সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২ বিভাগের সব লেখা

আদর্শ বাবা
ছেলেটি ভারি বিরক্ত করছে। মা কিছুতেই সুস্থ মনে রান্না করতে পারছেন না। কখনও ভাঁড়ারের সবজি ছড়াচ্ছে তো কখনও আবার কলসীর জলের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে জল ছেটাচ্ছে ৷পরক্ষণে আবার মায়ের আঁচল ধরে টানাটানি করছে ৷
– কী চাস বলতো? আমাকে রান্না করতে দিবি না পড়ুন
অণুগল্প | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৪৭ বার দেখা | ৫০০ শব্দ
গন্ধ ছড়ুক
গন্ধ ছড়ুক
মেজ ছেলে তুরজাউল সরকার আকুক
তুমি কি জানো এই দিনে উয়া- উয়া শব্দ
আওয়াজ,পৃথিবীকে আলোকিত করেছে?
গ্রাম বাংলার ধূলি বালি, শহরে অট্টালিকার ইট
পাথরে ঘসে- ঘসে আটটি বছরে পা দিলে !
জন্মদিন উপলক্ষ্যে নতুন কাপড় জুতা কিনলে।
অথচ গত বছরের কথা ভুলে গেলে শুধু
চোখে মুখে দুরন্তপনা, পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৬ বার দেখা | ৭৭ শব্দ ১টি ছবি
পাথরের পরী
পাথরের পরী। একটা ডানা ভেঙে গেল সেদিন। তাকিয়ে ছিল নিষ্পলক ছবি অস্পষ্ট। যেভাবে স্বচ্ছ জল সবুজ হয় অনাদরে। এসব জঞ্জাল আধুনিকে এসে জলাঞ্জলি দিতে দিতে কিছু এন্টিক। তবুও তো রাজপ্রাসাদ কত আত্মার অভিশাপ নিয়ে বেঁচে আছে। এখানে গুপ্তধন কে পায়? অথচ যে পায় পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৮ বার দেখা | ৭৮ শব্দ
আগমনীর প্রারম্ভ মূহুর্তে
আগমনীর প্রারম্ভ মূহুর্তে
সেই কালো ছেলেটা দেখছিল।
এই সময়টায় এবং
শুধুমাত্র এই সময়টায় সে সময় পায়
তার রূপকথার পৃথিবীটা কেমন
আস্তে আস্তে মাথা তুলছে। কালো অ্যাসফল্টের রাস্তার অর্দ্ধেক জুড়ে
ও পাশের একফালি ফাঁকা জায়গায়
কয়েকদিনের সমূহ ব্যস্ততা,
কত রকমারী জিনিসপত্র জোড়াতালি
কত মানুষের আনাগোনায়
কখনো রাজপ্রাসাদ, কখনো প্রেমের দূর্গ। ছেলেটা এত শত বোঝেনাকো,
বোঝার কিম্বা ওগুলো ছোঁয়ার কোনো
মৌলিক অধিকারও পড়ুন
কবিতা, জীবন | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৮ বার দেখা | ১৯২ শব্দ ১টি ছবি
শৈশব স্মৃতি রাজাকার
হঠাৎ মনে পড়ল; শৈশবে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলতাম। আমাদের অস্ত্র ছিল বাঁশের গুলতি। দেশ সদ্য স্বাধীন হয়েছে পাকি জারজদের স্মৃতি মনে জ্বলজ্বল করছে। পাকিরা পালিয়েছে দেশে রয়ে গেছে তাদের দুষ্কর্মের সাথী। এখানে সেখানে রাজাকারের বাচ্চা গুলো ধরা পড়ছে, মানুষ ইচ্ছেমতো চড়, কিল, থাপ্পর দিচ্ছে। রাজাকার পড়ুন
জীবন | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৪ বার দেখা | ২২৭ শব্দ
পরিচয়
এখনো আছে বহু বিভেদ সমাজে
শিক্ষিত যারা পায় না মান
মূর্খেরা আজ পাচ্ছে সম্মান
অসৎ করছে সুবিধা ভোগ রাজে। রক্ত তবে সবার একই, ওই লাল
হৃদয় হয়ত বা একই নয় পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৭ বার দেখা | ১৩৩ শব্দ
কথিকা ০৯
ঘাসের ডগায় শিশির কণা সূর্য হয়ে হাসে
মনের যত দুঃখ স্মৃতি খেয়ার স্রোতে ভাসে। জোছনা মাখা রুপালী চাঁদ হাত বাড়িয়ে ডাকে
কি হবে সুখ-স্মৃতি খুঁড়ে, দুঃখ নদীর বাঁকে। পড়ুন
কবিতা, জীবন | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৭ বার দেখা | ২৬ শব্দ
গুড়ের চা
চার
মা কোনওদিন হেডমিস হতে পারবে না। হেডমিসের কেমন দূর-ময়না গলার আওয়াজ, যে-কোনও “ভাল্লাগে না” সারিয়ে দেওয়া হাসি, পাট-পাট শাড়ির কুচি, রাস্তা দিয়ে এক-ঢেউয়ে হেঁটে যাওয়া আর মা তো ব্লাউজই পরে না। চাঁদের দিদি প্রতিদিন মিসের সঙ্গে স্কুলে যায়। চাঁদও হেডমিসের পাশাপাশি এক-ঘোরের মধ্যে হেঁটে পড়ুন
জীবন | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৯ বার দেখা | ১১২৩ শব্দ
সৈয়দপুত্র, তোমাকে
তুমি বংশী বাজাচ্ছো নদী! তুমি গাইছো বিচ্ছেদী গান!
এখন এখানে রাত হচ্ছে,জোনাকীরা আরও কিছু আলো
দেবে বলে, লুকাচ্ছে পাতার আড়ালে।পদ্মা তার প্রণয়
সাজিয়ে প্রতীক্ষা করছে পানশীর।মাঝি এসে
ছলাৎছলাৎ শব্দে- যে ঢেউয়ে ফেলবে বৈঠার বিনয়। তুমি নক্ষত্র সাজাচ্ছো চাঁদ! তোমাকে মধ্যমণি করে
বিলাপ কীর্তনে, মাতবে যারা- দ্যাখো, তার জন্য কারা
সাজাচ্ছে শরতের পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৬ বার দেখা | ৬৩ শব্দ