আ-মরি বাংলা ভাষা আহারে মোঃ আলি জিন্নাহ

রাজনৈতিক নেতারা একরোখা স্বভাবের হয় তাই মোঃ আলি জিন্নাহ হতে আজকে আধুনিক বাংলাদেশের নেতারাও এইটা ছাড়তে পারে নাই। ৫২তে যদি জিন্নাহ বলতো, যে রাজ্যে যে ভাষা আছে তারই চর্চা হবে তবে ইংরেজি হবে প্রধান ভাব প্রকাশের মাধ্যম। তখন আর গরিব বাংঙ্গালী মরতো না। এখন আর ধনী বাংঙ্গালীদের সন্তান বিদেশে জন্ম নিয়ে বাংলা ভুলতো না। এই প্রজন্মকে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি, আরবী, ফরাসি ভাষাও শিখা দরকার।

আজকে যেসব রাজনৈতিক নেতা একদল কর্মী নিয়ে ভোরে শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়েছে ওইসব নেতাদের শতকরা নব্বইজন লোকের সন্তান বিদেশে বাংলা ব্যতীত অনন্ত তিন চারটা ভাষায় পারদর্শী। আর নেতার পিছনে ভেড়ার পাল বাঃ বাঃ করে জীবন দিতেছে। কর্মীগণ এতই উম্মাদ যে মঞ্চে হিন্দি গানের তালে তালে আজ কোমর নাচাবে। এই কর্মী অনেকে আরবী না জানার কারণে মধ্যপাচ্যে গিয়ে ভালো কাজ পাবে না। এই কর্মীর অনেকে ইংরেজি না জানার কারণে উন্নত দেশে পড়তে গিয়ে বেগ পাবে। বহু দেশে ফরাসি ভাষা চলে বলে কাজ করতে গিয়ে হা করে থাকবে।

নেতারা কর্মীর আবেগে এমপি মন্ত্রী হবে বিদেশে টাকা পাঠাবে নিরাপদ ও বিলাসী জীবনে তাঁদের পরিবার কাটাবে। আজ বগ্ল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলা ভাষা নিয়ে এত পোষ্ট যে শুদ্ধ বাংলা লজ্জা পাচ্ছে। ধর্ম, জ্ঞান, বিজ্ঞান ও কর্মের জন্য সব ভাষার দরকার। তাই নতুন প্রজন্ম তোমরা মাতৃ ভাষার সাথে সাথে দরকারী ভাষাটাও শিখবে। ভারতে হিন্দি ভাষা প্রধান হলে বহু ভাষার দেশ ভারত তেমনি পাকিস্তানে উর্দু প্রধান হলেও বহু ভাষার দেশ পাকিস্তান। শ্রীলংষ্কা ও নেপালে ইংরেজি সর্বাধিক গুরুত্ব পাচ্ছে। আমরা বাংলা ইংরেজি মিক্স করে বলে নতুন ভাষা সৃষ্টি করি।20210221_141037

VN:R_U [1.9.22_1171]
রেটিং করুন:
Rating: 0.0/5 (0 votes cast)
VN:R_U [1.9.22_1171]
Rating: 0 (from 0 votes)
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের,লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন