WhatsAp

হাসান, মহিম আর আব্দুল তিন বন্ধু। স্কুল জীবন থেকেই তারা একসাথে পড়শোনা করে, খেলাধুলো করে বড় হয়েছে। সবে মাত্র কলেজ শেষ করেছে। ওদের অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল বাইকে পাহাড় ভ্রমণের। অনেক বার প্লান হয়েও যাওয়া হয়নি। কোন না কোন বাঁধা এসে দাঁড়িয়েছে। সব ঠিকঠাক করেও ক্যানসেল হয়েছে প্রোগ্রাম। শেষমেষ এবার যাওয়া হচ্ছে। ইসলামপুর থেকে শিলিগুড়ি, তারপর অহলদারা হয়ে কার্শিয়াং। তারপর আবার শিলিগুড়ি হয়ে বাড়ি। এই হল তাদের ট্যুর প্লান। অনেক দিনের স্বপ্ন বলে তাদের প্রত্যেকেই খুব এক্সাইটেড।

ঘুম থেকে উঠতে কোন অসুবিধা যেন না হয় তাই তিন বন্ধু একসাথে ঘুমিয়েছে। মহিমের বাড়িতে। স্বপ্নপূরণের আবেগে তিনজনই ঘুমাতে পারেনি। সারা রাত গল্প করেছে, প্লানিং করেছে কিভাবে কী করবে, কোথায় কী দেখবে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অবশ্য ছিল ডাউহিলের ভুতুরে রাস্তা। ওরা কেউই ভুতে বিশ্বাসী নয়। তবুও ডাউহিল যাওয়া নিয়ে সবাই খুব উত্তেজিত। ভোর পাঁচটাই ঘুম থেকে উঠে রেডি হতে হতে ছ’টা। শুধু চা খেয়েই বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়ল তিনজন। দুটো বাইক। একটা বাইকে বসেছে হাসান আর আব্দুল, মহিম একাই। একবার কথা হচ্ছিল অন্য কাউকে নেওয়ার। কিন্তু তিন বন্ধুর গ্রূপে যে মজাটা হবে সেটা অন্য কেউ জয়েন করলে হবে না।

আটটার মধ্যে শিলিগুড়ি পৌঁছে গেল ওরা। তারপর নাস্তা করে করোনেশন ব্রিজের উদ্দেশ্যে রওনা দিল। সেবক আসতে না আসতেই দেখতে পেলো উঁচু উঁচু পাহাড়। খুশিতে টগবগ টগবগ করতে লাগলো তিনজনই। করোনেশন ব্রিজে কিছুক্ষন থাকার পর কালিঝরা গেল। কালিঝরাতে চা খেয়ে আবার রওনা হলো লাটপনচারের উদ্দেশ্যে। চায়ে চুমুক দিতে দিতে লাটপনচার নাম শুনে তিনজনই হাসলো একটু। কালিঝরা থেকে লাটপনচারের রাস্তা খুবই খাড়া। রাস্তার অবস্থাও খুব খারাপ। আট ফুটের চওড়া রাস্তার দুধারে প্রচুর গাছ। সম্ভবত শাল গাছ। মাঝে মধ্যে বাইক দাঁড় করিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে লাগলো তিনজন। ফটোও তুললো একে অপরের।

অনেক দুর্গম রাস্তা পার করে তারা পৌঁছল লাটপনচার। ছোট একটা পাহাড়ি গ্রাম। তবে বেশ গোছানো, সুন্দর। রাস্তার ধারে রঙ বেরঙের অনেক ভুল গাছ। পাহাড়ের উপর অনেক ঘরবাড়ি। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হল পাখী। বলা হয় এখানে দুই’শ চল্লিশ প্রজাতির পাখী আছে। গরমের দিনে নিন্ম উচ্চতার পাখীরা এই গ্রামে চলে আসে আর শীতের দিনে উচু পাহারের পাখীরা নেমে আসে এই গ্রামে। পাখী প্রেমীদের কাছে স্বর্গরাজ্য এই গ্রাম। লটপনচারের একটা ভিউ পয়েন্ট আছে। সনসারী ভিউ পয়েন্ট। ওখানে বাইক নিয়ে যাওয়া যায় না। হাঁটা পথে একটু যেতে হয়। তাই বাইক রেখে তিনজন হেঁটে গেল একটু উপরে। একটা ছোট চার্চ আছে। সেখানে কোন অনুষ্ঠান হচ্ছে। চার্চের সামনে দিয়ে একটা গলি। সেই গলি দিয়ে কিছুদূর যেতেই সনসারী ভিউ পয়েন্ট। এখান থেকে পুরো লাটপনচার শহর দেখা যাচ্ছে। যতদূর চোখ যাচ্ছে শুধু পাহাড়। মেঘের দল উড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মনমুগ্ধকর পাহাড়ি প্রকৃতি দেখে তিনজনই আনন্দে আত্মহারা।

WhatsApp-Ima

একটা দোকানে মোমো আর চা খেয়ে আবার বাইক ছুটলো অহলদাড়ার উদ্দেশ্যে। অহলদারা হলো চমৎকার একটা জায়গা। শেলফু পাহাড়ের সর্বোচ্চ স্থল। যেখান থেকে অনেক পাহাড় দেখা যায়। অনেক উচু জায়গা বলে নিচের নদী, উপত্যকা, ছোট পাহাড়, গ্রাম সব দেখা যায়। যেন পৃথিবীর উপর থেকে পৃথিবীকে দেখা। যেখানে মেঘ এসে কানে কানে কথা বলে যায়। প্রচুর মানুষ যায় সেখানে। রাত থাকার জন্য আছে দুটো হোমস্টে। কফি খেতে খেতে তিনজন পাহাড় দেখলো। কিছুক্ষন চুপচাপ বসে থাকলো। লটপনচার শহর দেখা যাচ্ছে এখান থেকে। তিস্তা নদীও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। স্তব্ধ শুনশান একটা পরিবেশ। অহলদাড়ায় বেশ কিছুক্ষণ থাকার পরে আবার বাইক স্টার্ট দিলো। এবার গন্তব্য কার্শিয়াং। তবে কার্শিয়াং পৌঁছনোর আগে থাকবে ডাউহিল। যেটা তাদের কাছে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং জায়গা।

What1

এই ট্যুরের রুট ঠিক করা হয়েছে ডাউহিলকে মাথায় রেখেই। তিনজনই এডভেঞ্চার পছন্দ করে। পাহাড় মানেই এডভেঞ্চার। বাইক নিয়ে সফর হলে তো পুরো সফরটাই এডভেঞ্চার। এই রোমাঞ্চকর সফরটা ভয়ানক রোমাঞ্চকর সফর হয়েছে ডাউহিলকে কেন্দ্র করে। পাহাড়ে যতগুলো ভৌতিক জায়গা আছে তারমধ্যে কার্শিয়াং -এর ডাউহিল হলো অন্যতম। এই এলাকা নিয়ে অনেক ভুতের গল্প প্রচলিত আছে। আর পরিবেশটাও ভুতুড়ে। রাস্তার দুধারে লম্বা লম্বা পাইন গাছ, সারা বছর ঘন কুয়াশায় ঢাকা, প্রচুর ঠান্ডা এখানে আর অন্ধকার একটা এলাকা। ডাউহিল থেকে বাগোরা বনদপ্তর পর্যন্ত রাস্তাকে ডাউহিল রোড বলা হয়। কিন্তু মানুষের মুখে এটা ডেথ রোড নামেই প্রচলিত। এলাকার স্থানীয় কিছু মানুষ বিশেষত কাঠুরেদের মুখে শোনা যায় এই এলাকায় নাকি একটা সাদা চুলের বুড়ি আর মুন্ডহীন বাচ্চা ভুতের দেখা আকছার পাওয়া যায়। মুণ্ডহীন বাচ্চাটা হাটতে হাটতে কুয়াশার ভিড়ে গায়েব হয়ে যায়। ভুত নিয়ে এই এলাকার মানুষদের মধ্যে অনেক ঘটনা প্রচলিত আছে। সেই কারণে একা কেউ এই এলাকায় সফর করে না। বিশেষ করে সন্ধ্যাবেলায়।

অহলদারা থেকে বাগোরা যেতে হবে। কিছুক্ষন পথ চলার পর আবহাওয়া ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকলো। এখন পাহাড় কুয়াশায় ঢাকা আর ঠান্ডাও লাগছে। সুন্দর জায়গাগুলোতে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা হল অনেক। রাস্তা একদম শুনশান। অনেক্ষন পর পর গাড়ি চলাচল করছে। বাইক অনেক কম। রাস্তা এখন আরো খাড়া। আর টার্নিং প্রচুর। খুব ধীরে বাইক চলছে। চলতে চলতে একটা ছোট্ট বাজারে পৌছলো। জায়গাটার নাম বাগোরা। কার্শিয়াং সাব ডিভিশনের একটা গ্রাম বাগোরা। সুন্দর, সবুজে ঘেরা। কান পাতলেই শোনা যায় বিভিন্ন পাখীদের ডাক। এখানে ঠান্ডা বেশ ভালোই লাগছে। একটা দোকানে থেমে গরম গরম সিঙ্গারা খেলো তিনজন। তারপর চা। পাহাড়ি পথে সফর করলে চা কফি বারবার চাইই চাই। তিনজনই চা প্রেমি। তাই চা নিয়ে আড্ডা বেশ জমেছে ওদের।

WhAM

সময় তখন বিকেল চারটা। বাগোরা থেকে কার্শিয়াং যেতে হবে। সন্ধ্যা নামবো নামবো। আর সন্ধ্যা নামার আগেই পৌছতে হবে কার্শিয়াং শহরে। কারণ, বাগোরা থেকে কার্শিয়াং যেতে হবে ডাউহিল রোড দিয়ে। যা স্থানীয় মানুষের কাছে ডেথ রোড নামে প্রচলিত। এই রাস্তার দুপাশে এত ঘন পাইন গাছ আছে যে সুর্যের আলোটুকুও দেখা যায় না। কুয়াশায় ঘেরা রাস্তা। পাহার থেকে কুন্ডলি পাকিয়ে কুয়াশা নামে। কোথাও কোথাও ছয় ফিট দুরের কিছুও দেখা যায় না। এক ধারে উচু পাহার অন্য ধারে গর্ত। তবে দু ধারেই প্রচুর পাইন গাছ। ছিমছাম শান্ত রাস্তা। কোনরকম আওয়াজ শোনা যায়না। পাখির ডাকও খুব কম। বৃষ্টিও হচ্ছে টিপটিপ করে। চারদিক এমন অন্ধকার যেন সন্ধ্যা নেমে গিয়েছে।

একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে ওরা ফটো তুলতে লাগলো। চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, হালকা বৃষ্টি, কুয়াশা, অন্ধকার সব মিলিয়ে আসলেই ভৌতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কারো পক্ষেই একা এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ওদের ভয় লাগছে না। কারণ ভুতে তাদের কারোরই বিশ্বাস নেই। বাইক স্টার্ট দেওয়ার সময় আব্দুল মজাক করে বললো, ‘ডরনা তো জরুরি হ্যায়।’ সবাই খিলখিল করে হেসে উঠলো। পাইন গাছের বুক চিড়ে যাওয়া রাস্তাটা দিয়ে এগিয়ে চললো ওরা। রাস্তায় যতটা না কুয়াশা তার থেকে বেশি পাশের পাইন গাছের ভিড়ে। ওখানে কোন মানুষ বা জন্তু জানোয়ার থাকলেও বোঝার কোন উপায় নেই। বাইকের আওয়াজ ছাড়া আর কোন আওয়াজই নেই। নিস্তব্ধ সবকিছু।

একটু দূরে এগোতেই অন্ধকার যেন আরো ঘনিয়ে আসলো। সন্ধ্যা হয়ে এসেছে প্রায়। ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে বাইক। হঠাৎ সামনে নজর পড়লো একটা বাচ্চা হেটে যাচ্ছে। এগারো বারো বছর বয়স হবে। হাসান বললো, ‘ওই দেখো ভুত।’ সবাই জোরে হেসে উঠলো। তারপর বাচ্চাটার সামনে দাঁড়ালো। নেপালি বাচ্চা। চুলগুলো হাল্কা খয়েরি রঙের। জন্মগত নাকি রঙ করা বোঝা যাচ্ছে না। ফর্সা গোলগাল চেহেরা। দেখলেই আদর করতে ইচ্ছা করবে যে কারও। জিজ্ঞেস করতেই বললো, সামনে ওদের বাড়ি আছে। ওখানেই যাবে। আব্দুল মহিমকে বললো বাইকে বসিয়ে নিতে। মহিম একাই আছে বাইকে। মহিম একটু থতমত খেয়ে গেল। ভুতে তার বিশ্বাস নেই ঠিকই। কিন্তু এরকম একটা ভুতুড়ে জায়গায় অপরিচিত কাউকে বাইকে বসালে ভয় তো লাগবেই। হাসান বলল, ‘চিন্তা কেন করছিস, মুন্ডু তো আছে বাচ্চাটার।’ বলেই হাসতে লাগলো।

Whats2-AM

আবার ছুটছে বাইক। বৃষ্টি হচ্ছেই। বিদ্যুতও চমকাচ্ছে মাঝেমধ্যে। গগনচুম্বী কানফাটা আওয়াজও হচ্ছে। অন্ধকার কুয়াশা ঢাকা রাস্তা বিদ্যুতের চমকে আলোকিত হয়ে যাচ্ছে। তখন সবকিছু স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। ভয়ানক পরিবেশ বিদ্যুত চমকে যেন আরো বেশি ভৌতিক হয়ে গেছে। কমজোর হৃদয়ের মানুষের পক্ষে এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া কঠিন। হঠাৎ একটা বিদ্যুৎ চমকালো, খুব বেশি আলোকিত হয়ে গেল চারিদিক। মহিমের মনে হলো বাইকের রিয়ার ভিউ মিররে দেখলো পেছনে বসা বাচ্চাটার মুন্ডু নেই শুধু শরীর নিয়ে বসে আছে। শরীরটা ঝাড়া দিয়ে উঠলো মহিমের। বুকটা ডিব ডিব করছে। হয়তো ভুল কিছু দেখলো। মুন্ডহীন শিশু ভুত নিয়ে এত আলোচনা হয়েছে যে হ্যালুসিয়েশন হওয়া স্বাভাবিক। একটু শান্ত হলো মহিম। কানফাটা আওয়াজে আবার বিদ্যুৎ চমকালো, মহিম ভয়ে ভয়ে রিয়ার গ্লাসের দিকে তাকালো। স্পষ্ট দেখতে পেলো, তার পেছনে যে বাচ্চাটা বসে আছে ওর মুন্ডু নেই। শুধু তাই নয় বাইক থেকে কয়েক হাত দূরেই একটা ধূসর চুলের সাদা শাড়ি পরা বুড়ি দাঁড়িয়ে আছে। মহিমের শিরদাঁড়া বেয়ে একটা ঠান্ডা বাতাস নেমে গেল। শরীরটা যেন অবশ হয়ে যাচ্ছে। আবার বিদ্যুৎ চমকালো আবার একই দৃশ্য দেখতে পেল। বাইকের উপর তার আর কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। বাইক গিয়ে পড়লো রাস্তার পাশের খালে। তারপর আর কিছু মনে নেই মহিমের।

চোখ খুলতেই মহিম দেখলো একটা দোকানের বেঞ্চিতে শুয়ে আছে। ওর দিকে চেয়ে আছে হাসান আর আব্দুল। আশেপাশে আরো কিছু মানুষ। দেখে বোঝা যাচ্ছে স্থানীয় গ্রামের লোক। জিজ্ঞেস করে জানলো, বাইকটা একটা পাইন গাছে আটকে ছিল আর মহিম সেই বাইকের পাশের একটা ছোট গর্তে পরে গিয়েছিল। ভাগ্য ভালো। নাহলে হাজার ফিট নিচে পড়তে হতো। মহিম ভাবলেশহীন দৃষ্টিতে জিজ্ঞেস করলো বাচ্চাটা কেমন আছে? হাসান আর আব্দুল মুচকি হেসে বললো, ‘একটু আরাম কর। এখনও অনেকটা পথ বাকি।’ মহিম চোখটা বন্ধ করে রইলো। ওর পাশে বেশ কিছু স্থানীয় লোক ফিসফিস করে গল্প করছে। মহিমের কানে আসলো, ‘ছেলেটা নিশ্চয় মুণ্ডুহীন ভুত। নাহলে ওকে খুঁজে পাওয়া গেল না কেন…’।

W44.23-AM

VN:R_U [1.9.22_1171]
রেটিং করুন:
Rating: 5.0/5 (1 vote cast)
ডাউহিল | ভুতের গল্প, 5.0 out of 5 based on 1 rating
FavoriteLoadingলেখা প্রিয়তে নিন
এই লেখাটি পোস্ট করা হয়েছে গল্প-এ। স্থায়ী লিংক বুকমার্ক করুন।

৩ Responses to ডাউহিল | ভুতের গল্প

  1. মুরুব্বী বলেছেনঃ

    ভ্রমণ গল্পের পুরোটা জুড়েই পেলাম অসম্ভব এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। আমারও ভীষণ ইচ্ছে করে আপনাদের মতো করে বেড়িয়ে পড়ি। দেখা হোক নতুন পথ নতুন প্রকৃতি নতুন কিছু। 

    অসম্ভব সাহসীকতার অপূর্ব সম্মিলন তুলে এনেছেন লিখাটিতে। অসাধারন। গুড লাক। https://www.shobdonir.com/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_good.gif

    VN:R_U [1.9.22_1171]
    Rating: 0 (from 0 votes)
  2. নিতাই বাবু বলেছেনঃ

    আপনার ভ্রমণ কাহিনী পড়ে নিজের মনের ভেতরে ১৯৯৩ সালে ভারত ভ্রমণের কথা মনে পড়ে গেলো। শিলিগুড়ি আমার এক কাকা শ্বশুরের বাড়ি। থেকেছি মাত্র দুইদিন। আমার বড় বোনের বাড়ি বীরপাড়া। সেখানে কাটিয়েছি প্রায় ১৪ মাস। আপনার লেখায় যেই স্থানে কথা উল্লেখ করেছেন, সেখানে যাওয়া হয়নি। তবে ভুটানের কিছু কিছু জায়গা আর শিলিগুড়ি ঘেঁষা নেপাল বর্ডার পর্যন্ত ঘুরেছি।
    সুন্দর ভ্রমণ কাহিনী শেয়ার করার জন্য অজস্র ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    VN:R_U [1.9.22_1171]
    Rating: 0 (from 0 votes)
  3. মুরুব্বী বলেছেনঃ

    ঈদ মোবারক প্রিয় দার্শনিক। নিরাপদ থাকুন সব সময়। শুভকামনা … https://www.shobdonir.com/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_rose.gif

    VN:R_U [1.9.22_1171]
    Rating: 0 (from 0 votes)

মন্তব্য করুন