ছড়া ও পদ্য বিভাগের সব লেখা

রঙ্গভঙ্গ
আমার বাড়ি কাঁচের চুড়ি
আছে তবে ভূরি ভূরি
হয়ে গেছে কালকে চুরি
তা নিয়েছে কানা বুড়ি। চুরি করা বুড়ির পেশা
রাতে বেলা করে নেশা
অবাধ তাহার মেলামেশা
পর জিনিসের প্রতি রেষা। চুরি করে বাড়ি করে
নিজের মতো পথটি ধরে
নিজের স্বার্থে নিজের তরে
পাপে পাপে গেছে ভরে। গ্রামের ভিতর সেরা বাড়ি
চুরি করে বড় গাড়ি
আছে তাহার চাঁদে পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২০০ বার দেখা | ৬০ শব্দ
মোটা বউ
বউটি তাহার অতি মোটা জায়গা হয় না খাটে
শোবার কালে বিবাদ লাগে নিত্য দিনের রাতে।
ছোট্ট তাদের খাটটি রে ভাই আঁটবে পাতলা মানুষ,
কে যেন রে বাতাস দিয়ে ফুলে রাখে ফানুস। ঘুরে শোবার কালে স্বামী খাটটি থেকে পড়ে
ঘুমের ঘোরে হঠাৎ করে খাটটি চেপে ধরে।
মোটা হওয়া অতি জ্বালা সব পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১২০ বার দেখা | ১২৯ শব্দ
শিক্ষিত হও
শিক্ষিত হও খোকা সোনা
দূর করো সব কালো,
আঁধার ভেদে ছিনে আনে
ধরার বুকে আলো। অজ্ঞতার ওই কালো ছায়া
দূর করিবে তুমি,
মাতৃ সম তোমার খোকা
মাতৃ জনম ভূমি। জাগাবে হে নবীন সমাজ
দেখাবে আলোর মেলা,
যা দেখে সব খেলবে সদা
নতুন আলোর খেলা। পৃথিবীর সব জরাজীর্ণ
কাটাবে যে খোকা,
বৃথা সময় নষ্ট করলে
হবে তুমি বোকা। নতুন নতুন স্বপ্ন পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৬১ বার দেখা | ৫৪ শব্দ
গানের পাখি
ময়না পাখির কাছে আমার
গান শেখারি আশা,
আমার কাছে সুন্দর লাগে
ময়না পাখির ভাষা। ময়না পাখির গানটি ভালো
হৃদয় লাগে ভালো ,
ময়না পাখির পালক গুলো
ভীষণ ভীষণ কালো। ধরার বুকে অনেক পাখি
আছে তবে ভরা,
তাদের মধ্যে ময়না পাখি
বলে শুধু ছড়া। দোয়েল কোয়েল ময়না ফিঙে
আছে নানা পাখি,
তাদের মধ্যে আপন করে
ময়না টাকে রাখি। ঠোঁটের আগায় হলুদ পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৩৫ বার দেখা | ৫৩ শব্দ
বিদায়কালে
বিদায়বেলা স্বামীর কোলে
মাথা রাখতে চাই
সুখের সাথী দুখের সাথী
তিনি ছিলেন তাই। স্বামীর কোলে মরণে সুখ
অন্য কোথা নাই,
বিধির কাছে মোর মিনতি
এমন যেন পাই। স্বামীই হলো মাথার তাজ
সব সুখের মূল,
জীবন মুখে জীবনে সব
ধরে দিতেন ভূল। সাত জনমে বাঁধনে বাধা
স্বামীর সাথে মোর,
তাহার সাথে কাটুক গানে
সাত জনমে ভোর। শেষে বিদায় নেবো যেদিন
আমি পৃথিবী পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৬০ বার দেখা | ৫০ শব্দ
খড়ির ভাগ্য
খড়ির ভাগ্য
বাড়িতে আগে দেখেনি তাকে,
সে কেগো মা, জিজ্ঞাসি মাকে।
এ কি, মানুষের নাম, ‘খড়ি’ ?
তোর কি তাতে, জ্বালায় মরি। মা যে বিরক্ত, করি প্রস্থান,
ভাবি, আমারই নেই জ্ঞান।
চাঁদ দেখি, বসি জানালেতে,
মা পাঠালে দুধ, খড়ির হাতে। খাবে এ তুমি, বলি আমি হেসে,
মুখখানি তার হলো ফ্যাকাসে।
জোর করে পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১২১ বার দেখা | ১২৯ শব্দ ১টি ছবি
আপন ঘর
আপন ঘর
আপন কুটির ছোটো হলে
আপনজনে রয়,
মন আনন্দে নেচে গেয়ে
থাকে নাকো ভয়। আপন কুটির খড়ের ছাওনি
রয়েছে মোর সব,
সেথায় আছে স্বাধীনতা
নাহি কলরব। ইট পাথরের দালান দিলাম
সুখ যে তাতে নাই,
এমন প্রাসাদ থাকার চেয়ে
নাহি ভালো ভাই। চড়ুই পাখির মতো পরের
ঘরে থাকা সুখ,
বাবুইপাখির আপন বাসায়
সহ্য করে দুখ। আপন হাতের তৈরি পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৮৫ বার দেখা | ৪৮ শব্দ ১টি ছবি
জীবন তরী
যাবি কে আয় পাল তোলা নায়
ফুলজোড়র নদীর দেশে,
মন মোহিনী প্রেম কাহিনী
ভাসবি সুখে শেষে। নাওয়া খাওয়া নাহি পাওয়া
নদীর জলে তরী,
শাপলা ফুলে শালুক তুলে
আঁচল গেছে ভরি। ফুলজোড় নদী আমরা যদি
না ভেসে ওই চলি,
হাওয়ায় দোলে মনটা খোলে
শুধু গানই বলি। দলে ভাসে নাহি আসে
ওই না নদীর তীরে
নদীর কাছে মানুষ আছে
আপনজন পায় পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২০৩ বার দেখা | ৫৮ শব্দ
কর্মের জন্য
থেকো না আর ঘরের কোণে
কাজে লাগাও মন,
কাজে করলে পাবে তুমি
গুপ্ত ওই না ধন। যত থাকবে তন্দ্রা ঘোরে
কেটে যাবে দিন,
বসে বসে বাড়বে তোমার
নিত্য দিনে ঋণ। আলসেমি না করে তবে
কাজের খোঁজে চল
যতই হোক সে কাজটা কঠিন
পাবে সুন্দর ফল। মুক্তা আনতে সাগর জলে
দিতে হবে ডুব,
তা ছাড়া কি মুক্তা পাবে
থাক না পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৮০ বার দেখা | ৫৯ শব্দ
ডাকপিয়ন ও চিঠি
ডাকপিয়ন ও চিঠি
মুঠোফোনের প্রেমে পড়ে
চিঠির চলন নাই,
বসে বসে ডাক পিয়নে
মাগনা হাওয়া খাই। আগের যুগে চিঠির চলন
নেই তুলনা তার,
ক্ষুদে বার্তার জন্য তবে
দেয় না চিঠি আর। সুন্দর ভাষা দিয়ে রে ওই
চিঠি লেখা হয়,
ডাক পিয়নই ডাক ঘরেতে
চিঠিবিহীন রয়। মুঠোফোনে কথা বলা
মুঠোফোনই সব,
বর্তমান ওই চিঠি খানা
রহম করো রব। আগের যুগে পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৪৪ বার দেখা | ৫২ শব্দ ১টি ছবি
কন্যা সন্তান
কন্যা সন্তান
বাপের বাড়ি যাবার কালে
খুশি কন্যার মন,
কত কিছু ভাবে সদা
শুধুই ক্ষণে ক্ষণ। বাপের গৃহে এলে কন্যার
দৃঢ় মনো’বল
স্বামীর গৃহে যাবার কালে
চোখে আসে জল। সুখে দুখে জীবন তরী
বাপের গৃহে টান,
ঘাত প্রতিঘাত জীবন মুখে
মান আর অভি’মান। বাপের গৃহে থেকে কন্যার
বেলা গেছে ওই,
স্বামীর গৃহে নেইতো কোথা
প্রাণের প্রিয় সই। বাপের পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৮৬ বার দেখা | ৬০ শব্দ ১টি ছবি
খুলে দাও বিদ্যাপীঠ
মাগো তুমি বলতে পারো
স্কুল কবে খুলবে
গুরুর সাথে সবাই মিলে
নানা ছড়া বলবে। কবে থেকে বন্ধ আছে
ওই না স্কুল কলেজ
তাতে কি মা বৃদ্ধি পাবো
সব শিশুদের নলেজ। ঘরে বসে সময় কাটে
যাই না কভু বেলা,
একা একা করি শুধু
আমি নিজে খেলা। কি যে করি ভেবে না পায়
বলো না মা কিছু,
জ্ঞানে গুণে রয়েছি পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৬১ বার দেখা | ৫৮ শব্দ
আমার মা
আমার মা ৩৩৩১ মাগো মোর মনে হয়
সাত রাজার ধন
তোমার ওই জন্য মোর
কাঁদে এই মন। ছোট কাল কত খেল
তোমার ওই সাথ,
কাছে মা থেকে ওই
গেছে তো রাত। সুখ দুখে মা তুমি
আলো তো মোর,
আসে ওই যত ঝড়
কাটবে যে ঘোর। বাপ ছাড়া মা সন্তান
মিল করে ভাই, পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১০৮ বার দেখা | ৬৪ শব্দ
গর্দিশ
হঠাৎ করে পা’ মচকে
চিৎপটাং রাস্তায়
আশেপাশে কেউ ছিলোনা
তুলে ধরবে– আস্থায়! অগত্যা ঘর ফিরতে হলো
কাজের কাজ ভুলে
ঘরে পৌঁছে বুঝতে পারি
পা’টাও গেছে ফুলে। খানিকটাপর শীতে শরীর
কাঁপলো থরথর
থার্মোমিটার জানান দিলো
গায়ে ভীষণ জ্বর। এখন আমি সজ্জাসায়ী
বন্ধুরা সব কাজে
মোবাইল ফোনে টিপেটিপে
লিখছি পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৫৫ বার দেখা | ৪৫ শব্দ
রাজাধিরাজ
রাজাধিরাজ
জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব ৪৪৪২ ধরা চলে প্রভুর কথায়
বুঝবে সবে কবে,
তার ইশারায় সূর্য ওঠে
মালিক তিনি ভবে। পাখির গানে মুগ্ধ সবাই
সৃষ্টিকর্তার লীলা
ধরার অপার সৌন্দর্য যে
প্রভু ক্যামনে দিলা। তুমি হলে রাজাধিরাজ
সকল কিছুর স্রষ্টা
তোমার দেওয়া বিধানে না
চললে সে পথ ভ্রষ্টা। নিয়ামতের শোকর পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩০৬ বার দেখা | ৭১ শব্দ