপ্রাণ
নেচে নেচে করছে সে ফাগুনের আহ্বান।
মেখে তার ঘ্রাণ মাতাল হল সমীরণ,
ফুলেরা ঝুঁকে ঝুঁকে করছে তাকে চুম্বন।
যত করি জোছনা পান লাগে শিহরণ
মায়াবিনী নিমিষে করেছে বশিকরণ! বুঝি না চোখের ভাষা বাড়ে শুধু পিপাসা
যতই পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৩৬ বার দেখা | ১০১ শব্দ
কখন হারিয়ে যাই
কখন হারিয়ে যাই জানি না নিজেই
কিছুক্ষণ থেকে যাই তোমার কাছেই হাসির ভাজে চেপে রাখা বিষণ্ন মুখ
বুঝতে পারে নি কেউ আমার অসুখ
এভাবেই নিভে যেতে আছি উন্মুখ
কিছুকথা চিরদিন গোপন থাকুক কখন যে মুছে যাই জানি না নিজেই
কিছুক্ষণ থাকতে চাই আশেপাশেই কার দুটি চোখে আছে আমার স্বপন
ইশারায় করতে পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২৮৯ বার দেখা | ৮২ শব্দ