বে-নামী কবিতা

বে-নামী কবিতা

বন্ধু গন তোমাদের ভ্রু কুঁচকানোর মত কোন সত্য প্রকাশ করবো না তোমরা বিস্মিত হলে আঘাত লাগবে আমার ক্ষুদ্র মনুষ্যত্বে; আমি ক্ষুদ্র হত দরিদ্র, ছাই পোষা মানুষ গেও ভুতের বোঝা আর ঘি হজম না হওয়া কুত্তার কাতারে দাঁড়িয়ে আছি – আই ফোনের বুকে আঙ্গুলের ক্ষীণ স্পর্শে দুনিয়া ঘুরাতে ঘুরাতে – রাত কে দিন; দিন কে রাত … Continue reading “বে-নামী কবিতা”

যত্নে থেকো

যত্নে থেকো

তুমি ভালো থেকো ভালো থাকার সমস্ত উপকরণ থাকুক তোমার, আমার সারি বদ্ধ কষ্ট গুলো স্পর্শ না করুক তুমি নিজেকে স্বযত্নে আগলে রেখো; তুমি তৃপ্ত হও তৃপ্তির যাবতীয় আয়োজন সু সম্পন্ন হোক। আমার ক্ষত বিক্ষত- বুকের দগদগে গা তোমাকে মর্মাহত না করুক; তুমি মুখ ফিরিয়ে রাখো! অসূয়া চোখে দেখিনি তোমাকে অশুচ হাতে ছুঁইনি ফণীমনসার নীল বিষে … Continue reading “যত্নে থেকো”

জমি বুঝে জলজ ভাষা

জমি বুঝে জলজ ভাষা

বৃষ্টি আর ঝর্না দুটোই ধারাপাত ধর্মী পার্থক্য কেবল এক জন পতিত হয় নিরবধি আরেক জন গলে কেবল মেঘেরা হাত পাতে যদি নিজস্ব ভাষায় শীৎকারে দুটোই সুরের প্রেমী। পতিত জমি বুঝে জলজ ভাষা চির যৌবনা খনিজ উত্তাপে ঝর্নার অনিন্দ্য প্রেম লীলা সুর ছন্দে প্রেমজ সন্তর্পণে চির স্নিগ্ধ বৃষ্টির চলা কলা। ঝর্না চায় দুরন্তপনা বুকের গভীরে অদম্য … Continue reading “জমি বুঝে জলজ ভাষা”

দাউদের কাব্য অণুরণন

দাউদের কাব্য অণুরণন

তোমার উঠোনে জলকাদার মাখামাখি এবার আমার লাঙ্গলে ফলা চলবে দূর্বার উন্মুখ হয়ে আছে শৌর্যেয় বীজ, কত কি বুনতে হবে; তবেই না সাজবে নতুন সংসার! খাপ খুলতেই উন্মুক্ত শাণিত তলোয়ার মদিরা চোখের পলকেই লঙ্ঘিত যুগলযৌবনের দুর্মার! অতল ছুঁয়েছে জল। বাঁধ ভেঙ্গেছে পূর্নিমা চাঁদ ভেসে গেছে গুপ্ত চর, কুসমিত মখমল।

আনত চোখের নীলে

আনত চোখের নীলে

ক্রমশ ধাবিত হচ্ছি তোমার আনত চোখের নীলে আশ্চর্যজনক ভাবে বিদ্ধ হচ্ছি মৃণ্ময়ী বুকের খোলে!.. দূর্বীনিত ঘূর্ণিপাকে গুলিয়ে যাচ্ছি প্রবল বেগে- অনিরুদ্ধ আগুনের লেলিহান শিখা, অলীক টানে ছুটে যাচ্ছি…. কিন্নরী কণ্ঠে শুনি দৈববাণী- বুঝিনি মৃদুস্বরে তুমি গেয়েছিলে জীবনের গান খানি।কানে কানে শ্রুতির অনুরণনে গুঞ্জন করে একটি শব্দ বাঁচতে দাও… বাঁচতে দাও… প্রাণপণ বাঁচার জন্য ক্রমশ সিক্ত … Continue reading “আনত চোখের নীলে”

উষ্ণীষ বর্ষা

হে পরিপূর্ণা হাওয়াই নৃত্য ধন্য মেঘমালা ঘাসফুলের মন, পাহাড়ি ঝর্ণা।…. ঝরে যাও অঝোর ধারায় ছুঁয়ে যাও বহুকালের বিবর্ণ চাতাল, আকণ্ঠ তৃষ্ণা… সোমত্ত পিয়ালের উষ্ণীষ ঢেলে রটিয়ে যাও গুপ্ত মেঘের শীতল কাহিনী!..

আত্ম-দম্ভের সঙ্গম

আত্ম-দম্ভের সঙ্গম

সেই কখন থেকে ক্ষ্যাপাটে ভীমরুল তাড়া করে ফিরছে মাতাল কবির ধ্যান মগ্নতায় শুল পোড়াচ্ছে অবিরাম, আত্মার ঘনিষ্ঠতায় বেড়ে উঠা আত্মবিনাশী শত্রুর ন্যায় হেমলকের আচ্ছন্ন আধারে নগ্ন নৃত্যের মাদল বাজায়; জ্যোৎস্না রাতের মৃদু হাওয়ায় বুকের পাঁজর খুলে দাঁড়াতে যাই নিরুত্তাপ চাঁদের গলা জড়িয়ে কামহীন নির্মোহ আবেদন, পবিত্র প্রার্থনায় নিষিদ্ধ শব্দরা ভিড় করে যৌন-উদ্দীপক ভাষায় ইথারের রমণী … Continue reading “আত্ম-দম্ভের সঙ্গম”

প্রত্যাখ্যান

প্রত্যাখ্যান

আমাকে প্রত্যাখ্যান করে গোপনে প্রস্থান করার মধ্যে দিয়ে জানান দিয়েছ কত খানি ভালবাসো, গ্লানির ভারে ওষ্ঠাগত প্রাণ; নিভৃত দহনের মধ্য দিয়ে- বুঝিয়ে দিয়েছো অন্তরে বিরাজমান প্রেমের বিশুদ্ধ আহবান। কি-সে এত ভয় তোমার! যে প্রাচীন শিলাখণ্ডের মত হিম হয়ে ডুবে আছো রাত্তির আঁধারে! এতটা কাল ধরে চিনেছ আমায়, নিজের মত করে গড়তে তো পারতে। আপন অন্তরে … Continue reading “প্রত্যাখ্যান”

ঘুম ভাঙ্গা মধ্য দুপুরে

ঘুম ভাঙ্গা মধ্য দুপুরে

তখনো স্বপ্নের আবেশ জড়ানো ছিলো দু’ চোখে গালের বাঁকে অশ্রুর রেখা,নাকে তোমার বুকের উমেল সুবাস; চুলে বিলি কেটে দেয়া অনুরণন, কপালের আলতো চুম্বন সমস্ত আবেশ জড়ানো ছিলো ঘুম ভাঙ্গা মধ্য দুপুরে… গ্রীষ্মের উত্তপ্ত হাওয়া আর রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশের কট কটে দৃষ্টি যেন- জেনে গেছে আমার স্বপ্নে দেখা সমস্ত গোপন ক্রিয়াকলাপ! মিষ্টি এক লাজুক হাসিতে কত কথা … Continue reading “ঘুম ভাঙ্গা মধ্য দুপুরে”

মৃত দূর্বাঘাস

মৃত দূর্বাঘাস

সারা রাত কারবালা পীড়ার পর পেরিয়ে যায় নিভৃত সকাল। দেহ তখন বিধ্বস্ত! মৃত ঝর্ণার বুকে ঝুলে থাকা লতাগুল্ম। রোদ শাসিত দুপুর লগ্নে যখন ঘুম ভাঙ্গে – চিত্ত যখন ক্লান্ত, অবসাদ গ্রস্ত; অবচেতন মনের সঙ্গে আদিগন্ত মেঘের তুমুল ধস্তাধস্তি বিব্রত করে রাখে; তখন অনুভব করি উপলব্ধি করি- এত কাল ধরে এই আমি নিজেকে ধ্বংস করে আসছি, … Continue reading “মৃত দূর্বাঘাস”