ইন্দ্রাণী সরকার-এর ব্লগ
বিস্মৃতির অতলে
রূপকথারা কবেই হারিয়ে গেছে
বিস্মৃতির অতলে।
পরিযায়ী প্রেম নিঃশব্দে ফিরে যায়
আপন নক্ষত্রলোকে।
একটা অসমাপ্ত কাব্যের মত
বিরান ভূমিতে ভালোবাসা পড়ে থাকে
একরাশ ঝরা ফুলের মত। তবু তার সূত্র ধরে নিভু নিভু
শিখায় কাঁপে ফেলে আসা
মধুর মুহূর্তগুলি। পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৭ বার দেখা | ২৯ শব্দ
প্রিয় আখর
তোমার বিষাদগুলো কাজল করে
চোখে এঁকে নিলাম চেয়ে দেখোনা
একদিন একটা সুন্দর আইভিলতার
ফাঁক দিয়ে দেখে নেব তোমার হাসি
জলেতে ভেসে যায় যে হাঁসের পালক
তার উপরে একটা করে প্রিয় আখর
যখন ঝুম বর্ষায় ভাসবে বকুলতলা
তখনি একমুঠো স্বপ্নবীজ ছড়িয়ে দিও। পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২৮ বার দেখা | ৪২ শব্দ
মৌবনী
মৌবনী
কতবার ভেবেছি তুমি যদি মাঝি হয়ে
আমায় জলের বুকে ভাসিয়ে নিতে
দাঁড় বেয়ে বেয়ে চলে যেতে বহুদূর
আমি শাপলা পদ্ম তুলে নৌকায় রাখি
তুমি না হয় একটা মালা গড়ে দিও
কানপাশা খুলে ছোট্ট একরত্তি চুমু
তারপর নিয়ে যেও অচেনা এক পারে পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫১ বার দেখা | ৪৬ শব্দ ১টি ছবি
মেঘের তোরণে
মেঘের তোরণে
অপূর্ব চাঁদনী মুখ তার ভাসে
অপার্থিব প্রেমের প্রত্যাশায়
নিশি জাগা পাখিরা বিষণ্নতার
বিকেল বেলা ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়
আকাশে ভাঙা গড়া চাঁদ
মেঘের তোরণে ভেসে যায়
টুপটাপ শব্দে ঝরে পড়ে পাতা
তখন আকাশের অস্তরাগের লাজ
প্রতীক্ষার বিকেল গড়িয়ে যায়
মেঘের ভেলায় বয়ে চলে চাঁদ
তখনি পাতায় খসখস আওয়াজ
সে এল পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮৯ বার দেখা | ৪১ শব্দ ১টি ছবি
অনিকেত ফুল
অনিকেত ফুল
আনন্দে অনিকেতের কাছে যাই
অনিকেত নীরব থাকে
কখনো তার শরীর থেকে ঝরে
অযুত সহস্র আলো
কখনো আঁধারের চেয়েও গভীর
মিশকালো তার মুখ। সহসা আমার মুখ কালো মেঘে
ঢাকা পড়ে যায়
চোখ থেকে, মুখ থেকে, গাল থেকে
ঝরে পড়ে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি
মাটিতে তৈরী হয় ছোটোখাটো স্রোত,
স্রোতে ভাসতে থাকে
অনিকেত ফুল আর পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৩ বার দেখা | ৪৩ শব্দ ১টি ছবি
নৈশ অভিযান
নৈশ অভিযান
রাতের তারারা জ্বলজ্বল করে আকাশে
চাঁদের আলো মেঘের ফাঁক দিয়ে উঁকি মারে।
পাইন গাছের মাথায় বাতাসের কারচুপি
গাছের ছায়া পড়ে বাড়ির চালে আর আশেপাশে।
তিরতির বয়ে চলা নদীর জলে মৃদুমন্দ ঢেউ
পার্শ্ববর্তী শহরের আলোয় চিকচিক করে।
এমনি একটি রাতে তোমার হাত ধরে হেঁটে গেছি
অনেক দূর দেবদারু পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৯ বার দেখা | ৫৬ শব্দ ১টি ছবি
ভৈরবী
ভৈরবী
ভোরের বেলা যখন বাসি
বেলি আর জুঁইয়ের গন্ধ
তখনো ছড়ানো আমাদের
ওই ঝুলবারান্দায়,
আহা কি মধুর সে গন্ধ
ভেসে আসে অদূরে
পাশের বাড়ির আমবাগানে
যেথায় মুকুল ধরে আছে,
ডালে ডালে, বাতাস
দুলিয়ে দেয় আম্রমঞ্জরী
পাশেই সুপারি গাছে
লেগে থাকা শিশির
ঝিকমিক করতে থাকে।
মাটিতে কাঁপা কাঁপা
দোদুল্যমান পত্রছায়া। পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭০ বার দেখা | ৩৪ শব্দ ১টি ছবি
অপরিমিত
অপরিমিত
কখনও যদি মনে হয় আমি কোথায়
নিজের বুকের মাঝে খুঁজে নিও
আমি লুকিয়ে আছি খুব সংগোপনে
গভীর গোপনে তা কি জানো প্রিয় ?
এক দিন কোনো হরিণ শাবকের মত
শকুন্তলার আঁচলে লুকিয়ে যাব। তখন যেন আবার বোলো না আমায়
তুমি রাখতে আমায় পারো নি তাই।
একটু হেসে একটু পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৪ বার দেখা | ৬৩ শব্দ ১টি ছবি
কথা শূন্যতা
কথা শূন্যতা
সব বক্তব্য এক একে হারিয়ে যাচ্ছে
কথাশূন্যতা গ্রাস করেছে
দূরের ওই শাল্মলী বৃক্ষকে
আমার উন্মুক্ত দুটি চোখ দেখে
তোমার সদরে চলে যাওয়া
আমারই বুক মাড়িয়ে
নীল বিষে ভোরে গেছে
পরিত্যক্ত ক্লান্ত রাত,
আর ফিরো না –
অচঞ্চল এগিয়ে যাও। আমার পরিপূর্ণ সম্মতি রইল
এত ঘৃণায় ভরা ভালোবাসা
না হয় নাই বা দিলে পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৫ বার দেখা | ৪১ শব্দ ১টি ছবি
নতমুখ মেয়েটি
নতমুখ মেয়েটি
মেয়েটি বসে থাকে নতমুখে
বাইরে থেকে তির্যক আলো
এসে তার মুখের ওপর এক
আলো আঁধারি ঢেউ তোলে। তার কোঁচকানো সাটিন জামায়
কিছু মনের অব্যক্ত অভিব্যক্তি
হাত দুটি কোলের ওপর ন্যস্ত
মাথায় পড়া মেপল পাতার টুপি
এক পাশে হেলে আছে অযত্নে
মাঝে মাঝেই দাঁত দিয়ে সে তার
ঠোঁটের ওপর ছোট্ট কামড় পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮১ বার দেখা | ৪৮ শব্দ ১টি ছবি
নিশ্চুপ মন
নিশ্চুপ মন
অনেক দূরের যে পথটা এঁকেবেঁকে চলে যায়
তার পাশ দিয়ে বয়ে যায় একটা পাহাড়ি ঝর্ণা।
কুলুকুলু জলের শব্দ, একরাশ ফেনিল উচ্ছ্বাস
তারই মাঝে মাঝে থোকা থোকা বেগুনি ফুল। এলোমেলো বাতাসে পাইনের পাতা তিরতির
সারি সারি দেবদারু পথের ধারটি ঘিরে থাকে।
বাহারি সব পাখিরা এদিকে ওদিকে গেয়ে পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১২৩ বার দেখা | ৫৮ শব্দ ১টি ছবি
স্বর্ণপ্রভা
স্বর্ণপ্রভা
তুমি কি হেলেঞ্চালতার মত দুলে ওঠো?
আকাশে ছড়িরে পরে তোমার স্বর্ণপ্রভা
রামধনুর সাতটি রং এসে তাতে মিশে যায়
মনে মনে ভাবি তুমি কি সেই যাকে দেখে
ইন্দ্র দেবতার হাজার চোখ ফুটে উঠেছিল? বিশ্বামিত্র মুনির তপস্যা ভঙ্গ হয়েছিল?
চতুর্দিকে দেবতারা বাজিয়েছিল শঙ্খনিনাদ
তোমায় পাদ্য-অর্ঘ্য দিতে নতজানু হিমালয়
ময়ূর ভুলেছিল পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮১ বার দেখা | ৫৭ শব্দ ১টি ছবি
জোছনা ভরা রাতে
জোছনা ভরা রাতে
প্রতিটি জোছনা ভরা রাতে
বিনিদ্র চোখ জানে
রাত্রির অরণ্য সুখের কথা
আর বাতাসের ফিসফিসানি। বৃষ্টিভেজা দীঘি জ্যোৎস্নায়
সুদূর স্বপ্নময় নীরবতায়
রুপালি আলোর মায়ায়
তোমার মুখের চালচিত্র। দূরে ভাসে মেঘের কালো চুল
উড়ে যায় চাঁদের গায়ে
আকাশে তারাদের টিপছাপ
তার মাঝে তোমার চেয়ে থাকা। পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৯ বার দেখা | ৩২ শব্দ ১টি ছবি
শ্যাম পরবাসে
শ্যাম পরবাসে
বর্ষা ছুঁয়ে যায় প্রেয়সীর অধর
শ্যাম পরবাসে আঁখি ঝরঝর
কভু যেও না আমারে ছাড়িয়া
শুধু ভরে থেকো আমায় চাহিয়া গানের কলি ভাসে প্রান্তর জুড়ে
অধরে অধর ছোঁয় আনমনা সুরে
বাতায়নে জাগি হে আমার প্রিয়া
পাশে থেকে মোর ভরে দিও হিয়া লাজে রাঙা তার চরণ দুখানি
ত্রস্ত নয়নে পশে বলাকা পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৮০৬ বার দেখা | ৬২ শব্দ ১টি ছবি
পারাপার
পারাপার
মৃত্তিকা-নদী খেয়ে পারাপারের
সংযোগস্থল পাথুরে, জনাকীর্ণ
অন্ধত্বের ভাণ করে পড়ে থাকা
মানুষের দল ভিক্ষারত প্রত্যাশা কোজাগরী চোখে আলতো ভাবে
ছুঁয়ে যায় শীর্ণ, মলিন বসবাস
সামান্য উপঢৌকনে সাজায় হাত সদ্যবিবাহিতা এক বধূ এস্ত্যভাবে
এদিক ওদিক চেয়ে ঘাটের তোরণে
এক পা এক পা করে জলে নামে
কুলবধূদের উলুধ্বনিতে পালিত
হয় কোনো আনন্দদায়ক কুলাচার। পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৩ বার দেখা | ৪০ শব্দ ১টি ছবি