কবিতা বিভাগের সব লেখা

নদীর তীরে
নদীর তীরে
এই যে শিশু
ভাবছ কিছু
বসে নদীর ধারে
জলাঙ্গীর ঊর্মিতে কেন, ও পথিক ভাই
ওই তরীটি নড়ে
-জানিনে বাপু। ও পথিক ভাই,
ঐ দেখ মাঝি ভাই
নিয়ে যায় তরী,
সে পড়ুন
কবিতা, ছড়া ও পদ্য | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ২৫৩ বার দেখা | ৩২৫ শব্দ ১টি ছবি
কষ্টের ফেরিওয়ালা
কষ্টের ফেরিওয়ালা
আমি উদাসীন
আমি কষ্টপুরে থাকি
আমি নিরবে কাঁদাই, কাঁদি
কষ্ট নিয়ে চলি, কষ্ট ফেরি করি
আমি কষ্টের ফেরিওয়ালা। স্বপ্ন দেখিছি সুখের শাসক হতে
তাই সুখের রাজ্য খোঁজে
সেইদিন রাজ্যপথে সবে যাত্রা একসাথে,
দু’কদম পা ফেলতে না ফেলতে বিবেক ক্ষয়ে
ইচ্ছার অজান্তে “ভুল” নামক যানবাহনে
উঠে গেলাম দু’জনে,
হঠাৎ উদাসীনতার প্রহসনে
অগনতি পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১১৩৮ বার দেখা | ১৮১ শব্দ ১টি ছবি
ভাইরাস কিংবা বিতর্ক যেভাবেই দেখো
চতুর্থ মৃত্যুর আগে প্রাণকে সেরে নিতে হয় তৃতীয়
মহাযুদ্ধ। পাঁজরের স্তরে স্তরে সাজানো এই যে
অভিমান; তাও করে দিতে হয় অবিন্যস্ত।
আলোকানন্দ অথবা বৈশ্যবিষাদ’কে দিতে হয়
সম অধিকার। যারা ছায়াপাতের নামতা পড়তে
পারে, তাদেরকেই দীক্ষক মেনে বিশ্লেষণ করতে
হয় পথে পথে পড়ে থাকা বীজাণু। অন্তর বাজিয়ে আকাশ বলতে হয়-
তুমি পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৩ বার দেখা | ১০৪ শব্দ
আমি আর প্লক্ষতরুণী
(উন্মেষ কবিতা)
অন্তরীক্ষ দরদালান, ধুলোমেঝেয় বাচ্চা ছেলে হয়ে ছুটছে
নোনার শুকনো পাতা, লেজখসা টিকটিকি, ভাঙা চুড়ির রুবাই
ওদের এনো না। চাবি হাতে নেমে এসো মা, বাবা, দিদিমা, দু’ভাই ব্যথা-শব্দে দরজা খোলে, দোতলার ঝুল বারান্দায়
চটের আসন পেতে বসো শান্ত ক’রে মৃতের হরমোন
আর ডাকছি দু’জনকে — পুষ্পল কুমার বসু, শৌণক পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৫১ বার দেখা | ১৩৩ শব্দ
অর্ধাঙ্গিনী
কাঁঠালের বিচি চেনাবে বলে
সেকি প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা,
উনপঞ্চাশ নামতা শেখাতে
ক্লান্তি নাই। জল পড়ে টুপটুপ,
স্নাত না হওয়া পর্যন্ত
মিলত না নিস্তার। বাজারের ফর্দ ভুলে না যাই
ঘন ঘন মুঠোফোনের তাড়া
বেখেয়ালি জুতার ফিতা
দুর্ঘটনার কারন হবে
ভেবে নিচু হয়ে পাশের জমি অভুক্ত পড়ে আছে
ধনেপাতার আঁচড়ে পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৩৩ বার দেখা | ১৪২ শব্দ
দন্ডসেবা
নাচতে নেমেছো যখন
ও ময়ুর, পেখম মুড়োনা—
জানি, এই নীলাকাশ মুজরো নাচ উস্কে দেবেনা,
শেকল পায়েতে বেঁধে
খুব কিছু নাচাও ঘটেনা — তবু, দন্ডসেবা দেখেছো তো চেয়ে?
জ্বলন্ত আগুন দিন
বুক পেট মাথা কসরতে
আঁক কেটে মানসিক শোধা?
তবে, ময়ূরী পেখমহীনা,
দন্ডমেপে দেবে ঠিক
মাপে মাপে দন্ডকাঠি ধরে শেষ দেখা পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৭ বার দেখা | ৫৫ শব্দ
ঘুম -২
ঘুম মানেইতো নীরব অন্ধকার
শব্দিহীনতার নির্বাক কারাগার,
ঘুম মানেইতো সাময়িক বিচ্ছেদ
পাশে থেকেও নিঃসঙ্গতার হাহাকার। পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৯৫ বার দেখা | ১২ শব্দ
মুজিবের অবদান
মুজিবের অবদান
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি তুমি
মুজিব তোমার নাম,
এই ধরাতে তোমার সমতুল
নেই তো কারো দাম। বাঙালির সুখে হাসতে তুমি
কাঁদতে বাঙালির দুখে,
নিজের স্বার্থ তুচ্ছ করে তুমি
দাঁড়াতে মৃত্যুর মুখে। লোভ লালসা দেখিয়ে তোমায়
কিনতে পারেনি কেউ,
তার জন্য পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭২ বার দেখা | ১১৭ শব্দ ১টি ছবি
বিশ্ব নারী দিবসের জ্বলন্ত কবিতা
বিশ্ব নারী দিবসের জ্বলন্ত কবিতা
বিশ্ব নারী দিবসের জ্বলন্ত কবিতা
কলমে- লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মধ্য দিয়ে নারীত্বের উৎসব পালিত হয়। জাতি, ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে মহিলাদের কৃতিত্বকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য এই দিনটি পালিত হয়। এই দিনে প্রত্যেককে নারী অধিকার, লিঙ্গ সমতা পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৩৬৯ বার দেখা | ৩০৭ শব্দ ১টি ছবি
সমাধিক্ষেত্র ভুলিয়াছি আমি ইরাবতী
আমারো দারুন বাঁচবার ইচ্ছে হয়েছিল। ছয় বছরের আমি মেজভাইয়ের পকেট থেকে
চুরি করেছিলাম পাঁচটি পিতল পয়সা
যা জেনে কেঁদে ফেলেছিল মা
মরমে মরেও আমি মরতে চাইনি সেদিন। ঝলমল এর পুতুলের বাক্স থেকে চুরি করেছিলাম
কাপড়ের চুলওয়ালা পুতুল
ইজেরের ভেতর গুটিয়ে রাখা সেজআপার লিপস্টিক
সাত বছর বয়সের পর আর চুরি করিনি বাঁচবার পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৯ বার দেখা | ১৬০ শব্দ
হে বসন্ত হও অনন্ত!
হে বসন্ত হও অনন্ত !
হে বসন্ত হও অনন্ত
সূর্যের ডানায় উড়ে বেড়াও আদিগন্ত পথ
দীপালির গ্রীবায়- কাঁচা দুষ্টুমিতে
ছুঁইয়ে দাও তোমার প্রাণবন্ত পেখম
অনুপম লজ্জারা পালিয়ে যাক আমার প্রিয়তমার ওষ্ঠ থেকে তেপান্তরের মাঠ ছুঁইয়ে আয়ুষ্মান করে দাও
বিস্তীর্ণ শস্য ক্ষেত। গুন গুন গুঞ্জরনে উঠে আসুক মৌমাছিরা
প্রাণান্ত উল্লাসে ছুটে আসুক কৃষাণীর পড়ুন
কবিতা | | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৪৩৬ বার দেখা | ৯৩ শব্দ ১টি ছবি
সুচেতনা তোমাকে ৩
হেমন্ত আঁতুড় শেষে ঘরে ফিরে গেছে
সদ্যোজাত মেয়ে ধান – ছেলে ধান
মাঠ কাঞ্ছিতে পড়ে থাকা অবোধ মৃত সন্তান
আর কিছু বেবশ ভুলে ফেলে যাওয়া
কচি কচি হাতে খুঁটে তুলে নেয় আঁচলের
ক্ষুদ্র সঞ্চয়ী আমানত,
তিন তালাকের অবশ্যম্ভাবী ছেনাল রোদ্দুরে
পুড়ে যাওয়া সিক্ত যৌবন মাঠকোঠার গোপণ
কুলুঙ্গিতে রেখে ব্যস্ত কাঠের উনান
আগামীর মুখে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৯ বার দেখা | ৭৪ শব্দ
আমি আর প্লক্ষতরুণী
নয়
তিনের পিঠে তিনটে চাঁদ নেমে গেছে। আমাকে ছাড়ো, ব্রাহ্মণ।
সবক’টা আঁতুড়ঘরে উঁকি দেবো, সাহায্য করো ঋষি শৌণকের তিনজন দেবতা।
পাঁচ বছর আরও বিরহভোগ, তারপর ঘোর ইশারায় সায়নাচার্য এক অট্টালিকাধাম হন
ভেতরে তাকিয়ে আমার যোগশ্বাস কেন রুদ্ধ হয়ে আসে, ভেবো তা সেই চোখে কোমল শিউলির ভার, বিদ্যুতের ছিলা এক পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৯৫ বার দেখা | ১৫৩ শব্দ
নামছে_আঁধার
আঁধার নামছে, ফিকে হয়ে আসছে রঙ।
মনে যে উজ্জলতা একদিন ছিল,
তীব্র রোদে দিন যাপনের যে ইচ্ছা মনে
পোষণ করতাম। ইচ্ছার পূর্ণতা প্রাপ্তি
ঘটলো না, চোখের সামনে
হারিয়ে গেল অবিশ্বস্ত রোদ। মড়কের আগে
পৌঁছাতে হবে সবুজ মাঠে এই আশায়
সারাজীবন এত যে ছুটাছুটি করলাম
কিছুই কী হাসিল হল! গন্তব্য, গন্তব্য করে
হেঁটেই পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১০০ বার দেখা | ৯৭ শব্দ
মুজিব
মুজিব
হে মুজিব,
জন্ম যদি তোমার না হতো বঙ্গে
বাঙালির সব সোনার স্বপ্ন যেতে ভেঙ্গে।
পেত না বাংলার মানুষ স্বাধীনতা
আজীবন বাঙালিকে থাকতে হতো পরাধীনতার জালে বদ্ধ। “হে মুজিব,
তুমি মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকা উজ্জ্বল সূর্য
তোমার কাছে কামার, কুমার, জেলে, চাষা ছিল সম মর্য
তোমার থেকে কেউই পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৭ বার দেখা | ২০২ শব্দ ১টি ছবি