কবিতা বিভাগের সব লেখা

দাস- ইতিহাস
ওই যারা ঘাড় উঁচু সূর্যটা দেখতে গিয়ে
বেমালুম চুর্ করে মালাইচাকিটা,
নাম কাটা যায় তার দৌড়সারিতে
আর পাঁচটা গড়-পড়তা কাঁধে কাঁধ দিতে। রাজপথের আদত নির্মিতিই যেন
বহমান প্রাণমিছিল উগলে দিতে,
এবং এ সংসার যার সঙ্গে বাধ্যতার কালই কাটায় সে-ই বা কীভাবে পেরে ওঠে
ঝিম্ মেরে সেঁটে যেতে
চলন্ত রাস্তা- বিপরীতে। আজ নয় ন্যালাক্ষ্যাপা পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪১ বার দেখা | ৭৬ শব্দ
তুই চোখের আড়াল, নয় ঠোঁটের আড়াল
তুই চোখের আড়াল, নয় ঠোঁটের আড়াল
তুই চোখের আড়াল হতে পারিস, ঠোঁটের আড়াল নয়,
তোর সাথেই রোজ সকালে বাড়াই প্রণয়,
তুই দূরে কিংবা থাকিস কাছে, তোকে পেলেই যে তৃপ্তি,
এক চুমুকে তোকে গিলি, দেহে ফুরফুরে আলোর দীপ্তি। তুই হাত ছুঁয়ে থাকিস, থাকিস জিভ ছুঁয়ে,
তোকে টেনে নেই ঠোঁটে মায়াবি এক ফুঁয়ে,
তোকে পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৯ বার দেখা | ১৪৩ শব্দ ১টি ছবি
আর কিছু হই বা না হই
আর কিছু হই বা না হই
পরের জন্মে আমি আয়না হবো,
তোমার ঘরের আয়না হবো।
কাজল দেবার ছল্ করে চোখে চোখ রেখে
চুপটি করে দেখবো তোমায়। আর কিছু হই বা না হই,
পরের জন্মে ঠিকই আমি তোমার কপালে টিপ হবো।
মাতাল ওই ঠোঁটে লাল লিপিস্টিক হবো। আর কিছু হই পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৫ বার দেখা | ১৩২ শব্দ ১টি ছবি
হাসির পুনর্লিখন
যা কিছু দেখছি তার কোনো শরীর নেই
স্যাঁতসেঁতে রাস্তায় নিজেকে দাঁড় করিয়ে
শাদা রেসের ঘোড়া দেখি-জ্বালানি খেয়ে
ছুটছে বুনো হুইসেল, লাল হলুদ বাতিগুলো তুমুল স্যাডনেসে হাসা ছাড়া উপায় কী,
নদীপাড়ের তিতপুঁটির মতো লাফাচ্ছি
লজ্জা চেপে, এমন চাবুকের তলে
ম্যানহোলে নেমে পড়া মানুষ প্রচুর ভাত
কুড়োচ্ছে। শরীর কেটেকুটে রোদ বেরোয়-
সহজ অনুবাদে সফল হাসির পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৮ বার দেখা | ৬৭ শব্দ
মায়ের প্রস্থান নাই
মায়ের প্রস্থান নাই
মাটির গন্ধে মিশে থাকে
নিবিড়তার সুবাস,
শব যাত্রীরা চলে গেলে-
পড়ে থাকে দীর্ঘশ্বাস!
দূর আকাশে উড়ে যায়
স্বজনের কান্না
চল্লিশ কদমে স্মৃতির সংলাপ
বিশদ বিলাপ-
নিষিক্ত বীণা
চোখে চোখে মায়ার মন্থন
ডুকরে কাঁদে কন্যারা, পুত্রের বুকে গুপ্ত ক্ষরণ
অসহায় কণ্ঠ জড়িয়ে আসে
দূর কৈলাসে ভালো নেই হিমাংশুর মন; আজ বুঝি অবুঝ সবাই।
সান্ত্বনার পরশে-
কাছে পড়ুন
কবিতা, জীবন | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৯ বার দেখা | ৮৫ শব্দ ১টি ছবি
শেখ রাসেলের কররেখা
শেখ রাসেলের কররেখা
বিশ্বের এই অভিযাত্রী আলোয় আরও একজন মানুষের নাম
যুক্ত হতে পারতো বড় গর্বের সাথে। আরও দুটি হাতের
কররেখা দেখে পুলকিত হতে পারতো টুঙ্গিপাড়ার আকাশ।
না- ভুল বললাম,
আলোকিত হতে পারতো এই বাংলার মাটি, বিশ্বে ছড়িয়ে
ছিটিয়ে থাকা প্রতিটি বাঙালীর রোজনামচার পাতা। সিলিকন ভ্যালি থেকে পুরো দুনিয়ায় পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৯ বার দেখা | ১৫৬ শব্দ ১টি ছবি
একটি মহাকাব্য লিখবো বলে
বিমূর্ত এক ঘোর অন্ধকারে
হেঁটেছি আমি পঁয়ত্রিশ বছর ধরে
একটি হৃদয়ের আশ্রয় পাবো বলে
যে হৃদয় এ হৃদয়ের কথা বলে যে চোখ এ চোখে দৃষ্টি দিলে
বুঝে নেবে কি ব্যাথা এ অশ্রু জলে
এ জল কেন যে জ্বলে পুড়ে জ্বলে
এ হৃদয় কেন যে অন্তর দহনে পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৬ বার দেখা | ২০২ শব্দ
আধেক সেই প্রেম তৃঞ্চা
——–আধেক সেই প্রেম তৃঞ্চা তোমার হাতের অস্থির রেখা!
আমাকে টানেনি কখনও,তাই বোধ হয়
অভিমানে মুছে গেছে সব
প্রেম অধ্যায়গুলো ছানি পোড়া চোখের মতো
আঁড়ালে রয়ে গেল; সদলবলে। প্রেম কি আলো হারা সাঁঝ?
জোনাক আশ্রয়ে বাঁচে; ঠিক দাঁড়িয়ে থাকে
তারকার রোশনাই ক্ষয়ে। সদ্য লজ্জাবতী ছুঁয়ে
যে ফড়িং ডানা মেলে হা্ওয়ায়
তাকে তুমিই খুঁজে ফিরো জীবন পড়ুন
কবিতা | | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৫ বার দেখা | ৪৮ শব্দ
সিজোফ্রেনিয়া
হাত রেখে দিয়েছি, ডিপ ফ্রিজে। বরফের মতো
আপন কিছুই নেই জেনে, ভুলে যেতে চাইছি
বিগত বিষণ্ণতা। ভোর আমার দরজার প্রহরী
ছিল বহুকাল- লিখছি এমন ঘটনার উপসংহারপর্ব। দেখছি, মৃত মানুষগুলো হয়ে উঠছে আমার বন্ধু
আর জীবিতেরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে
কেবল গাইছে আদিম হিংস্রতার গান।
আগুন পুড়ছে ঝরণা বুকে নিয়ে। ভালোবাসা-
বলে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৫ বার দেখা | ৭১ শব্দ
একাকী
একাকী
সবুজ আকাশটা কেমন জানি
নীল- নীল লাগছে-কাল মেঘে
ধুয়ে যাচ্ছে বন্ধু হারানো শোক;
বৃষ্টির গায়ে দুঃখ কষ্ট নেই- নিরবধি
হাত ছুঁয়া মাটির ঘরে শুধু একাকী।
হয় তো অপেক্ষা করছে প্রিয় বন্ধু
কিছু ঋণের পরিশোধ চাওয়া পাওয়া,
ভাবিস না- অন্ত ক্ষরণ বয়ে যাচ্ছে
তোর পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৫ বার দেখা | ৫৭ শব্দ ১টি ছবি
তোমার বাড়ী এলাম বন্ধু
তোমার বাড়ী এলাম বন্ধু
চা সাধো না আমায় তুমি তোমার বাড়ী এলাম
শান্তিটুকু করে দিলাম তোমার কাছে নিলাম;
সঠিক মূল্যে কিনে নিয়ো মনটা এবার তুমি,
এক কাপ চা দিলে হবে প্রফুল্ল মন ভূমি। তোমার মনে আমায় রেখো, তুমি আমার মনে,
গল্প করে চা খাবে কী তুমি আমার সনে?
তুমি বানাও পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৫ বার দেখা | ১৫৩ শব্দ ১টি ছবি
মৃত্যু এবং আমি
প্রতিদিন একটু একটু করে মরে যাচ্ছি আমি !
অথচ, আমি যেভাবে মৃত্যু চেয়েছি,
যে ভাবে আমাকে চেয়েছি, সেভাবে নয়।
একটি বর্ণহীন আলো আসে – চোখে মুখে লাগে।
তারপর দ্রুত চলে যায়। গ্রীষ্মকাল কিংবা বর্ষাকাল,
এই শরতের অনাহত পারাপার কিংবা হেমন্তের দিন যাপন।
একটি ছায়া অদৃশ্য হয়ে যায় – যে তুমি চাও, পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৫ বার দেখা | ৯০ শব্দ
টাইমঘড়ির আওয়াজ
এমন মধ্যরাত, নির্জন কেবিনের মতো;
সেদিন এইসব বিপন্ন ঘুম লাগার আগে
বোধহয় সাপের নীল চোখে তাকাচ্ছিলাম- ঘুমঘর দেয়ালে একা, একার মধ্যে কে যেন
ছায়া এনে টাইমঘড়ির আওয়াজ তুলছে
প্রতিটি শরীর থেকে নরম চাহনি তার
বৃষ্টি এসেছিল এক ঝলক-চোখ পেঁচিয়ে
শেষবার মানুষের মতো বুক বাড়ালাম
উষ্ণ ঠাণ্ডা, ফিজিক্সের মতো কল্পনা মাত্র
শত শত ময়ূরবসনে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৬ বার দেখা | ৭২ শব্দ
খন্ড কবিতা
খন্ড কবিতা
ছাই চাপা বুকের কপাট খুলে- দ্যাখো
ফুলের নাম করে চেয়ে গেছে হেমলক, সংক্রমিত বিষ
এভাবে আরো কিছু ঘা, অসংগতি, রক্তঘাতি শাপ
মরণের আহ্বানে গলিত পাথর- হিমবাহের স্রোত
বইছে অশ্রু-নদী শতদ্রু তাপসীরে
অলীক সাধনের রাত পোহালে
আসিস শুদ্ধ স্নানে! নইলে
রক্ত গমনে আত্মা’রা সাক্ষী হয়ে ফুটবে
সংরক্ষিত পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪১ বার দেখা | ৪১ শব্দ ১টি ছবি
এখন যেমন
কিছু তাস গোছানোই থাকে, অল্পে কিছু আশা,
অভিমুখী অবিরত হাত মুন্সিয়ানা ছানে,
এই আছি এই নেই, আজকের নিঃশ্বাসের মানে,
পরিস্থিতিগতভাবে বদলে যায় কুশীলবী ভাষা। চোখ তো দেখেছে রূপ-তেষ্টা-প্রেম-উচ্চাশা,
স্থাপত্য বৈভবে তবু অহংকারী মৃত বৃক্ষডাল–
কাকে যে ডোবাবে তুমি, কাকে দেবে বুকের আড়াল,
ভুলেগেছো সংগোপনী রোদ-বৃষ্টি-শিশির-কুয়াশা। পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৩ বার দেখা | ৩৮ শব্দ