সেপ্টেম্বর ২০২২ বিভাগের সব লেখা

এই জনমের আগে
এই জনমের আগে
শীতের মধ্য রাত
রাতজাগা পাখির ডানা ঝাপটানোর শব্দে
ঘুম ভেঙে যায়
মনে পড়ে যায় এই দেশে এই পথে
এসেছিলাম এর আগে
এই জনমের আগে
আরো একবার শতবার কিংবা সহস্রবার। এই আনাচের ক্ষেত
এই ধুন্দল মটর মশুর ডালের ক্ষেত পেরিয়ে
এই জলাশয়ে জাগ দেয়া পাট শুকানোর ঘ্রাণ পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ১৩ বার দেখা | ১৬৫ শব্দ ১টি ছবি
আদর্শ বাবা
ছেলেটি ভারি বিরক্ত করছে। মা কিছুতেই সুস্থ মনে রান্না করতে পারছেন না। কখনও ভাঁড়ারের সবজি ছড়াচ্ছে তো কখনও আবার কলসীর জলের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে জল ছেটাচ্ছে ৷পরক্ষণে আবার মায়ের আঁচল ধরে টানাটানি করছে ৷
– কী চাস বলতো? আমাকে রান্না করতে দিবি না পড়ুন
অণুগল্প | ৩ টি মন্তব্য | ৫৫ বার দেখা | ৫০০ শব্দ
গন্ধ ছড়ুক
গন্ধ ছড়ুক
মেজ ছেলে তুরজাউল সরকার আকুক
তুমি কি জানো এই দিনে উয়া- উয়া শব্দ
আওয়াজ,পৃথিবীকে আলোকিত করেছে?
গ্রাম বাংলার ধূলি বালি, শহরে অট্টালিকার ইট
পাথরে ঘসে- ঘসে আটটি বছরে পা দিলে !
জন্মদিন উপলক্ষ্যে নতুন কাপড় জুতা কিনলে।
অথচ গত বছরের কথা ভুলে গেলে শুধু
চোখে মুখে দুরন্তপনা, পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | ১৭ বার দেখা | ৭৭ শব্দ ১টি ছবি
পাথরের পরী
পাথরের পরী। একটা ডানা ভেঙে গেল সেদিন। তাকিয়ে ছিল নিষ্পলক ছবি অস্পষ্ট। যেভাবে স্বচ্ছ জল সবুজ হয় অনাদরে। এসব জঞ্জাল আধুনিকে এসে জলাঞ্জলি দিতে দিতে কিছু এন্টিক। তবুও তো রাজপ্রাসাদ কত আত্মার অভিশাপ নিয়ে বেঁচে আছে। এখানে গুপ্তধন কে পায়? অথচ যে পায় পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ২৫ বার দেখা | ৭৮ শব্দ
কালো চশমার ফাঁক ফোকর
কালো চশমার ফাঁক ফোকর
সেই থেকে তোমার দেশে শরৎকাল আসলে
আমার দেশে বর্ষার প্লাবন আসে।
শরতের পর শীতকাল তখন তুমি দামী
কম্বলের উষ্ণতায় ঠোঁটের সাথে ঠোঁট মিলাও। আমি তখন প্রকৃতির সাথে লড়াই করি
ভাগ্য বদলে দিগভ্রান্ত হয়ে ছুটে বেড়াই
প্রকৃতির মত মানুষগুলিও হয়তো পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ২০ বার দেখা | ৯৬ শব্দ ১টি ছবি
অতীত যত সব কিছুতে গল্প হয়ে ভাসে
বিস্তীর্ণ মাঠ হৃদয় মাঝে/ দূর হতে যে নুপুর ধ্বনি শুনি
দেয়াল গাঁথা শব্দগুলো প্রতিধ্বনি হয়/অপেক্ষাতে তোমার প্রহরগুনি। বুঝতে পারি এসব আবেগ/তোমার বিবেকে নয়
ভালোবাসায় দিতে পারো বাঁধা/করতে পারো তুমি যে নয় ছয়। তবুও মন মানে না কোন বাঁধা/মিথ্যা জ্বালাও তোমার প্রেমের আলো।
অতীত যত সব কিছুতে গল্প হয়ে ভাসে/একটু পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ১৬ বার দেখা | ৪৯ শব্দ
কথা শূন্যতা
কথা শূন্যতা
সব বক্তব্য এক একে হারিয়ে যাচ্ছে
কথাশূন্যতা গ্রাস করেছে
দূরের ওই শাল্মলী বৃক্ষকে
আমার উন্মুক্ত দুটি চোখ দেখে
তোমার সদরে চলে যাওয়া
আমারই বুক মাড়িয়ে
নীল বিষে ভোরে গেছে
পরিত্যক্ত ক্লান্ত রাত,
আর ফিরো না –
অচঞ্চল এগিয়ে যাও। আমার পরিপূর্ণ সম্মতি রইল
এত ঘৃণায় ভরা ভালোবাসা
না হয় নাই বা দিলে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ১১ বার দেখা | ৪১ শব্দ ১টি ছবি
আগমনীর প্রারম্ভ মূহুর্তে
আগমনীর প্রারম্ভ মূহুর্তে
সেই কালো ছেলেটা দেখছিল।
এই সময়টায় এবং
শুধুমাত্র এই সময়টায় সে সময় পায়
তার রূপকথার পৃথিবীটা কেমন
আস্তে আস্তে মাথা তুলছে। কালো অ্যাসফল্টের রাস্তার অর্দ্ধেক জুড়ে
ও পাশের একফালি ফাঁকা জায়গায়
কয়েকদিনের সমূহ ব্যস্ততা,
কত রকমারী জিনিসপত্র জোড়াতালি
কত মানুষের আনাগোনায়
কখনো রাজপ্রাসাদ, কখনো প্রেমের দূর্গ। ছেলেটা এত শত বোঝেনাকো,
বোঝার কিম্বা ওগুলো ছোঁয়ার কোনো
মৌলিক অধিকারও পড়ুন
কবিতা, জীবন | ১টি মন্তব্য | ১৪ বার দেখা | ১৯২ শব্দ ১টি ছবি
শৈশব স্মৃতি রাজাকার
হঠাৎ মনে পড়ল; শৈশবে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলতাম। আমাদের অস্ত্র ছিল বাঁশের গুলতি। দেশ সদ্য স্বাধীন হয়েছে পাকি জারজদের স্মৃতি মনে জ্বলজ্বল করছে। পাকিরা পালিয়েছে দেশে রয়ে গেছে তাদের দুষ্কর্মের সাথী। এখানে সেখানে রাজাকারের বাচ্চা গুলো ধরা পড়ছে, মানুষ ইচ্ছেমতো চড়, কিল, থাপ্পর দিচ্ছে। রাজাকার পড়ুন
জীবন | ১টি মন্তব্য | ১৪ বার দেখা | ২২৭ শব্দ
পরিচয়
এখনো আছে বহু বিভেদ সমাজে
শিক্ষিত যারা পায় না মান
মূর্খেরা আজ পাচ্ছে সম্মান
অসৎ করছে সুবিধা ভোগ রাজে। রক্ত তবে সবার একই, ওই লাল
হৃদয় হয়ত বা একই নয় পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ১৮ বার দেখা | ১৩৩ শব্দ
কথিকা ০৯
ঘাসের ডগায় শিশির কণা সূর্য হয়ে হাসে
মনের যত দুঃখ স্মৃতি খেয়ার স্রোতে ভাসে। জোছনা মাখা রুপালী চাঁদ হাত বাড়িয়ে ডাকে
কি হবে সুখ-স্মৃতি খুঁড়ে, দুঃখ নদীর বাঁকে। পড়ুন
কবিতা, জীবন | ১টি মন্তব্য | ১৪ বার দেখা | ২৬ শব্দ
গুড়ের চা
চার
মা কোনওদিন হেডমিস হতে পারবে না। হেডমিসের কেমন দূর-ময়না গলার আওয়াজ, যে-কোনও “ভাল্লাগে না” সারিয়ে দেওয়া হাসি, পাট-পাট শাড়ির কুচি, রাস্তা দিয়ে এক-ঢেউয়ে হেঁটে যাওয়া আর মা তো ব্লাউজই পরে না। চাঁদের দিদি প্রতিদিন মিসের সঙ্গে স্কুলে যায়। চাঁদও হেডমিসের পাশাপাশি এক-ঘোরের মধ্যে হেঁটে পড়ুন
জীবন | ১টি মন্তব্য | ১৪ বার দেখা | ১১২৩ শব্দ
সৈয়দপুত্র, তোমাকে
তুমি বংশী বাজাচ্ছো নদী! তুমি গাইছো বিচ্ছেদী গান!
এখন এখানে রাত হচ্ছে,জোনাকীরা আরও কিছু আলো
দেবে বলে, লুকাচ্ছে পাতার আড়ালে।পদ্মা তার প্রণয়
সাজিয়ে প্রতীক্ষা করছে পানশীর।মাঝি এসে
ছলাৎছলাৎ শব্দে- যে ঢেউয়ে ফেলবে বৈঠার বিনয়। তুমি নক্ষত্র সাজাচ্ছো চাঁদ! তোমাকে মধ্যমণি করে
বিলাপ কীর্তনে, মাতবে যারা- দ্যাখো, তার জন্য কারা
সাজাচ্ছে শরতের পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ১২ বার দেখা | ৬৩ শব্দ
কবিতার দ্রোহ ও সুরূপা
কবিদের শহরে আজ বসন্ত নেই,
বড্ড ক্লান্ত আমি-
পাণ্ডুলিপির পাতাগুলো অনাদরে,
পড়ে আছে বেনামি প্রকাশনীর দোকানে। কবিতার চাষাবাদে শৈল্পিক আবহ নাই,
নাই, কথাদের সহাস্য মেলবন্ধন!
বিরহ-বিরস বদনে কবি সত্তা-
মস্তিষ্কের বেকার খাটুনি। কবিতার শহরটা টানছে না দিন কয়েক,
বোবা শব্দে প্রেমানুভূতি অলীক,
পাণ্ডুলিপি পড়ে থাক দোকানে-
অসাড়তা আঁকড়ে ধরেছে। মিথ্যার চর্চা শিখে গেছি আমি,
দু’চারি কথায় বেশ পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | ৮৭ বার দেখা | ১২১ শব্দ
ক্যাসেটের গান
সন্ধ্যার আকাশে উড়ছে প্রখর চাঁদ
থকথকে প্রসূত প্রহর যেন হলদেটে
লোকালয়-দূরের নৈঋত গুল্মবীথি
আস্তবাড়ির ওধারে চৈতি জ্যোৎস্না-
সবুজ কিশোরী, শহরজুড়ে আজ
পেপারওয়েটে চাপানো চশমার কাঁচ
অনিদ্রা বিষাদের অলীক মুখ ছুঁয়ে
অনার্য ভালোবেসে ক্যাসেটের গান
এখানে বুনেছে সুখ, সখের দাগ- এইসব অন্তহীন ঠিকানা ফের আসে
শীতল বার্তায়-শব্দহীন, নিজেদের হাড়ে
জ্বলে ওঠে সুরের অতিথি-ক্রন্দসী জ্বর পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ১৫ বার দেখা | ৪২ শব্দ