জানালার পাশে একটি কাঁঠাল গাছ। সবুজ পাতা ভেদ করে সামনের দিকে তাকাতেই আরো সবুজ চোখের তৃপ্তি এনে দেয় কণার। বাউন্ডারি ওয়ালের পেছনে লম্বা এক টিনের দো’চালা সেমি-পাকা ভবন। অনেকগুলি পরিবার সেখানে বাস করে। এরপরেই বিস্তীর্ণ খোলা জমি। এর শেষ প্রান্তে সারি সারি শিরিষ গাছ। কিছু রেইন্ট্রি গাছও যার যার শাখা বিস্তার করে সাথের গ্রামটিকে সবুজে বেষ্টন করে আছে। দেখতে ভাল-ই লাগে কণার। অলস সময় দেখে দেখে কেটে যায় ওর।
.

কি দেখে সে? দোতলার এই জানালা দিয়ে গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে সামনের সেমি-পাকা ভবনটির বাসিন্দাদের জীবনের অণুচিত্র দেখা যায়। সেখানে মহিলাদের ঘরকন্নার নিত্য দৃশ্য। পুরুষেরা সবাই রোজগারের ধান্দায় বাইরে। ফিরে সেই অনেক রাতে। তবে অন্যের সাংসারিক জীবনযাত্রা দেখার মত রুচিহীন ও নয় সে। তবুও জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকে। দূরে আকাশ যেখানে গাছগুলির মাথায় চেপে বসেছে, সেদিকে তাকিয়ে থেকে যায় বেলা।
.

মেয়েরা ড্রইং রুমে টিভি দেখছে। ওদের এই বেডরুম থেকেও দু’জনের কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। মেয়েরা বাবার ন্যাওটা। মাকে তাদের দরকার শ্রেফ খাবার সময় হলে। কিংবা টাকার প্রয়োজন হলে। এ ছাড়া এই বাসাতে কণা নামে যে তাদের একজন মা রয়েছে, মেয়েদের হাবভাবে সেটা কখনো-ই মনে হয় না। অথচ বন্ধের দিনে শিহাব যেদিন বাসায় থাকে, ওদের তিনজনের আলাদা জগত দেখে নীরবে দীর্ঘশ্বাস ফেলে কণা। প্রথমদিকে একটু আধটু হিংসে হতো। এখন আর হয় না।
.

শিহাব যে চাকরি করে, তাতে ফিরতে অনেক রাত হয়। ছোট মেয়ে খেয়ে ঘুমিয়ে গেলেও, বড়টি বাবার জন্য অপেক্ষা করে। বাবা এলে তবে খেয়ে সে ঘুমায়। বড় মেয়ের এই অভ্যাস পছন্দ না শিহাবের। এ নিয়ে শিহাব কত অনুযোগ করেছে। মা হিসেবে কণা ব্যর্থ, আভাসে-ইঙ্গিতে সে কথাও জানিয়েছে শিহাব। তবে শুনে কণা হেসেছে কেবল-ই। কোনো প্রতিউত্তর নেই.. কিংবা ভ্রুর সামান্য কুঁচকানো ভঙ্গিও কখনো শিহাবকে দেখতে হয়নি। এমন-ই কণা।
.

ডোরবেল বেজে ওঠে। মৃদু টুংটাং আওয়াজ প্যাসেজ হয়ে বেডরুমে ও পৌঁছায়। কিন্তু কাঁঠাল গাছে একটি ‘বউ কথা কও’ পাখি এসে বসেছে। সেদিকে তন্ময় হয়ে থাকায় কণার কানে ডোরবেলের আওয়াজ পৌঁছায় না। কি সুন্দর! অসাধারণ! কণাদের গ্রামে পাখিটি ‘হইলদা পাখি’ নামে পরিচিত। সবুজের মাঝে ক্ষুদ্র উজ্জ্বল হলুদের ঝলকের দিকে কণা নির্ণিমেষ চেয়ে থাকে। তাই মেয়েদের সাথে মৃদু খুনসুটি শেষে বেডরুমে শিহাবের প্রবেশেও ওর ঘোর কাটে না। প্রিয় মানুষটির নিঃশব্দ অনুপ্রবেশ কণা নামের এই যুবতীর তন্ময়তা কাটাতে পারে না।
.

বিছানার সাথেই জানালাটি। গ্রিলের উপর হাত রেখে শিকের সাথে নাক ঠেকানো কণাকে দেখতে পায় শিহাব। বিছানার ওপর হাঁটু ভেঙ্গে ওর দিকে পেছন ফিরে রয়েছে সে। দুই সন্তান হবার পরেও কণার দেহসৌষ্ঠব এখনো চমৎকার! যদিও প্রথম সন্তানের পরে নিজেদের ভুলে দ্বিতীয়টি এসেছে অল্প সময়ের ভেতর। এখনো কণার ফিগার দেখে শিহাব ঢোক গিলতে বাধ্য হয়। ৩৬-২৪-৩৬…বাঙালি মেয়েদের এমন ফিগার সচরাচর দেখা যায় না। একটু দুষ্টুমি জাগে শিহাবের মনে। বিড়ালের মত আলতো পায়ে পেছন থেকে কণাকে ধরতে চায় সে। কিন্তু বিছানায় ওঠার আগেই ওর শরীরের ঘ্রাণে কণা ফিরে তাকায়। শিহাবের হাসিমুখ আর চোখের গোপন দুরভিসন্ধি দেখে পলকের তরে কণার ভেতরে কোথায় যেন কিছু একটা জ্বলে ওঠে। এবার পুরোপুরি পেছনে ফিরে বিছানায় বসে। মুখে মৃদু হাসি। জিজ্ঞেস করে,
.

‘কখন এলে বাজার থেকে? কলিং বেলের আওয়াজ পেলাম না যে?’

শিহাব কণার কোলে মাথা রাখতে যেতেই কেন জানি শিউরে ওঠে কণা। একটা বালিশ টেনে ওর মাথার নিচে দিতে চাইলে মাথা নেড়ে শিহাব প্রত্যাখ্যান করে ওর প্রশ্নের উত্তর দেয়-

‘ তুমি কি আর তোমার ভেতরে ছিলে যে আওয়াজ পাবে? তুমি তো ভেসে বেড়াচ্ছিলে সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে মেঘবালকদের রাজ্যে।’
.

মুখের হাসিটুকু ধরে রেখেই কণা নীরবে শিহাবের মাথার চুলে হাত বুলাতে থাকে। শিহাবের কাছে অতি প্রিয় এই আদরটুকু। কিছুক্ষণ করলেই ওর ঘুম এসে যায়। জানে কণা। কিন্তু কণা যে জানে, এটা কি শিহাব জানে? এরকম টুকরো টুকরো অনেক জানা-অজানার মিশেলে বয়ে চলেছে ওদের এই সংসার। চলার পথ শুরু থেকে একেবারে মসৃণ ছিল না। সবার থাকে ও না। কিন্তু সেই বন্ধুর পথ চলতে গিয়ে, কণা শিহাবের ঢাল না হলেও প্রচ্ছন্ন ছায়াসঙ্গী হয়েই ছিল। এমন ছায়াসঙ্গী যে নিজের কায়া বিসর্জন দিয়েছে প্রিয় এই মানুষটির জন্য। তবে শিহাব ওর রুটিন জীবনের বাইরে গিয়ে সেটা কখনো-ই বুঝতে কিংবা জানতে চায়নি। ভাল সে বেসেছে ঠিক-ই। কিন্তু কেন জানি কণার কাছে মনে হতো, শিহাবের আচরণে আরো একটু বেশী দেখানোর প্রবণতা থাকলে বোধহয় ভাল হতো। যদিও ভালবাসায় দেখানোর প্রবণতা কম থাকবে, উপলব্ধির ব্যাপারটা বেশী থাকবে। একজন অন্যজনকে জানার জন্য বেশী ব্যকূল থাকবে। শরীর কেন্দ্র করে যে আবেগের বহিঃপ্রকাশ, সেটাকে ভালবাসা বলা যায় না। অনেকের কাছে ভালবাসা বলতে শ্রেফ কিছু শারীরিক কসরৎ। তারা মনের ধার-ই ধারে না। মন যদিও এক বিমূর্ত অবয়ব। তারপরও এই দেহকেন্দ্রিকদের নিকট, মন কেবলি এক রক্ত পাম্প করার মাংসপিণ্ড বিশেষ।
.

‘শিহাবের ব্যাপারে তোমার কি মত? সে ও কী ঐ সব দেহসর্বস্ব প্রেমিকদের মত?’ – নিজের ভেতর থেকে এই প্রশ্নে একটু থমকে যায় কণা! তবে শিহাবের মাথায় ওর হাতের বিলি কাটা বন্ধ হয় না। আনমনে নিজের প্রশ্নের উত্তর ভাবে সে। এক পর্যায়ে মনে হয়, শিহাবকে সরাসরি জিজ্ঞেস করলে কেমন হয়? কিন্তু পরক্ষণেই সেটা বাতিল করে দেয়। শিহাব যদি অন্য কিছু ভেবে নেয়, তখন? নিজের ভেতরের সাময়িক টানাপোড়ণে, কখন যে কণার হাত স্থির হয়ে গেছে, বুঝতেই পারেনি কণা। অবাক শিহাব যখন ওকে জিজ্ঞেস করে,
‘ কি হল আবার? কোথায় হারালে?’
.

একটু লজ্জা পেলেও উত্তর দেয় না কণা। উঠে বসে শিহাব। কণার চোখে চোখ রেখে জানতে চায়-
‘সত্যি করে বলতো, কি হয়েছে?’
– তোমাকে একটা প্রশ্ন করতে চাই?
‘হ্যা, কর। এর জন্য জিজ্ঞেস করার কি দরকার!’
– তুমি আমাকে কতটা অনুভব কর?
.

এবারে একটু অবাক হয় শিহাব। কিন্তু বরাবরের মত মুহুর্তেই সেই ভাবটুকু লুকিয়ে স্বাভাবিক হয়। জানালা দিয়ে আসা দমকা বাতাসের তোড়ে কণার চুল এলোমেলো। মুখ ঢেকে থাকে চুলে। শিহাব পরম মমতায় চুল সরিয়ে এক জোড়া কালো আগুনের দিকে তাকিয়ে মৃদু স্বরে বলতে থাকে,
‘এতদিন পরে এই প্রশ্ন কেন আমি জানতে চাইব না। তবে কিছু একটা তোমাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে, বেশ অনুভব করছি।’
– এটা আমার প্রশ্নের উত্তর হল না।
‘আমিও বলিনি এটা তোমার প্রশ্নের উত্তর। কেউ কাউকে কতটা অনুভব করে, তা মুখে বলে বুঝানো যায় কি? একজন অনুভবক্ষম-ই আরেকজনের অনুভূতি অনুভবে সক্ষম। এখন আমাকে বল, তুমি কী অনুভবক্ষম?’
– হেঁয়ালি কর না। সোজা ভাষায় বল।
‘বেশ, তাই করছি। আমাকে নিয়ে তোমার নিশ্চয়-ই অনেক অভিযোগ। তবে সেগুলি তোমার ‘একার সাথে একা’ এটাও বুঝি। কাউকে তুমি এগুলি বলবে না, তাও জানি। ঠিক আছে?’
– বলে যাও।
‘পাঁচ বছর আগের এক ঘটনায় তোমার ভেতরের এক অদৃশ্য জানালা বন্ধ হয়ে গেছে। পথের দিকে তাকিয়ে মানুষের পথ চলা দেখতে তুমি বড্ড ভালবাস। কিন্তু সেই মানুষেরা-ই তোমার সেই জানালা সহ তোমাকে উচ্ছেদ করেছে। তোমার ভেতর-বাহিরের দৃশ্যমান এক জগত হঠাৎ করেই ভেঙ্গে যায়। সেই থেকে বিগত বছরগুলি তুমি কেবলি জানালা দিয়ে আকাশ ও গাছপালা দেখ। কেন জানি পথ চলা মানুষ তুমি দেখতে চাও না ইদানিং। চাইলে ড্রয়িং রুমের জানালা দিয়ে সোজা পিচঢালা পথের দিকে তাকিয়ে থাকতে। কিন্তু তুমি সেটা কর না। ঠিক আছে?’
– আর?
‘আরো জানতে চাও? তুমি যে অনেক সুন্দর সেটা কি তুমি জান? এখন আমার স্বভাব হল, সুন্দরকে সুন্দর সেটা মুখে বলে প্রকাশ করি না। সুন্দরকে ছুঁয়ে তার সৌন্দর্য্য অনুভব করি। এজন্যই হয়ত আমাকে তোমার অন্তর্মুখী মনে হতে পারে। তবে আমি যেমন-ই হই না কেন, তোমাকে বড্ড ভালবাসি! এখন আমাকে বল, আমি যে তোমাকে অনুভব করি, এটা কি তুমি বুঝ?’
– নাহ! বুঝলে কি আর তোমাকে জিজ্ঞেস করি?
‘হুম… তাও বটে।
.

বাইরের দমকা বাতাস কেমন শীতল অনুভব হয়। আকাশ মেঘে ঢেকে আছে। চারদিক অন্ধকার হয়ে আসে। একটু পরেই শুরু হবে টিপটিপ বৃষ্টি। এক জোড়া নর-নারী দু’জনের মুখোমুখী বসে আছে। কারো মুখে কোনো কথা নাই। দু’জনেই যার যার মনে ভাবছে। কণার কানে বেজে চলেছে শিহাবের প্রশ্নের অনুরণন-
‘আমি যে তোমাকে অনুভব করি, এটা কি তুমি বুঝ?’
পাশাপাশি বসে ওরা দু’জন বাইরের উত্তাল পরিবেশ দেখতে থাকে। কিন্তু ওরা আসলে কিছু-ই দেখে না। শিহাবের হাতে হাত রেখে কণা নিজের মনে ভাবে… এক সময় অনুভব করে, ‘হ্যা! আমি বুঝি! তোমাকে অনুভব করছি আমি!’
.

প্রচন্ড শব্দে কাছে কোথায়ও বজ্রপাত হয়। ওদের দুই মেয়ে ভয়ে চিৎকার করে বাবা-মায়ের কাছে চলে আসে। মায়ের কোলে ঢুকে যায় ছোটজন, বড়জন মাকে জড়িয়ে ধরে। শিহাবের হাসি মুখের দিকে তাকিয়ে কেন জানি এই মুহুর্তে কণার নিজেকে বড্ড নিশ্চিন্ত মনে হয়। দুই মেয়ের শরীরের বাবু বাবু ঘ্রাণ… প্রিয় মানুষটির শরীরের পুরুষালী ঘ্রান.. আর বাইরের বৃষ্টিভেজা প্রকৃতির ঘ্রাণ! এসব কিছু মিলে মিশে কণাকে প্রগলভ করে তোলে! সে দুই মেয়েকে আরো জোরে জড়িয়ে ধরে শিহাবের চোখে চোখ রেখে নিঃশব্দে নিজেকে বলে,
‘আমার মানুষটি আমাকে অনুভব করে। সে দেহকেন্দ্রিক নয়। আমার মেয়েরা ও আমাকে অনুভব করে.. আমিও কিছুক্ষণ আগে অনুভবক্ষম হয়েছি, তাই অনুভব করতে পারছি। এরা-ই আমার মানুষ… আমার জানালা।‘
.

প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়ায় বাহিরের বৃষ্টির ছিটে এসে ওদেরকে ভিজিয়ে দিতেই, কণা থাই গ্লাসের সার্সি টেনে দেয়। হঠাৎ করেই রুমের ভেতরে আরামদায়ক নৈশব্দ বিরাজ করে। যদিও জানালা বন্ধ হয়ে যায়.. কিন্তু কণার ভেতরের বেশ আগে বন্ধ হওয়া মনের জানালাটি কিছুক্ষন হল খুলে গেছে। তাই এখন জানালা বন্ধ কি খোলায় ওর কিচ্ছু যায় আসে না। ওর প্রিয় মানুষেরা ওর সাথেই আছে!

GD Star Rating
loading...
GD Star Rating
loading...

মামুন সম্পর্কে

একজন মানুষ, আজীবন একাকি। লেখালেখির শুরু সেই ছেলেবেলায়। ক্যাডেট কলেজের বন্দী জীবনের একচিলতে 'রিফ্রেশমেন্ট' হিসেবে এই সাহিত্যচর্চাকে কাছে টেনেছিলাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি... নিজের চল্লিশ বছরে এসে আবারো লেখালখি ফেসবুকে। পরে ব্লগে প্রবেশ। তারপর সময়ের কাছে নিজেকে ছেড়ে দেয়া। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৬ তে 'অপেক্ষা' নামের প্রথম গল্পগ্রন্থ দিয়ে লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ। বইমেলা ২০১৭ তে তিনটি গ্রন্থ- 'ছায়াসঙ্গী'- দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ, 'ঘুঙ্গরু আর মেঙ্গরু'- উপন্যাস এবং 'শেষ তৈলচিত্র'- কাব্যগ্রন্থ নিয়ে সাহিত্যের প্রধান তিনটি প্ল্যাটফর্মে নিজের নাম রেখেছি। কাজ চলছে ১০০০ অণুগল্প নিয়ে 'অণুগল্প সংকলন' নামের গ্রন্থটির। পেশাগত জীবনে বিচিত্র অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। একজন অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। পোষাক শিল্পের কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। লেখালেখির পাশাপাশি সাংবাদিকতা করছি। লেখার ক্ষমতা আমি আমার ঈশ্বরের কাছ থেকে চেয়ে নিয়েছি। তাই মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লিখেই যেতে হবে আমাকে।
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের,লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর।
এই লেখাটি পোস্ট করা হয়েছে গল্প-এ এবং ট্যাগ হয়েছে স্থায়ী লিংক বুকমার্ক করুন।

৩ টি মন্তব্য যখন তুমি আছো আমার সনে : ছোটগল্প

  1. মুরুব্বী বলেছেনঃ

    শিহাব চরিত্র আমার বেশ লাগে। আজ কেনো জানি শিহাবকেই বেশী করে পেলাম। Smile অসংখ্য ধন্যবাদ মি. মামুন।  শুভ সকাল।

    GD Star Rating
    loading...
    • মামুন বলেছেনঃ

      শিহাবের প্রতি আপনার ভালোলাগাটুকু সে অবশ্যই অনুভব করবে।

      আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

      শুভেচ্ছা…https://www.shobdonir.com/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_rose.gifhttps://www.shobdonir.com/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_heart.gif

      GD Star Rating
      loading...
  2. রিয়া রিয়া বলেছেনঃ

    এই লেখাটািও অসাধারণ। অভিনন্দন গল্প দা।

    GD Star Rating
    loading...

মন্তব্য প্রধান বন্ধ আছে।