আলমগীর সরকার লিটন-এর ব্লগ

আলমগীর সরকার লিটন। লেখকের প্রথম কবিতা প্রকাশ হয় ‘দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ‘ভিজে যাই এই বর্ষায়’ এরপর লেখকের অন্যান্য কবিতা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে যেমন- ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা “মেঘফুল”, ত্রৈমাসিক পত্রিকা ’পতাকা’, মাসিক ম্যাগাজিন, সংকলন ‘জলছাপ মেঘ’। এছাড়া অনলাইন পত্রিকায় লিখে থাকেন। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ’’মেঠোপথের ধূলিকণা’’ প্রকাশিত।

অমাবস্যার মোড়
অমাবস্যার মোড়
রঙ্গমঞ্চে জীবনের রাস্তা মোড়!
কখন ধূলি বালির সাথে মিশে যাই!
জ্যামিতি কিংবা পরিমাপ
যন্ত্র কেউ হার মানায়;
কোন মেঘের বজ্রপাতে
পাড়াপড়শী জেগে উঠে না।
খিড়কি মনের দরজা জানালা বন্ধ-
রাগ অভিমানে সবই অন্ধ;
হয় তো কিছু ক্ষণের জন্য পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | ২৩ বার দেখা | ৫৯ শব্দ ১টি ছবি
বেশ হচ্ছে
বেশ হচ্ছে
বেলকনির পাশে ডেঙ্গুর আনাগোনা বেশ হচ্ছে
রূপালি দেহ বরাবর জানালাটাও খোলা;
চুলের নাকি হাত পা আছে- হেঁটে- হেঁটে
রান্না করা পাতিলের মধ্যে ডুবে সাঁতার কাটে;
আজ কাল তেলাপোকারাও বেশরম হয়ে যাচ্ছে
মাছ কিংবা মাংসের সাথে মজাদার রোস্ট হচ্ছে
তেলাপোকা আর পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | ৪৩ বার দেখা | ৬৮ শব্দ ১টি ছবি
ঠিকানা
ঠিকানা
পশু জবাই রক্ত জানি
সুখের উড়া পায়রা!
কালমেঘের আাকাশ জানি
কষ্টের ধোয়া আয়না;
আইল পাথারে খুঁজে পাই
সবুজ ঘ্রাণের মুখ!
মাটির বুকে ফুটেছে সব
রক্ত জমার সুখ
ভাসায় যত রক্ত জলে
মাটির কান্না দুখ
দুর্বঘাসের নিচে মাটির ঠিকানা
ডাকি কত শুনে না। ৩১ ভাদ্র ১৪২৯, ১৫ সেপ্টেম্বর ’২২ পড়ুন
কবিতা | ৫ টি মন্তব্য | ৪৭ বার দেখা | ৪০ শব্দ ১টি ছবি
নদের মেঘ
নদের মেঘ
টিনের চালে বৃষ্টির মেঘ
গড়ে গড়ে অবশেষে
ঐ অট্টালিকার ছাদ;
রোদ বৃষ্টি মিষ্টি হাসি
সবই তার পূর্ণিমা চাঁদ!
আলিঙ্গন শুধু হীরাপান্নার
দরজা জানালা এমন কি
সোনার পালঙ্কে কাঁথা বালিশ;
খানিকটা দুপুর সন্ধ্যা ভোর
শিশির ভেজা আগলা মন-
এখানেই নিকুঞ্জ বিষাদের উঠন
বর্ষা জলে ভরেছে নদের মেঘ; ২৭ ভাদ্র ১৪২৯, ১১ সেপ্টেম্বর পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | ৫৯ বার দেখা | ৪৪ শব্দ ১টি ছবি
জন্মের গুণে
জন্মের গুণে
একমুঠো সাদা আকাশের জন্মদিন
আবেগ অনুভূতি উপলব্ধি ছুঁয়ে যাচ্ছে-
রাস্তার মোড়ে কৃষ্ণচূড়া লালে লাল!
মিছিলে- মিছিলে সুবাসিত গন্ধ ভাসছে
অন্তহীন দেহের ভাজে- ভাজে;
অথচ কাপুরুষ ভীতুর দল নোংরা
বর্ণমালা গাঁথছে আর গাঁথছে- যত
নর্দমার ভাষা, জল মাটি, গাছপালা
লতাপাতা বিমুখ; তবু যুগ যুগান্ত ধরে
গন্ধবিরল ফুটুক ফুল, জন্মের গুণে। ২০ পড়ুন
কবিতা | ৭ টি মন্তব্য | ১৭৭৫ বার দেখা | ৪৪ শব্দ ১টি ছবি
চিনেও চিনে না
চিনেও চিনে না
রাত নিঝুম আকাশের গায়ে নাকি চাঁদ
দেখা যায় না; যত অদ্ভুত কর্মকাণ্ড মাটির
স্পর্শে! অথচ ভোরের স্নিগ্ধতায় বিবেক
শূন্য উঠনে সাত পাতার গাছে গোলাপ
ফুটে না- যাহার কোন অর্থবহ হয় না
বুঝেও না- সূর্যের কিরণ মনে; তারপরও
চঞ্চল ঘোড়ার গাড়ি রাস্তাও চিনেও চিনে না
উত্তর দক্ষিণ পড়ুন
কবিতা | ৬ টি মন্তব্য | ৮৩ বার দেখা | ৬৮ শব্দ ১টি ছবি
বিপদ ছাড়ে না
বিপদ ছাড়ে না
বিপদের গায়ে ঠাণ্ডা বাতাসে
জল গড়ে না। মেঘলা মন
মাটির দোসর ঘাসফড়িঙে!
মনের দ্বারে দক্ষিণা আকাশ
পূর্ণিমা ফুরায়- বিপদ ফুরায় না
ঘার ঘাপটি মেরে থাকে রাস্তার
মোড়ে! অথচ মেঠোপথ ধু -ধু
শ্মশান, রাত গড়িয়ে দুপুর সন্ধ্যা;
অতঃপর বিপদ ছাড়ে না নদীর
চারিধার বালুচর কিংবা কাজল। ১৩ ভাদ্র ১৪২৯, ২৮ আগস্ট পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৫ বার দেখা | ৪১ শব্দ ১টি ছবি
অক্লান্ত ঘাস
অক্লান্ত ঘাস
ভাদ্ররী মেঘলা আকাশ
বর্ণ চূড়ায় বিষাদের অনল
তবু পুড়ছে না মাটির মন
ভাদ্ররী মেঘলা আকাশ;
এই সরিষা ফুলের মাঠ
এতো বর্ষায় ভাসছে পাপড়ি
অথচ বৃষ্টির আনন্দ নেই;
যত সরিষা ফুলের মাঠ!
মেঘ শূন্য আঁধারে আর্তনাদ
ঘন রাতদুপুরে সর্বনাশ-
স্নিগ্ধ ভোরে অক্লান্ত ঘাস!
বলো কে বায় বাতাস?

০৮ পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৮ বার দেখা | ৪০ শব্দ ১টি ছবি
নাশী
নাশী
হু গদ্য আর পদ্য
বুঝলাম না চৌদ্দ!
ছন্দের হাত পাও-
শব্দের মুখে খাও;
বিষয়বস্তু ভাবনার
জল- বুকের পারে
খল; তবু ত্রি-রাশি
ছন্দের বাশি-বাজাও
বড় কাশি-এ জগতে
ছন্দেই দুলে নাশী!
গদ্য আর পদ্য- মন
গভীর জলশুকনো পদ্ম। ০৫ ভাদ্র ১৪২৯, ২০ আগস্ট ’২২ পড়ুন
কবিতা | ৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮৭ বার দেখা | ৩১ শব্দ ১টি ছবি
সাপ
সাপ
সময় এখন যে, চিরস্থায়ী মনোভাব
লোভ লালসায় ঢাকে না তার খাপ;
মাছির মতো ছুটতে চায় অলিগলিতে
চোখে মুখে ফুটাবে নাকি সরিষা ফুল
সাহস হারাস না ধানশালিক- ফিঙ্গের
দিকে তাকিয়ে লাভ নেই- অলিগলিতে
উড়তেই হবে শালিক! মনের চারপাশে
ভেবে রাখ বেহেশত-ভাবো না জাহান্নাম
নাম- পড়ুন
কবিতা | ৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৯ বার দেখা | ৫১ শব্দ ১টি ছবি
রাতের চিল
রাতের চিল
রোজ রোজ আকাশ দেখি নীল
মনের মাঝে কষ্ট সব খিল!
মেঠো পথে সোনালি গন্ধের টানে
উড়ে যায়- পূর্ণিমা রাতের চিল
চিল তো নয় বুঝি শঙ্খচিল!
ঘাস ফুলের বাগানে এক নোনা বিল
দেখতে যদি পাই পিরিতির ঢল;
সুখের নায়ে জল শুকন বালুচরে মিল।
যত সব দেখো না মাটির ঘর-
এক পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৮ বার দেখা | ৫১ শব্দ ১টি ছবি
শৃঙ্খলা
শৃঙ্খলা
এক দলা মাটি কিংবা ইট পোড়া বাসনা
হরদম চলছে বুক পাঁজরে- অথচ মেঘ
বৃষ্টির ভয় নেই-রক্তক্ষরণে জলাশয় নদ;
মনের গভীরে ইট ভাটার অনল জ্বেলে
শান্ত হতে বল মাটির চূড়া-তারপর
অহমিকা চোখের আঙ্গুলে চিনো না
এমনকি বুঝো না- এক বিদ্বেষীর তরী
ভাসাচ্ছ রোজ- রোজ! মনের সিঁড়ি কিংবা
দেওয়াল পার্থক্য পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৬ বার দেখা | ৬৪ শব্দ ১টি ছবি
শেষ বেলা
শেষ বেলা
হাসির দাঁতে- চাঁদ ঢেকেছে ঠোঁট;
মাটির পরশ আর কতখানি দোসর
সবই মাথার মুকুট ঝলসে উঠে-
নদীর পার কিংবা নদের বালুচর
হাসির কান্না এক অদ্ভুত গোধূলি বেলা
সন্ধ্যা যেনো আনন্দ মুখর ভোরের প্রত্যাশা
অথচ চোখ নুনের খনি পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮২ বার দেখা | ৫৪ শব্দ ১টি ছবি
গন্তব্য
গন্তব্য
ট্রেনের শেষ স্টেশন কথায়?
ঘুম যার মাটির ঘাসফুল- না
বিছানা তার ধূলি বালি- চাপা
মৃত্তিকার নরম দুল! তবু বুঝি
স্টেশনের পটে সুখ নাই- দুঃখ
নিঃশ্বাসে দুর্গম ছুটে ছু্টে চলা
চোখ মুখ সবই বন্ধ; কে বুঝে
দু’চাকা ট্রেনের শেষ গন্তব্য। ১৫শ্রাবণ ১৪২৯, ৩০জুলাই’২২ পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৮ বার দেখা | ৩৫ শব্দ ১টি ছবি
বুক পাঁজরের ঢেউ
বুক পাঁজরের ঢেউ
মৃত্যুর চোখে ধরণির
যত সব স্বার্থপরতার উকুন
কঠিন রোগের থেকেও কঠিন;
অথচ কবরের মাটি একদিন অদৃশ্যের
ছায়া উঠনে জল ভূমি কিংবা
অট্টালিকার ছাদ- তবু পূর্ণিমা
চাঁদের ঝলকানি দিবে না; কারণ
সেতো মৃত চোখ ওপারের খেয়া নেই
শুধু তরি ভাসমান জলের নদ!
অতঃপর ছলাত ছলাত বুক পাঁজরের ঢেউ। ১০শ্রাবণ ১৪২৯, পড়ুন
কবিতা | ৮ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৯৮ বার দেখা | ৪২ শব্দ ১টি ছবি