আবু মকসুদ-এর ব্লগ
রঙ নাম্বার
ঝিলের ধারে বসে ছিলাম
মুখটা করে ভার
হঠাৎ কেঁপে উঠল মোবাইল
অচেনা নাম্বার ধরব কি না ধরব দ্বিধায়
হচ্ছে সময় ক্ষয়
শেষ পর্যন্ত হয়ে গেল
কৌতূহলের জয় অপর প্রান্তে সুরেলা এক
কণ্ঠ শুনা গেলে
আমার মনের পায়রা গুলো
আবার ডানা মেলে সুরের জাদু কণ্ঠে রেখে
অচেনা নাম্বার
বলতে থাকে নড়ে গেছে
তার হৃদয়ের পাড় তার পুকুরে ঢেউ উঠেছে
আমার ছুড়া ঢিলে
ঢিলের পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ১টি মন্তব্য | ৩৭ বার দেখা | ৯৮ শব্দ
খালকাটা
(কাল্পনিক; বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই) জুলেখার পুত্র লায়েক হয়ে গেছে; সে এখন নিজের মতামত দিতে চায়; মাকে প্রভাবিত করতে চায়। জুলেখা নিরুপায়; পুত্রের অযাচিত উপদ্রব মেনে নেয়া ছাড়া কিছু করার নেই। তার চারপাশে অবিশ্বাসী মুখ, কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। যাকেই বিশ্বাস করেছে, পড়ুন
জীবন | ১টি মন্তব্য | ৪৭ বার দেখা | ২৬২ শব্দ
তিতলি ও তার মা
তিতলির বাবা মারা যাওয়ার তিন দিন পরে তিতলি পালিয়ে যায়, অথচ এর প্রয়োজন ছিল না। রাহুলের সাথে তার সম্পর্কের বাধা বাবাই ছিলেন, মায়ের অমত ছিল না। এখন তাদের সম্পর্ক নির্বিঘ্নে বিয়ের দিকে গড়াতে পারতো। মৃত্যুর তিন দিন পরে পালিয়ে যাওয়া একটা বিরাট ধাঁধা হয়ে পড়ুন
জীবন | ১টি মন্তব্য | ৫৮ বার দেখা | ২৫৮ শব্দ
ডিম ভাজি
তিন তেরো আটত্রিশ হলে সমস্যা কি ছিল বুঝতে পারছি না, উনচল্লিশই হতে হবে কেন। প্রায় অর্ধ ঘন্টা ধরে নীল ডাউন হয়ে আছি তাও আবার ক্লাসের বাইরে, নীল ডাউনে অসুবিধা না; অসুবিধা হল ডানা নামের যে মেয়েটার সাথে ভাব জমানোর চেষ্টা করছি সে মেয়েটা দেখে পড়ুন
জীবন | ১টি মন্তব্য | ৪৮ বার দেখা | ৩২৩ শব্দ
সীতেশের প্রেমিকা সমাচার
সীতেশ যখন বলল আত্মহত্যা ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই। আমি বললাম ‘যা ব্যাটা ঝুলে পড়’। সে অবিশ্বাসের চোখে তাকালো, আমি তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু; কোথায় সমবেদনা দেখাব উল্টা আত্মহত্যার উস্কানি দিচ্ছি।
আমি বললাম ‘তুই মরে যা’, ‘ব্যাটা লাড়কি তোকে ছেড়ে অন্যের গলে মালা পড়িয়েছে তোর মরে পড়ুন
অণুগল্প | ২ টি মন্তব্য | ৬৩ বার দেখা | ১৯৫ শব্দ
রাফখাতা
আট ক্লাসে রাফখাতায়
পেন্সিল দিয়ে একটি নাম লিখেছিলাম। টিউশন মাস্টারের দ্বিতীয় মেয়ের নাম একই
আমার অজানা ছিল
তবুও মাস্টারের অভিযোগে
পিতার কাছে তিরস্কৃত হতে হলো। আট ক্লাসেই প্রেমের চিন্তা
অকালপক্ক ভেবে কড়া নজরদারি। অকালপক্ক ছিলাম বটে, নামটিও ছিল
প্রেমিকার; তবে তখনো প্রেমিকা ছিলো না। জীবনানন্দের বনলতা পড়ে ভেবেছিলাম
ওইভাবে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ৫৭ বার দেখা | ৮৬ শব্দ
উল্লুক
স্যার আমাকে উল্লুক বলতেন
উল্লুক বস্তুটার সাথে তখন পরিচয় ছিল না
পরে জেনেছিলাম উল্লুক বানরের ভ্রাতা। ততদিনে বিবর্তন তত্ত্বের কারণে
জেনে গিয়েছিলাম স্যারও উল্লুক।
স্যারের পিতার সাথে একদিন আলাপে
সত্যতা পেয়েছিলাম, বলেছিলেন
তার পুত্রও পুত্র বয়সে উল্লুক ছিল। স্কুলে আমার স্বভাব ছিল উল্লুকের মতো
এ ডাল থেকে ও ডাল, স্থির হয়ে
দাঁড়ানো কিংবা বসা পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ৬৪ বার দেখা | ৮৪ শব্দ
তবু কিছু বেদনা
রাস্তায় নামতেই ক্ষুদ্র এক পাথরে ধাক্কা খেলাম
প্রতিদিনের রাস্তা, প্রতিদিনের পাথর। ফুটপাতে
উই’র টিবির মতো পাথর সযত্নে এড়িয়ে চলি।
আজ মনসংযোগে ব্যাঘাত হচ্ছে, বাঁধতে ভুলে
গেছি টাইয়ের নট। গতকাল শিমুলের ডালে যে
সংসারী শালিক কে উৎফুল্ল দেখেছিলাম, আজ
শিমুলের গোড়ায় তার নিষ্প্রাণ দেহ পড়ে আছে। টকটকে লাল শিমুল পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ৬১ বার দেখা | ৮৯ শব্দ
জানাজা
প্রতিটি জানাজায় গেলে মনে হয়
লাশের পাশে ঘুমিয়ে আছি। প্রতিটি কবর আমাকে আবাসনের
লোভ দেখায়। ঘরের বারান্দায় যখন
সূর্য নামে দূরে চিলের সাথে ঘুড়ির
মিতালি সাঙ্গ হয়; নাটাই গুটিয়ে নিলে
একলা আকাশ শূন্যতায় গ্রাস করে। বৃদ্ধের মুখে শেষ বিকেলের ছায়া
যখন দেখি, ভাবি; সন্ধ্যার বুঝি
দেরি নেই। আঁধার ঘনিয়ে আসছে;
যেতে হবে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | ৪৪ বার দেখা | ৯৫ শব্দ
ভালোবাসার রকমফের
জিতেনের হয়েছে বড় সমস্যা; রুমকি কে মুখ খুলে বলতে পারছে না। অথচ বললেই ল্যাঠা চুকে যেত। জিতেন রুমকি কে নয় রুমিকে ভালোবাসে কিন্তু রুমকি জিতেন কে নিজের খরিদ করা মাল ভেবে বসে আছে। যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে ব্যবহার করে। রুমি জিতেনের চোখাচোখি কয়েকবার হয়েছে, রুমির চোখে পড়ুন
অণুগল্প | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬২ বার দেখা | ২১৭ শব্দ
তাদের যৌথ জীবন
দেবী দক্ষিণের চরণে অর্ঘ্য ঢেলে
নিঃস্ব হয়েছিল মিস্ত্রাল
তার কি কোন দুঃখ ছিল!
নিজেকে উজাড় করে
ফকির হওয়া, এও কি নিজস্ব বাঞ্ছা! দক্ষিণের জানালায় যাবতীয় সুখ;
দখিন বাতাসে মন জুড়িয়ে যায়,
দক্ষিণ প্রতিভাত হলে মিস্ত্রাল জেগে উঠে।
সংসারের একঘেয়েমি মৃত্যু নিয়ে এলে;
দক্ষিণের এক চিলতে হাসি
টেনে নিয়ে পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৭ বার দেখা | ৭৭ শব্দ
সঙ্গম
তিন দিকে জল; এক দিকে মালতি
প্রতিদিন পানিতে ভেলা ভাসিয়ে
মালতি দর্শনে যাই। মালতি প্রেমিকা;
জলের বারান্দা থেকে গ্লাসে
পানি ঢেলে দেয়। আমি তৃষ্ণা জুড়াই।
প্রেমিকার পিতা শঙ্কর মেরে জলে
ভাসিয়ে দিবে বলেছে। মম পিতা আবদাল
বলেছে পানিতে চুবিয়ে মারবে।
মালতি জল পানির দ্বন্দ্বে দিশেহারা। আমি নাছোড়বান্দা; জল পানির
সঙ্গম পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭০ বার দেখা | ৪৮ শব্দ
আরেকবার যাওয়া যায়
কবরের পাশে শ্মশানের পোড়া
গন্ধ এসেছিল, গন্ধ শুঁকে কবর
বুঝে ফেলেছিল এ নির্ঘাত নিতাই। শ্মশানের নিতাই আর কবরের
বজলু একে অপরের গন্ধ ভালই
জানে, তারা হরিহর আত্মা ছিল। গঞ্জের ওইসব ঘরে টাকার বিনিময়ে
মালতিবালাকে ভাগে ভোগ করেছে;
অন্যদিন সায়রা খাতুনও খোশ
করেছিল বেশ। পালদের মেয়ে
বজলুর প্রেমে পড়েছিল, নিতাই
চিঠি বাহকের কাজে গাফলতি পড়ুন
কবিতা | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৫৯ বার দেখা | ১৪১ শব্দ
দ্বন্দ্ব সমাস
আমাদের বন্ধু অতনু বিজ্ঞান ক্লাসে
কান ধরে বেঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকতো
কিংবা ক্লাসের বাইরে নীলডাউন।
সম অপরাধে আমরা মাফ পেয়ে
যেতাম, শুধু শাষাণ হত; শাস্তি
তেমন ভোগ করতে হত না।
আমাদের শিক্ষক সনাতন পন্থি;
অর্থাৎ হিন্দু, অতনুও হিন্দু
তবু তার প্রতি পক্ষপাতিত্ব ছিল না। বড় পণ্ডিত বাংলা দ্বিতীয় পত্র
অর্থাৎ ব্যাকরণ পড়াতেন
ব্যাকরণ আমাদের পড়ুন
কবিতা, জীবন | ১টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৬৭ বার দেখা | ৯৯ শব্দ
মন গাছ
মন বৃক্ষের নিচে একদিন ভয়ানক কান্ড ঘটে গেল, এই কাণ্ডের রেশ দীর্ঘ দিন আমাদের তাড়া করেছে। শীলা নামের যে মেয়েটা মৃদুল কে ভালোবাসতো এক ভোরে তাকে দেখা গেল মন গাছে ঝুলে আছে। ধরাধরি করে তার লাশ যখন নামানো হলো, আমরা তাকাতে পারিনি, তার জিব্বা মুখ থেকে পড়ুন
জীবন | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৪৬ বার দেখা | ১৭০ শব্দ