চন্দন ভট্টাচার্য-এর ব্লগ
চাঁদপোড়া
আমার মুখ আমি দান করে যাব
সুপুরিগাছের জঙ্গলে
দোকানদার মারা গেলে দোকানে তার বউ
বেরিয়ে আসে, আর কালো ভিজে অফিসফেরত ছাতাদের ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয় পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | ৪৯ বার দেখা | ১৬৮ শব্দ
জ্যোতির্ময় অসুখেরা
(চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রণাম
যারা প্রতিদিন প্রাণীকুলের প্রাণ বাঁচিয়ে চলেছেন) এক
বড় বড় গাঢ় কোঠাবাড়ি দাঁড় করিয়ে রেখেছে অসুখেরা
বেদনার হাত ছাড়িয়ে আমাদের বেদানার দানায় নিয়ে তুলছে
এক একটা রোগশয্যা হাজার সুস্থকে আলো দেখায়
আর ভিড়ের ভেতর দিয়ে কেটে পড়তে পড়তে সময়
মানুষের পকেটে রেখে যাচ্ছে ফাটাফাটা নিয়তিমুখ দুই
অসুখ একটা মাকড়সাজালের পড়ুন
কবিতা, জীবন | ৩ টি মন্তব্য | ৫২ বার দেখা | ৫৪৯ শব্দ
প্রসিদ্ধ ভূপতিচরণ রায়ে যাব এই গলি দিয়ে
প্রসিদ্ধ ভূপতিচরণ রায়ে যাব এই গলি দিয়ে
টানা-রিকশা উড়ে যাচ্ছে কচুরিবাতাসে, তাতে
বুলেট সিঙাড়া প্যাসেঞ্জার। বাইক শোঁ ক’রে
কাটাতে গিয়ে গলির কনুইয়ের নুনছাল উঠে গেল
ওমনি মেহনতি মানুষের খবরের কাগজ
তার ওপরে পুলটিশ যারা লুঙির গিঁট তুলল হৃদয় পর্যন্ত, গেঞ্জি গায়ে
রাস্তা পার হল যেন রাষ্ট্রসংঘে যাবে, যাদের
আলোর পিপাসা দীপক মিত্তিরের কালীবাড়ি পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৫৬ বার দেখা | ১৩৫ শব্দ ১টি ছবি
বৃক্ষা
বৃক্ষা
আমি লিখে যেন বৃক্ষাকে খুশি করতে পারি তাকে ডেকে এনে পুড়িয়েছি ভালোবাসামাঠের শ্মশানে
ছাইসুর্মা চোখে প’রে লিখেছি পৃষ্ঠা জুড়ে আছাড়িপিছাড়ি এবার আকাশ ভেঙে উঠে যাক কিস্তিমাৎ মৃত্যুর মানে [‘সন্তানপ্রণাম’ বইতে আছে] পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৯১ বার দেখা | ২৭ শব্দ ১টি ছবি
কুঞ্জভঙ্গ
আমাদের খেলা ধ্বংস করে দেওয়া বৃষ্টি আজও আসে
জামার ওপরে জামা, তারও আগে জানলা বন্ধ ক’রে দিই;
গ্রহটির কষ্টের নিঃশ্বাসে —
আষাঢ়-ঝাপটা লাগে। শুকনো গামছা মুছে দাও
পৃথিবীর সমস্ত পা পথে ও প্রবাসে
আমাদের আলো ধ্বংস ক’রে দেওয়া বৃষ্টি আজও আসে আকাশ পাথর ছোঁড়ে — শালগ্রামশিলা
হাতে নিয়ে ব্রাহ্মণের বাক্যরোধ হয়
আজ পড়ুন
কবিতা | ২ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৮৮ বার দেখা | ১০৭ শব্দ
সন্তানপ্রণাম ... চার
ভোর সাতটার জামরুলতলা, কী খুঁজছে দুধ-খরগোশ!
জবাব যে জানে রাত করে শোয়, ডেকে দি’ দাঁড়া — নিসর্গ? ধূপকাঠি-ছেলে, জিয়ল মাছের ঝোল খাক রোজ দুপুরে
কান্না থামবে, তবেই না খাওয়া! ছেড়ে এসো মাছ পুকুরে মাঠপথে হাঁটি ঘাস না মাড়িয়ে — কাঁহাতক বলো পারা যায়?
“দেখে দেখে চলো বাবা, ওরা ছোট, পড়ুন
কবিতা | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১০২ বার দেখা | ৮৫ শব্দ
সন্তানপ্রণাম
অধ্যায় : সাত বাবাকে যে-কোনও সংখ্যা দিয়ে ভাগ করো
একদলা ভাগশেষ থাকে —
ইলিশমাছের তেল অথবা জলপাই চাটনি দিয়ে মাখা;
শূন্য করে আনা যায় না কোনও বাবাকেই।
বন্ধু নেই, কিডনি নেই, তবু ঢলঢলে ফুলপ্যান্ট
ছেলেবৌ আনবে ব’লে চৌরাস্তায় এগিয়ে দাঁড়িয়ে আছে
যত কথা তার চেয়ে গলা খাঁখারি বেশি
ড্রাইভারের পাশে ব’সে ভুল পড়ুন
কবিতা, জীবন | ৩ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৬৫ বার দেখা | ১৩৯ শব্দ
অতিপর্ব
আজ দশ বছর পর তোমাকে দেখতে পেলাম
একটা হাই তুলতে গিয়ে
এক দশক আমি রেড সিগন্যালকে নিয়তি আর
ট্র্যাফিক পুলিশকে দেবতা মেনে ঘুরে বেড়িয়েছি রাস্তায়
তোমার অফিসের উল্টোদিকে গুটখা দোকানদারের
তিন মেয়ের নাম বেছে দিয়েছি অভিধান দেখে
আর এই গোটা সময়কালে আমি মূলত হাই তুলে গেছি
কোটি কোটি নানা সাইজ পড়ুন
কবিতা | ৪ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৮৭ বার দেখা | ১৮১ শব্দ
শত্রুই ঈশ্বর
আমরা জানি বাঁচতে গেলে বেশির ভাগ মানুষের যতখানি বন্ধু লাগে, ততটাই শত্রুর দরকার হয়। নিজেকে ভালো বা ঠিক প্রমাণ করার আগ্রহ আমাদের অপরিসীম, এবং ভালো-খারাপ একটা তুলনামূলক বিচার। কাজেই, এই ‘আমি’টি অন্যে খারাপ প্রমাণিত না হলে নিজের ভালোত্বকে প্রতিষ্ঠা করতেই পারবে না। খারাপ কখন পড়ুন
জীবন | ৫ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৭৪ বার দেখা | ৫৩২ শব্দ
পরপুরুষ
এক
এক দশকে তাদের একবারও দেখা হয়নি! বিশ্বাস হচ্ছে না? আসলে দুজনের কেউ-একটা অনিচ্ছুক হলেই সাক্ষাৎ অগুন্তি কাল ধরে পিছিয়ে যেতে থাকে। ডিভোর্সের পরের মাসেই অরুণাভ বদলি হয়ে কলকাতা অফিসে চলে এল। শেক্সপিয়ার সরণি থেকে রাসেল স্ট্রিটে অদিতির ব্যাংক কতটুকু? তবু দশ ইন্টু তিনশো পঁয়ষট্টি ইনটু পড়ুন
অণুগল্প | ৮ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ৭৩৯ বার দেখা | ৫১৫ শব্দ
যোগমায়া
আমি এমন ব্যবস্থা রেখেছি
সব তান্ত্রিক নিভে গিয়েও আমার ধুনি জ্বলে!
মেঘের গর্জন শেষে মৃদু হাসি বইতে থাকে — ভোর,
আমি এমন লাইনঘাট করেছি যোগ ও মায়া — দুটির একত্র বলে
নিজেকে উদ্ধার করেছি, আমার
রতিমোক্ষ শরীরে হয়েছে
আর মন ধুনুচিধোঁয়ার মতো অনর্গল ভয় তুলে তুলে
ওই দেখো, ভস্মমাখা ছাই
চলাচলই আমার দরোজা, পড়ুন
কবিতা | ৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৫০ বার দেখা | ৮২ শব্দ
গয়ন্ত জাঙ্গুলি
যত সব সোকাবোকা ছেলে নিয়ে জেরবার
স্যার বলতেন
জয়ন্ত গাঙ্গুলি, হায়মন্ড ডারবার
ফা হিয়েন লেন স্বামী-স্ত্রী দুইজন আর এক বোন ঘরে
অবিবাহিতা
বেথুন কলেজে পড়ে, পাঠ করে অবসরে
কেষের শবিতা সেই মেয়ে হায় হায় ফেল হ’ল বাংলায়
অঘটন কী এ!
স্যার কান্নায় ভিজে — বোনটির শুখটি যে
গিয়েছে মুকিয়ে স্টুডেন্ট ভালোই, যত বোকাসোকা টাসমার
স্যার বললেন
গয়ন্ত জাঙ্গুলি, পড়ুন
ছড়া ও পদ্য | ৭ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৭৫ বার দেখা | ৫১ শব্দ
কত সীমাহীন আছে
অনেক অসংখ্য আছে। অনেক প্রার্থনা প্রার্থিতের হাত ছুঁতে পেরেছে এখুনি
পথ আছে; বলছি বিশ্বাস করো, তাকে বর্ণনা করলেই সমান্তরাল সড়কের
জন্ম হবে পাশে
নবজাত ফুলগুলো গায়ে নিয়ে যে-বাড়ি ঘুমিয়ে আছে কী নিশ্চিত;
একটা বরফগলা দুধ হাতে, মুখে বলিরেখা-লাগা, পুরনো পাহাড়
সে ঘুম ভাঙাবে
আরও শোনো বিরক্ত হওয়ার আগে — আকর্ণ পড়ুন
কবিতা | ৭ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৯৮ বার দেখা | ১৩৯ শব্দ
আমি উন্মাদ আত্মজীবনীতে
তিন ঠিক এমনি গরমের সময়ে একবার বাবার চারপাইতে উঠে
একটা দাঁড়াশ লম্বা হয়ে ঘুমিয়ে নিল। ওই দেখতে পাচ্ছ
ঝুঁটি শালিখ গন্ধরাজের ডালে? আর টিউবয়েলের মাথায়
এক সেকেন্ড বসেই পিঠটান — না না, দোয়েল ছাড়া আর
কারও লেজে অতটা লাল থাকতে নেই সবার উঠোনই তো শুকনো পাতায় ভ’রে আসে, কিন্তু আমাদের
বারান্দায় পড়ুন
কবিতা | ৬ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৯২ বার দেখা | ১৫৩ শব্দ
আমি আর প্লক্ষতরুণী
ছয় দেখে মনে হবে রেস্তোরাঁ। আসলে বাইরের ঘর।
মুখোমুখি বসে প্রেমকাহিনি বাড়িয়ে নিচ্ছিলাম
একবারও দৃষ্টি সরাচ্ছে না উজ্জ্বল আনন্দিত
চোখ সে-মেয়ের। অল্প নিউরটিক কি ঝিলাম? তাকানোর মধ্যে একটা গোগ্রাস আছে। সে যেন
প্রেমের কাছে পিণ্ডদান চায়। আঙুলে আঙুলের
শেকড় জড়ানো, উঠতে গিয়ে মন অপরাধী।
“চলে যাচ্ছ! ভেবেছিলাম আজ দুজনে ধরা দিই” সে ও পড়ুন
কবিতা | ১১ টি মন্তব্য | মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে | ১৮৯ বার দেখা | ১৭৬ শব্দ