দাউদুল ইসলাম-এর ব্লগ

সব সময় নিজেকে বলি-
মানুষ হবি যদি-
অন্ধকার ঘরে যখন একা থাকবি তখন নিজেকে জিজ্ঞেস করে নিস তুই কতটা মানুষ।
কতটা তোর সভ্যতা
কতটা তোর ভদ্রতা!
স্নান ঘরে যখন একা শাওয়ারের নিচে দাঁড়াস-
তখন নিজেকে জিজ্ঞেস করিস কত টা আছে তোর মনুষত্বের রুচি!
জিজ্ঞেস করিস কতটা তুই ভদ্র, সভ্য!

অত্যাচারী প্রভু
”সে দিনের প্রগতিশীল বন্ধু
আজ অত্যাচারী প্রভু;
শিল্পী তার ভৃত্য এবং শিল্প তার পণ্য” উত্তরাধুনিকতা বই টি পড়েছিলাম কবি আরণ্যক টিটোর সাজেশনে-
উত্তরাধুনিক কবি এজাজ ইউসুফীর লিখা “উত্তরাধুনিকতা” গ্রন্থে সুজিত ঘোষের উপরোক্ত উক্তি টি রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করেন। আসলে আজকের বাস্তবতায় লক্ষ করলে কথাটির যথার্থতা পড়ুন
সাহিত্য | | ৪ টি মন্তব্য | ২৪ বার দেখা | ২৯২ শব্দ
সাধ ও স্বাদের সমীকরণ
চৌরাস্তার মোড়ে গুণ্ডি দোকানে ভিড় বাড়ে
পোড় তেলে পাকোড়া ভাজে সস্তায়
ছানা মুড়ির নাস্তায় চায়ের ঝড়ে, খাস্তায়।
রসের অংক কষে,
গরম কাপের উত্তাপ জুড়ায় ফু তে –
চুমুর ভঙ্গিমায়, শ্রু’তে উলুর ধ্বনি
ছোঁয়ার ধর্ম মেনে যশে চিনি, দুধের স্বাদ!
এভাবে সাধ বাড়ে
রোজ রোজ পড়ুন
কবিতা | | ৩ টি মন্তব্য | ১৯ বার দেখা | ১০৭ শব্দ ১টি ছবি
পরিতৃপ্ত মৃত্যুর স্বাদ
দুঃখের হিমে প্রাচীন শিলা খণ্ডের মতো জমে যাচ্ছে বুক।
ধু ধু বালিয়াড়ি জুড়ে পাষাণ্ড শূন্যতা, কুয়াশার করুণ চাদর
অবাঞ্চিত মেঘের মতন ঝুঁকে আছে পতনের মুখে, যেখানে-
অতৃপ্তির ঘোর অন্ধকারে ডুবে আছে প্রবৃত্তির সমস্ত ক্ষুধা।
শঙ্কিত প্রাণ-
ভুলে যাওয়া স্মৃতির গভীরে খুঁজে বেড়ায় পড়ুন
কবিতা | | ৪ টি মন্তব্য | ২২ বার দেখা | ৮৬ শব্দ ১টি ছবি
শিল্পের স্তবক
চাঁপাবনে কোন তাপসী
বাজায় বাঁশি
কাড়ে নক্ষত্রের ঘুম- নিঝুম ক্রন্দসী লগনে,
কার কাঁখের কলসি
ভেসে যায় নৈবদ্যের স্রোতে- অশ্রুত নয়নে।
আড়ালে বসে-
কে নাড়ে ধর্মের কল,
কোন বরষে
চরণ তলে বিছিয়ে দেয় ঘাসফুলের আঁচল!
অকুলে ডুবে ডুবে
শুনি, অচিন সুরের মাদল-
জানি নে
কোন তাপসীর শীতল পাঁজর খুলে
নেমে আসে পড়ুন
কবিতা | | ৪ টি মন্তব্য | ২৪ বার দেখা | ৯০ শব্দ ১টি ছবি
রক্তের ঋণ
তেমন কোন সংবাদ নয়। সারলতার সুবাদে সুবিধা বাদীরা মত্ত হয়েছে হরির লুঠে। অবাধে
দখল করছে সংরক্ষিত বাগান, সবুজ মাঠ, প্রবহমান নদী। আমি শুধু তাদের দিকে চেয়ে হাসলাম।
খানিক বিদ্রূপে, খানিক করুণায়!
যে ভঙ্গিমায় ওরা গ্রাস তুলে নেয়। যে স্বরে পড়ুন
কবিতা | | ৪ টি মন্তব্য | ২১ বার দেখা | ৯৮ শব্দ ১টি ছবি
অমৃতের ঢোক
কমলা-ত্বকী
সবুজ খোলসে
পাক ধরেছে সোনালী পরশে।
ঝাঁঝালো ত্বকে বিদ্যমান কুসুম, সবুজ ঘ্রাণ,
অম্ল যশে উসকে দিচ্ছো- লালাময় জিহ্বার কাহিনী,
আকণ্ঠ পান,
টসটসে গ্র্যান্ড রসের ভুক! মরি পিয়াসে!!
তাম্র তিয়াসে দহনে পুড়েছে বুক
একি নিপুণ ফাঁদ!
নন্দিত উন্মাদ! অমৃতের ঢোক!!! দা উ দু পড়ুন
কবিতা | | ৩ টি মন্তব্য | ৩২ বার দেখা | ৪৪ শব্দ ১টি ছবি
কাঁদাকর দিন
চিবুক তোল
নিভিয়ে দেবো চাঁদের অহংকার
আঁখি খোল
থামিয়ে দেবো নীল নদের জোয়ার
ভাঙ্গুক আকাশ তুমুল গর্জনে ,
তুমি তোমার চুল ছাড়ো
দীর্ঘশ্বাস নামুক মেঘের বনে
উড়াল দেবো যুগল পাহাড়ে
উসুলে ঝড়ো আবেগে
রোদ্দুর মাখুক লাল গোলাপের বাগান
যতো পারে
লজ্জায় মরুক- জোড়া শামুক
অমৃত হোক আমাদের কাঁদাকর দিন
তারপর পড়ুন
কবিতা | | ১টি মন্তব্য | ২২ বার দেখা | ৪৮ শব্দ ১টি ছবি
জেদ চাপে
জেদ চেপে বসলে
অনলে, উত্তাপে কাঁপে দেহ
মূর্ত চোখে- কটমট রাগ
ঝড়ো তাণ্ডব বয়ে যায় বুকে!
ব্যাস
শুধু শেষ দেখতে চাই- অশেষ বাক্যের, অশ্লেষার, অশ্লীলতার, অসভ্যতার
তরবারিতে শাণ দিই
বালিতে,
অশ্রুর রেখায় রোদ্দুর ঝিলিক,
ব্যাঙ্গ ভঙ্গিমা
রোজ রোজ ভেল্কি ছাপে খবরের কাগজে, বড় বড় কলামে;
নিখোঁজ ব্যক্তির পাশে পড়ুন
কবিতা | | ২ টি মন্তব্য | ২১ বার দেখা | ১১৫ শব্দ ১টি ছবি
কালের উচ্চারণ
আমি তো
অতটা বিদ্বান নই
নেই গোলামীর যোগ্য সনদ!
অথবা, উপভোগ্য কোন জোকার নই
সার্কাসের বামুন নই-
আমি কালের উচ্চারণ! এক মহা যুদ্ধ শেষে
মাঘের শীত জড়ানো গোধূলি রঙ মেখে জন্মেছিলাম, সেদ্ধ ধানের গন্ধে, ক্ষণ জয়ে
মোহন সান্দ্রে মামুলি উল্কা পতনে, অমোঘ উচ্চারণে
কিন্তু- আমি ধ্বনি পড়ুন
কবিতা | | ১টি মন্তব্য | ১৮ বার দেখা | ৯৫ শব্দ ১টি ছবি
বিদায় যে দেয়, অবলীলায় বেড়ে যায় তার গ্লানি
ওরা আসে
ফের চলে যায়
বিদেশ বিভূঁইয়ে- দূর প্রবাসে
ওদের কাড়াকাড়ি অর্থ বিত্ত
দামী বাড়ি গাড়ী,
ঢের সারা স্বপ্ন ফেরি
পারফিউমের সুবাসে মাতায় চিত্ত! আমি পড়ে থাকি আমার মৃত্তিকায়, একা একা গল্প করি-
স্মৃতি বিন্যাসে
নীরব দীর্ঘশ্বাসে! ফিরি ভাটির কূলে, শিশির ভেজা ঘাসফুলে, পান্তা ভাতে, বাসী ঝোলে,
হাঁটি- পড়ুন
কবিতা | | ৫ টি মন্তব্য | ২৫ বার দেখা | ১৩০ শব্দ ১টি ছবি
ঋনী করো
এসো,
আমাকে ঋণী করো
মনে প্রাণে
যৌবনে প্লাবনে
করো ঋণে ঋণে জর্জরিত,
বিদীর্ণ করো
অঙ্গার করো
করো জীর্ণ কুন্তল, নিষ্প্রভ;
বিবাগী করো
উদগ্রীব করো
এই জন্মে যা শোধ অসম্ভব!
করো ঘায়েল
রুদ্ধ পায়েল
ঋণের শৃঙ্খলে হই দেউলিয়া প্রেমিক
প্রেমে- উদ্যমে
গুপ্ত সঙ্গমে
তোমাতেই করো সুরলিয়াজমের সৈনিক! দা উ দু ল ই স লা ম। পড়ুন
কবিতা | | ২ টি মন্তব্য | ৩১ বার দেখা | ৪৩ শব্দ
আ মান...
আলো-
আগুনের গুণ,
আগুন নয়
আলো জ্বালো স্ব- গুণে
আলোতে
আমূল দেখবো,
আর
আশু মুক্তি,
আমরণ
আঁকবো আগুনের দ্যুতি ;
আকাশ
আঁকবো আড়ালের জ্যোতি!
আঁকতে
আঁকতে
আগুন হবো – গুণেবিকিরণে
আলোর স্রোত
আলোর আকুতি
আর্তি
আশেকের অন্তরে
আদি স্বর, সুর, জিকির;
আলীফে আল্লাহ
আসমানী আসরে ধ্রুপদী মহাকাল!
আবেগে
আত্ম উতসর্গপবিত্র আলোয় বিন্দুমান
আমি।
আমান তুবিল্লাহ, দা উ দু ল ই স লা ম পড়ুন
কবিতা | ৫ টি মন্তব্য | ৭৬ বার দেখা | ৪০ শব্দ
টোকা
নিরেট প্রদীপ রেখা
ছুঁয়ে
যায়
ধ্রুপদী মুখ
চোখের কোটরে জমে থাকা
শীতল সুখ
ছুঁয়ে যায়
সংগুপ্ত উত্তাপঘর্মার্ত বুক
নীলকণ্ঠী রাত
নিপাট অন্ধকার
মৃদু হাওয়া
খেলা করে সুগন্ধ মোহন চুলে গ্রীবার উপর আমার তপ্ত নিশ্বাস-
আচমকা ! বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ার
তোমার
রুদ্ধ
কপাটে পড়ে
টোকা ! দা উ দু ল পড়ুন
কবিতা | | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪০ বার দেখা | ৪২ শব্দ ১টি ছবি
তেঁতো রুটি
চাঁদের বুকে জ্বলসানো হাত। কালের দহন।
তবুও শিশির নামে। উন্মুক্ত শৈল প্রপাত। দেহ পেলে দেহ, মন পেলে মন।
আগলের ঝাপ তুলে ফুলেরা যুক্ত হয় জ্যোৎস্না মন্থন উৎসবে। অধরা পবন।
তখন এক মুহূর্তের জন্য হৃদয় উষ্ণ হয়ে উঠে-
ইচ্ছে পড়ুন
কবিতা | | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৮ বার দেখা | ৭৩ শব্দ ১টি ছবি
চতুষ্পদী
১।
আমাকে যে হাসতে শিখিয়ে ছিল- তিনি নিজের হাসি ভুলে, হয়েছিলেন নির্বিকার
আমি দ্বিতীয় বার চোখ তুলে তাকাতে পারিনি-
কেবল জেনে ছিলাম- হাসির অধিকার হারিয়ে গেলে সখ্য গড়ে দুরারোগ্য বিমার! ২।
দৃঢ় প্রেম বলতে কিছুই নেই। সময়ের সদ ব্যবহার, আর মোক্ষম কিছু পড়ুন
কবিতা | | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬১ বার দেখা | ১০৭ শব্দ ১টি ছবি